রোবোট (Robot) শব্দটার উৎপত্তি “Robota” মতান্তরে “roboti”] শব্দ থেকে। শব্দটার প্রবক্তা ছিলেন ক্যারেল ক্যাপেক, যিনি বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে সাইন্স ফিকশন লেখার জন্য বিখ্যাত ছিলেন। ‘Robota’ শব্দটার মানে হল দাস (slave) বা কর্মী (worker)।
বর্তমানে Robot শব্দটি মোটামুটি একই অর্থ বহন করে। খুব সাধারন ভাবে বললে যে যন্ত্র/স্ট্রাকচার কোন নির্দিষ্ট টাস্ক (কাজ) করতে সক্ষম তাকে রোবোট বলে। “টাস্ক”টা মানুষের মত হাটাহাটি বা সামগ্রিক মানুষের আদলে কাজকর্ম (আসিমো, ASIMO- Advanced Step in Innovative Mobility, HuBo) ছাড়াও খুব সামান্য কিছু ও হতে পারে। যেমন একটা অটোম্যাটিক ডোর, যা মানুষ বা কিছু সেন্স করে নিজে নিজে ওপেন হতে পারে, তাকেও রোবোট বলা হলে খুব ভুল বলা হবেনা, তবে এগুলো কে সাধারনত রোবোট না বলে “intelligent system” বলা হয়। কিন্তু কোন স্ট্রাকচারের মোবিলিটি (mobility)/ মোশন (Motion) , সেন্সিং (sensing ability) আর ইন্টেলিজেন্স (inteligence) থাকলে তাকে রোবোট বলা যায়। একটা খুবই সাধারন চার চাকার গাড়ি, যদি চালক ছাড়া চলতে পারে (নিজেই প্রতিবন্ধকতা এড়িয়ে (able to avoid obstacle )), সেও রোবোট (বড় পরিসরে এগুলোকে বলে Unmanned (air/ground)vehicle-> UGV,UAV )। রোবোট হতে পারে পুরোপুরি অটোনোমাস (স্বয়ংক্রিয়), সেমি-অটোনোমাস(আধা-স্বয়ংক্রিয়), রি-প্রোগ্রামেবল অথবা হিউম্যান কন্ট্রলড।
সরাসরি সংগা দিতে গেলে এরকম দাঁড়ায়, যে ইলেট্রো-মেকানিক্যাল স্ট্রাকচার কোন কাজ করতে সক্ষম, সেই রোবোট। ইন্টিলিজেন্ট রোবোটে বিভিন্ন সেন্সর থাকে। বুদ্ধীমত্তার জন্য এর থাকে একটি সি পি ইউ (CPU)। আর থাকে একচুয়েটর (actuator)। ফিল্ড রোবোটে একচুয়েটর হল মোটর। চাহিদা ও কাজের ধরন অনুযায়ী সেন্সর নির্দিষ্ট করা হয়। সে অনুযায়ী প্রোগ্রাম লেখা হয়, সার্কিট ডিজাইন করা হয়। মটরের টর্ক থেকে শুরু করে সমস্ত কিছু তৈরির আগে সিমুলেশন করে ঠিক করা হয় এবং ডিজাইন অনুযায়ী বানানো হয়।
রোবোটিক্স মূলত রোবোট কন্ট্রোল ও ডিজাইন নিয়ে কাজ করে। এটাকে ইলেক্ট্রিক্যাল, মেকানিক্যাল, কম্পিউটার, মেকাট্রনিক্স এর সংমিশ্রন বলা যায়। তবে শুরুর জিনিষ গুলো বুঝতে খুব সাধারন আগ্রহ থাকাই যথেষ্ট।
একটি সাধারণ রোবটে নিচের উপাদানগুলো থাকে-
১. পাওয়ার সিস্টেমঃ সাধারণত রোবটের পাওয়ার দেওয়া হয় লেড এসিড রিচার্জেবল ব্যাটারী দিয়ে।
২. অ্যাকচুয়েটরঃ অ্যাকচুয়েটর হল রোবটের হাত-পা অথবা বিশেষভাবে তৈরি কোন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের নাড়াচাড়া করার জন্য কতকগুলো বৈদ্যুতিক মোটরের সমন্বয়ে তৈরি বিশেষ ব্যবস্থা।
৩. অনুভূতিঃ সেন্সরের মাধ্যমে রোবটে মানুষের মতো অনুভূতি তৈরি করা হয়।
৪. ম্যানিপিউলেশনঃ ম্যানিপিউলেশন হল রোবটের আশেপাশের বস্তুগুলোর অবস্থান পরিবর্তন বা বস্তুতিকে পরিবর্তন করার পদ্ধতি।
FOR MORE CLICK HERE
বাংলা রচনা সমূহ
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য
English Essay All
English Grammar All
English Literature All
সাধারণ জ্ঞান বাংলাদেশ বিষয়াবলী
সাধারণ জ্ঞান আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী
ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
বি সি এস প্রস্তুতি: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি
বি সি এস প্রস্তুতি: নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সু-শাসন
বি সি এস প্রস্তুতি: সাধারণবিজ্ঞান
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ
বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়
ভাবসম্প্রসারণ