বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে সরকারি পদক্ষেপ Government Steps to Increase Foreign Investment
বিদেশী বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ নিম্নে সংক্ষেপে তুলে ধরা হল ।
১। শুল্ক রেয়াত (Tax holiday) : জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) কর্তৃক নির্ধারিত নীতি অনুযায়ি ঢাকা বিভাগে স্থাপিত শিল্পসমূহ ৫ বছর পর্যন্ত শুল্ক বেয়াত পায়। অন্যান্য অনুন্নত স্থানে অবস্থিত শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহ ৭ বছর পর্যন্ত এবং ইপিজেড-এ অবস্থিত প্রতিষ্ঠানসমূহ ১০ বছর পর্যন্ত শুল্ক বেয়াত পায় ।
২। স্বল্প আমদানি শুল্ক ঃ শিল্প প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আমদানিকৃত Capital Machinary-এর ক্ষেত্রে আমদানি শুল্ক খুবই কম । উন্নত স্থানে অবস্থিত শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহের ক্ষেত্রে আমদানি শুল্ক নিম্নরূপ ।
শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহ ১০০% রপ্তানীমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠান : উন্নত এলাকার শুল্ক হার
অনুন্নত এলাকার শুল্ক হার 0% 0%
৭০% রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠান ৫.০০% 2.50%
৩ । আমদানিকৃত Capital Machinary-এর ক্ষেত্রে ভ্যাট প্রযোজ্য নয় ।
৪ । প্রবাসী বাংলাদেশিরাও বিদেশীদের মত সুযোগ সুবিধা পেয়ে থাকে । পাঁচ বছর পর্যন্ত তারা
NFCD (Non-Resident Foreign Currency Deposit) একাউন্টে টাকা রাখতে পারে ।
৫। কোন দ্রব্যের উপর নির্ধারিত আমদানি শুল্ক ঐ দ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামালের উপর
নির্ধারিত শুল্কের চেয়ে বেশি ।
৬। বিদেশি ঋণের সুদের উপর শুল্ক রেয়াত ।
৭ । রয়্যালটি, কারিগরি সহায়তা, কারিগরি জ্ঞানে দক্ষতা ইত্যাদির উপর শুল্ক মওকুফ।
৮ । দীর্ঘমেয়াদি ঋণের সুবিধা ।
৯ । ৩ বছর পর্যন্ত বিদেশী কারিগরদের আয় শুল্কমুক্ত ।
১০। বিদেশী নাগরিকদের মজুরির ৫০% বিদেশে প্রেরণের সুবিধা
১১ । শেয়ার স্থানান্তরের মাধ্যমে অর্জিত বাড়তি পুঁজির ক্ষেত্রে শুল্ক মওকুফ ।
১২। বিদেশীদের কার্য অনুমতি (ওয়ার্ক পারমিট) এর ক্ষেত্রে কোন বাধা-নিষেধ নেই । ১৩ । বিনিয়োগকৃত পুঁজি মুনাফাসহ দেশে ফেরৎ নেয়ার সুব্যবস্থা ।
১৪ । বিদেশী শেয়ারহোল্ডারদের দেশীয় মালিকদের কাছে শেয়ার হস্তান্তরের সুবিধা ।
১৫ । এক স্থানে সেবা ( One Stop Service) : বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সরকারি সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠান বোর্ড অব ইনভেস্টমেন্ট One stop service চালু করে। এ অফিস হতে বিনিয়োগকারীরা শিল্প প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধার অনুমোদন পাবে। আবেদনের ৩০ দিনের মধ্যে গ্যাস, টেলিফোন, বিদ্যুৎ, সরকারি অনুমোদন, ব্যাংক ঋণের অনুমোদন হয়ে যাবে । বিনিয়োগকারীদের আর বিভিন্ন দপ্তরে দৌড়াদৌড়ি করতে হবে না ।
১। শুল্ক রেয়াত (Tax holiday) : জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) কর্তৃক নির্ধারিত নীতি অনুযায়ি ঢাকা বিভাগে স্থাপিত শিল্পসমূহ ৫ বছর পর্যন্ত শুল্ক বেয়াত পায়। অন্যান্য অনুন্নত স্থানে অবস্থিত শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহ ৭ বছর পর্যন্ত এবং ইপিজেড-এ অবস্থিত প্রতিষ্ঠানসমূহ ১০ বছর পর্যন্ত শুল্ক বেয়াত পায় ।
২। স্বল্প আমদানি শুল্ক ঃ শিল্প প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আমদানিকৃত Capital Machinary-এর ক্ষেত্রে আমদানি শুল্ক খুবই কম । উন্নত স্থানে অবস্থিত শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহের ক্ষেত্রে আমদানি শুল্ক নিম্নরূপ ।
শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহ ১০০% রপ্তানীমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠান : উন্নত এলাকার শুল্ক হার
অনুন্নত এলাকার শুল্ক হার 0% 0%
৭০% রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠান ৫.০০% 2.50%
৩ । আমদানিকৃত Capital Machinary-এর ক্ষেত্রে ভ্যাট প্রযোজ্য নয় ।
৪ । প্রবাসী বাংলাদেশিরাও বিদেশীদের মত সুযোগ সুবিধা পেয়ে থাকে । পাঁচ বছর পর্যন্ত তারা
NFCD (Non-Resident Foreign Currency Deposit) একাউন্টে টাকা রাখতে পারে ।
৫। কোন দ্রব্যের উপর নির্ধারিত আমদানি শুল্ক ঐ দ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামালের উপর
নির্ধারিত শুল্কের চেয়ে বেশি ।
৬। বিদেশি ঋণের সুদের উপর শুল্ক রেয়াত ।
৭ । রয়্যালটি, কারিগরি সহায়তা, কারিগরি জ্ঞানে দক্ষতা ইত্যাদির উপর শুল্ক মওকুফ।
৮ । দীর্ঘমেয়াদি ঋণের সুবিধা ।
৯ । ৩ বছর পর্যন্ত বিদেশী কারিগরদের আয় শুল্কমুক্ত ।
১০। বিদেশী নাগরিকদের মজুরির ৫০% বিদেশে প্রেরণের সুবিধা
১১ । শেয়ার স্থানান্তরের মাধ্যমে অর্জিত বাড়তি পুঁজির ক্ষেত্রে শুল্ক মওকুফ ।
১২। বিদেশীদের কার্য অনুমতি (ওয়ার্ক পারমিট) এর ক্ষেত্রে কোন বাধা-নিষেধ নেই । ১৩ । বিনিয়োগকৃত পুঁজি মুনাফাসহ দেশে ফেরৎ নেয়ার সুব্যবস্থা ।
১৪ । বিদেশী শেয়ারহোল্ডারদের দেশীয় মালিকদের কাছে শেয়ার হস্তান্তরের সুবিধা ।
১৫ । এক স্থানে সেবা ( One Stop Service) : বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সরকারি সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠান বোর্ড অব ইনভেস্টমেন্ট One stop service চালু করে। এ অফিস হতে বিনিয়োগকারীরা শিল্প প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধার অনুমোদন পাবে। আবেদনের ৩০ দিনের মধ্যে গ্যাস, টেলিফোন, বিদ্যুৎ, সরকারি অনুমোদন, ব্যাংক ঋণের অনুমোদন হয়ে যাবে । বিনিয়োগকারীদের আর বিভিন্ন দপ্তরে দৌড়াদৌড়ি করতে হবে না ।