বাংলাদেশে বৈদেশিক বিনিয়োগের সম্ভাবনা Prospects of Foreign Investment of Bangladesh
বাংলাদেশে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের জন্য সম্ভাবনাময় অসংখ্য খাত রয়েছে। নিম্নে সেগুলো উল্লেখ করা হলো ।
১। বাংলাদেশে বৈদেশিক বিনিয়োগকারীদের জন্য সম্ভাবনাময় সবচেয়ে উজ্জ্বলতম দিক হলো সস্তা শ্রমের সরবরাহ। বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে সহজলভ্য কম মূল্যে শ্রম পাওয়া যায়। আর সস্তা শ্রমিক প্রাপ্যতা উৎপাদন ব্যয় হ্রাস করে । ফলে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ বেশি লাভজনক হয় । ২। বাংলাদেশ অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে গণতন্ত্রের পথে যাত্রা করেছে। এতদিন এদেশে গণতন্ত্র নিষ্কণ্টক ছিল না । সামরিক প্রাধান্যে এখানে গণতন্ত্র বারবার বাধাগ্রস্থ হয়েছে । ভোট ডাকাতি, ভোট চুরি ও কারচুপি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে চরমভাবে ব্যাহত করেছে। কিন্তু বর্তমানে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকায় বিদেশী বিনিয়োগকারীদের সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে ।
৩ । এক বিংশ শতাব্দীর শুরুতেই বাংলাদেশ ফোন, ফ্যাক্স, ইন্টারনেট, ই-মেইল প্রভৃতি আধুনিকতম তথ্য বিনিময় ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে গ্লোবাল ভিলেজের সদস্য হয়েছে যা বিদেশী বিনিয়োগকারীদের জন্য অবারিত দ্বার উন্মোচন করে দিয়েছে। বিনিয়োগ সংক্রান্ত যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা অতি দ্রুত গতিতে এবং সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিনিয়োগ বোর্ড স্থাপন করা হয়েছে ।
৪ । বৈদেশিক বিনিয়োগে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টিতে সম্ভাবনাময় খাতসমূহ ঃ বিদ্যুৎ, তেল ও গ্যাস উত্তোলন, বন্দর উন্নয়ন, টেলিযোগাযোগ, শিল্প নগরী স্থাপন, সড়ক ও সেতু নির্মাণ, বস্ত্র শিল্প, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কৃষিভিত্তিক শিল্প, হিমায়িত খাদ্য, ইলেকট্রনিক শিল্প, কম্পিউার সফটওয়্যার উন্নয়ন এবং ডাটা এন্ট্রি ।
সম্প্রতি বিশ্ব ব্যাংকের “2020 Bangladesh - A logn Run Perspective Study” শীর্ষক একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রেক্ষিতে সমীক্ষা রিপোর্ট অনুযায়ী ২০২০ সাল নাগাদ কমপক্ষে ৮০০ কোটি মার্কিন ডলার প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ বাংলাদেশে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্ব ব্যাংকের এ রিপোর্টে বলা হয় বিদ্যমান সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে ২০২০ সাল নাগাদ দারিদ্র উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনা সম্ভব । গড় বার্ষিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৭% থেকে ৮% এ উন্নীত হবে। সার্বজনীন বয়স্ক শিক্ষা ও মৌলিক স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত হবে । কার্যকরভাবে পরিবেশ সংরক্ষিত হবে। ২৫ বছরে ৫ কোটি লোকের কর্মসংস্থান হবে ।
১। বাংলাদেশে বৈদেশিক বিনিয়োগকারীদের জন্য সম্ভাবনাময় সবচেয়ে উজ্জ্বলতম দিক হলো সস্তা শ্রমের সরবরাহ। বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে সহজলভ্য কম মূল্যে শ্রম পাওয়া যায়। আর সস্তা শ্রমিক প্রাপ্যতা উৎপাদন ব্যয় হ্রাস করে । ফলে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ বেশি লাভজনক হয় । ২। বাংলাদেশ অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে গণতন্ত্রের পথে যাত্রা করেছে। এতদিন এদেশে গণতন্ত্র নিষ্কণ্টক ছিল না । সামরিক প্রাধান্যে এখানে গণতন্ত্র বারবার বাধাগ্রস্থ হয়েছে । ভোট ডাকাতি, ভোট চুরি ও কারচুপি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে চরমভাবে ব্যাহত করেছে। কিন্তু বর্তমানে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকায় বিদেশী বিনিয়োগকারীদের সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে ।
৩ । এক বিংশ শতাব্দীর শুরুতেই বাংলাদেশ ফোন, ফ্যাক্স, ইন্টারনেট, ই-মেইল প্রভৃতি আধুনিকতম তথ্য বিনিময় ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে গ্লোবাল ভিলেজের সদস্য হয়েছে যা বিদেশী বিনিয়োগকারীদের জন্য অবারিত দ্বার উন্মোচন করে দিয়েছে। বিনিয়োগ সংক্রান্ত যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা অতি দ্রুত গতিতে এবং সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিনিয়োগ বোর্ড স্থাপন করা হয়েছে ।
৪ । বৈদেশিক বিনিয়োগে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টিতে সম্ভাবনাময় খাতসমূহ ঃ বিদ্যুৎ, তেল ও গ্যাস উত্তোলন, বন্দর উন্নয়ন, টেলিযোগাযোগ, শিল্প নগরী স্থাপন, সড়ক ও সেতু নির্মাণ, বস্ত্র শিল্প, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কৃষিভিত্তিক শিল্প, হিমায়িত খাদ্য, ইলেকট্রনিক শিল্প, কম্পিউার সফটওয়্যার উন্নয়ন এবং ডাটা এন্ট্রি ।
সম্প্রতি বিশ্ব ব্যাংকের “2020 Bangladesh - A logn Run Perspective Study” শীর্ষক একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রেক্ষিতে সমীক্ষা রিপোর্ট অনুযায়ী ২০২০ সাল নাগাদ কমপক্ষে ৮০০ কোটি মার্কিন ডলার প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ বাংলাদেশে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্ব ব্যাংকের এ রিপোর্টে বলা হয় বিদ্যমান সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে ২০২০ সাল নাগাদ দারিদ্র উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনা সম্ভব । গড় বার্ষিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৭% থেকে ৮% এ উন্নীত হবে। সার্বজনীন বয়স্ক শিক্ষা ও মৌলিক স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত হবে । কার্যকরভাবে পরিবেশ সংরক্ষিত হবে। ২৫ বছরে ৫ কোটি লোকের কর্মসংস্থান হবে ।