ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান Non-Banking Financial Institutions
ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান
Non-Banking Financial Institutions
ব্যাংকিং খাতের পাশাপাশি বেশ কিছু ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান (Non-bank financial institutions) দেশের শিল্প, বাণিজ্য, গৃহায়ণ. পরিবহন ও তথ্য প্রযুক্তি প্রভৃতি খাতে অর্থায়নের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান অব্যাহত রাখার পাশাপাশি পুঁজিবাজারেও বিনিয়োগ করে থাকে। ফেব্রুয়ারি, পর্যন্ত দেশে লাইসেন্স প্রাপ্ত ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা হচ্ছে ৩১টি। বর্তমান এসব প্রতিষ্ঠানের মোট ১৯৮টি শাখা ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য স্থানে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ডিসেম্বর ২০১৪ পর্যন্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিশোধিত মূলধন ও রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯,৫৮১.২৩ কোটি টাকা, যার মধ্যে পরিশোধিত মূলধন হচ্ছে ৫,৮৭৬.৬৭ কোটি টাকা। ডিসেম্বর ২০১৪ শেষে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মোট সম্পদ ও আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ৫২,০০৫.২৯ কোটি টাকা ও ২৪,৫৭০.৫৫ কোটি টাকা। ডিসেম্বর, ২০১৪ পর্যন্ত শেয়ার ও সিকিউরিটিজে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১,৬১৫.৮২ কোটি টাকা। ঋণ পরিস্থিতি পর্যালোচনার পাশাপাশি এর আদায় জোরদারকরণের মাধ্যমে ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী ও কার্যকর করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে তফসিলি ব্যাংক এর ন্যায় ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও ঋণ শ্রেণীকরণ এবং প্রভিশনিং এর নিয়ম চালু রয়েছে। ডিসেম্বর ২০১৪ পর্যন্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মোট ঋণ ও লীজের অঙ্ক দাঁড়িয়েছে ৩৭,১০০.২৪ কোটি টাকা, যার মধ্যে শ্রেণীকৃত ঋণ ও লীজের অঙ্ক ১,৯৭৪.৭৮ কোটি টাকা এবং শ্রেণীকৃত ঋণ ও লীজের হার মোট বকেয়ার ৫.৩০ শতাংশ।
সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবেলা ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে ব্যাংক এর ন্যায় ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রেও জানুয়ারি ২০১২ থেকে Basel II Accord বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। ২৮ ডিসেম্বর, ২০১১ তারিখে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য চূড়ান্ত গাইডলাইন Prudential Guidelines on Capital Adequacy and Market Discipline (CAMD) ইস্যু করা হয়েছে। এ গাইডলাইনে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের ঝুঁকি ভিত্তিক সম্পদ (Risk weighted assets) এর কমপক্ষে ১০ শতাংশ মূলধন সংরক্ষণ করার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে । এছাড়া, বিদ্যমান আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন, ১৯৯৩ সংশোধনের লক্ষ্যে 'আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন, ২০১১ প্রণয়নের কাজ চলছে ।
ব্যাংকিং খাতের পাশাপাশি বেশ কিছু ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান (Non-bank financial institutions) দেশের শিল্প, বাণিজ্য, গৃহায়ণ. পরিবহন ও তথ্য প্রযুক্তি প্রভৃতি খাতে অর্থায়নের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান অব্যাহত রাখার পাশাপাশি পুঁজিবাজারেও বিনিয়োগ করে থাকে। ফেব্রুয়ারি, পর্যন্ত দেশে লাইসেন্স প্রাপ্ত ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা হচ্ছে ৩১টি। বর্তমান এসব প্রতিষ্ঠানের মোট ১৯৮টি শাখা ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য স্থানে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ডিসেম্বর ২০১৪ পর্যন্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিশোধিত মূলধন ও রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯,৫৮১.২৩ কোটি টাকা, যার মধ্যে পরিশোধিত মূলধন হচ্ছে ৫,৮৭৬.৬৭ কোটি টাকা। ডিসেম্বর ২০১৪ শেষে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মোট সম্পদ ও আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ৫২,০০৫.২৯ কোটি টাকা ও ২৪,৫৭০.৫৫ কোটি টাকা। ডিসেম্বর, ২০১৪ পর্যন্ত শেয়ার ও সিকিউরিটিজে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১,৬১৫.৮২ কোটি টাকা। ঋণ পরিস্থিতি পর্যালোচনার পাশাপাশি এর আদায় জোরদারকরণের মাধ্যমে ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী ও কার্যকর করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে তফসিলি ব্যাংক এর ন্যায় ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও ঋণ শ্রেণীকরণ এবং প্রভিশনিং এর নিয়ম চালু রয়েছে। ডিসেম্বর ২০১৪ পর্যন্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মোট ঋণ ও লীজের অঙ্ক দাঁড়িয়েছে ৩৭,১০০.২৪ কোটি টাকা, যার মধ্যে শ্রেণীকৃত ঋণ ও লীজের অঙ্ক ১,৯৭৪.৭৮ কোটি টাকা এবং শ্রেণীকৃত ঋণ ও লীজের হার মোট বকেয়ার ৫.৩০ শতাংশ।
সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবেলা ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে ব্যাংক এর ন্যায় ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রেও জানুয়ারি ২০১২ থেকে Basel II Accord বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। ২৮ ডিসেম্বর, ২০১১ তারিখে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য চূড়ান্ত গাইডলাইন Prudential Guidelines on Capital Adequacy and Market Discipline (CAMD) ইস্যু করা হয়েছে। এ গাইডলাইনে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের ঝুঁকি ভিত্তিক সম্পদ (Risk weighted assets) এর কমপক্ষে ১০ শতাংশ মূলধন সংরক্ষণ করার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে । এছাড়া, বিদ্যমান আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন, ১৯৯৩ সংশোধনের লক্ষ্যে 'আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন, ২০১১ প্রণয়নের কাজ চলছে ।