সিগারেট শিল্প বাংলাদেশের

সিগারেট শিল্প

১৯৮৩ সালে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন পরিচালিত এক জরিপকর্ম অনুসারে দেশে ১,৩৩০টি বিড়ি প্রস্ত্ততকারী কুটিরশিল্প প্রতিষ্ঠান ছিল। এই শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলির মোট স্থায়ী বিনিয়োগ ছিল ১৫.৩০৩ মিলিয়ন টাকা এবং এগুলি ৫,০৭৫ জন শ্রমিকের চাকরির সংস্থান করেছিল, যার মধ্যে ৩,৩১৬ জন ছিল শ্রমিক পরিবারের সদস্য এবং ১,৬৯৯ জন ছিল ভাড়া করা লোক। এসব প্রতিষ্ঠানে ব্যবহূত কাঁচামালের মূল্য ৩৯.১৩৯ মিলিয়ন টাকা এবং কাঁচামালকে শিল্পে রূপান্তরের ব্যয় ৪৯.৪৮৩ মিলিয়ন টাকা।

বাংলাদেশের বিড়িশিল্পে রয়েছে এমন এক অনন্যতা যা স্থানীয় শিল্প-উদ্যোক্তাদের বুদ্ধিমত্তা, দূরদর্শিতা এবং বিনিয়োগে অকপটতার পরিচয় দেয়; এই শিল্পে নিয়োজিত লোকেরা ব্যবস্থাপক বা শ্রমিক হিসেবে শ্রমদানের অভ্যাস, নিয়মানুবর্তিতা ও দেশীয় দক্ষতার জন্য স্বীকৃতি পেতে পারে।

এই শিল্পে সাফল্যের উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত হলো ফকিরচাঁদ বিড়ি ফ্যাক্টরি, ভান্ডারি বিড়ি ফ্যাক্টরি, আবুল বিড়ি ফ্যাক্টরি এবং আকিজ বিড়ি ফ্যাক্টরি। উন্নতমানের বিড়ি তৈরিতে ব্যবহূত টেন্ডু পাতার আমদানি বন্ধের ফলে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে আজিজ বিড়ি ফ্যাক্টরির মালিক শেখ আজিজের স্বকীয় প্রচেষ্টা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। কাগজে মোড়া বিড়ি চালু হওয়ার কারণে বিড়িশিল্পে যে পরিবর্তন ঘটেছে সে আলোকে তিনি স্থানীয় যুবকদের প্রশিক্ষণ দেন। আজিজ গ্রুপ ও শেখ আজিজের আদর্শ অনুসরণে আরও অনেকে তাদের বিড়ি শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলিকে সিগারেট উৎপাদনকারী কারখানায় রূপান্তর করে।

বিস্তারিত