মেগাস্থিনিসঃ

মেগাস্থিনিসঃ

আলেকজান্ডারের সেনাপতি সেলুকাস খ্রিস্টপূর্ব ৩০২ অব্দে মেগাস্থিনিস নামক একজন গ্রিক দুতকে চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের রাজসভায় প্রেরণ করেন। মেগাস্থিনিসের বিবরণই প্রাচীন ভারতের অন্যতম প্রামাণ্য দলিল হিসেবে স্বীকৃত। তিনি তার’ ইন্ডিকা’ গ্রন্থে ভাতবর্ষের তৎকালীন পরিক্ষিতির বিবরণ দেন।

 


আর্যপূর্ব যুগে বাংলা

বঙ্গদেশে জনবসতির প্রাথমিক তথ্য পাওয়া যায় না। তবে প্রত্ন-প্রস্তর যুগ, নব্য প্রস্তর যুগ এবং তাম্র যুগের কিছু অস্ত্রশস্ত্র এখানে পাওয়া গিয়েছে। পন্ডিতেরা অনুমান করেন যে, খ্রিষ্টের জন্মের প্রায় দেড় হাজার বছর আগে এখানে এক সুসভ্য জাতির বাস ছিল। এরা ধান চাষ করত, সম্বর ও নীলগাই শিকার করত এবং শূকর পালন করত। এরা পাথর ও তামা ব্যবহার করত এবং ইট-পাথরের ভিতের উপর প্রশস্ত ঘর তৈরি করত। প্রাচীন পুন্ড্র ও বঙ্গ জাতি আর্যপূর্ব যুগের মানুষ ছিল বলে ধারনা করা হয়। আর্য-পূর্ব যুগে বাংলার অধিবাসীরা সভ্যতায় যথেষ্ট উন্নত ছিল। বাংলায় কৃষিকাজ, নৌকা নির্মাণ, বয়নশিল্প, ধাতুশিল্প প্রভৃতি আর্যপূর্ব যুগের লোকেরাই প্রচলন করে কুমার, কামার, সূত্রধর, তাম্রকার, স্বর্ণকার, মণিকার, কাঁসারী, শাখারী ইত্যাদি পেশাদারদের কারিগরী কাজে এরা সুদক্ষ ছিল।