ওশেনিয়া মহাদেশ
ওশেনিয়া মহাদেশ
সাধারণ আলোচনা: আয়তন এবং জনসংখ্যায় ওশেনিয়া মহাদেশ ৭টি মহাদেশের মধ্যে সবচেয়ে ছোট মহাদেশ। এই মহাদেশের আয়তন ৮,৫২৫,৯৮৯ বর্গ কিলোমিটার। বর্তমান জনসংখ্যা ৩ কোটি ৬৬ লক্ষ ৬০ হাজার।
ওশেনিয়া মহাদেশ ৫টি অঞ্চলে বিভস্ত, যথা- অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, পলিনেশিয়া, মাইক্রোনেশিয়া এবং মেলোনেশিয়া অঞ্চল। এর মধ্যে অঞ্চল এবং দেশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়া ওশেনিয়া মহাদেশের সবচেয়ে বড়। এই মহাদেশকে অনেক সময় অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ বা অস্ট্রেলিয়ান ইকোজোনও বলা হয়ে থাকে। এই মহাদেশের দেশের সংখ্যা ১৪টি এবং প্রতিটি দেশই স্বাধীন এবং জাতিসংঘভুক্ত।
ওশেনিয়া শব্দটি প্রথম ব্যবহৃত হয় ১৮১২ সালে ভূগোলবিদ কনরাড মাল্টে ব্রুন এর মাধ্যমে। Oceanie শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ ocean থেকে।
প্রশান্ত মহাসাগরের গ্রীষ্মমন্ডলীয় দ্বীপসমুহ নিয়ে এই মহাদেশ গঠিত। এই মহাদেশকে কোরাল বা প্রবাল মহাদেশও বলা হয়ে থাকে। কারণ বৃহত্তম সব প্রবাল প্রাচীর দিয়ে এই মহাদেশ পরিবেবেষ্টিত। এর পশ্চিমে সুমাত্রা দ্বীপপুঞ্জ, উত্তর-পশ্চিমে বেনিন দ্বীপপুঞ্জ, উত্তর-দক্ষিণে হাওয়াইয়ান দ্বীপপুঞ্জ এবং পূর্বে রয়েছে রাপা নুই এবং সালা গোমেজ দ্বীপপুঞ্চ। এর দক্ষিণে ম্যাকুইয়ারি দ্বীপ অবস্থিত যা তাইওয়ান পর্যন্ত বিস্তৃত।
অবস্থানগত পরিচিতি
|
অঞ্চল |
দেশের সংখ্যা |
দেশ সমুহ |
|
অস্ট্রেলিয়া |
১টি |
অস্ট্রেলিয়া |
|
নিউজিল্যান্ড |
১টি |
নিউজিল্যান্ড |
|
পলিনেশিয়া |
৩টি |
১. সামোয়া ২. টোঙ্গা ৩. টুভ্যালূ |
|
মাইক্রোনেশিয়া |
৫টি |
১. মাইক্রোনেশিয়া ২. কিরিবাতি. ৩. নাউরু ৪. মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ ৫. পালাউ |
|
মেলোনেশিয়া |
৪টি |
১. পাপুয়া নিউগিনি ২. সলোমান দ্বীপপুঞ্জ ৩. ভানুয়াতু ৪. ফিজি |