মেসোপটেমিয়া সভ্যতা

মেসোপটেমিয়া সভ্যতা

গ্রিক ভাষার মেসোপটেমিয়া শব্দের অর্থ দু’নদীর মধ্যবর্তী। খ্রিস্টপূর্ব ৫,০০০ অব্দে টাইগ্রীস ও ইউফ্রেটিস নদীর উর্বর অঞ্চলে এক উন্নত সভ্যতার বিকাশ ঘটে। একই ভূখন্ডে গড়ে ওঠা অনেকগুলো সভ্যতাকে একত্রিতভাবে মেসোপটেমীয় সভ্যতা নামে অভিহিত করা হয়। এটি সেচনির্ভর প্রাচীন সভ্যতা। এ অঞ্চলে গড়ে ওঠা সভ্যতাগুলো হলো- সুমেরীয় সভ্যতা, ব্যাবিলনীয় সভ্যতা, আসিরীয় সভ্যতা, ক্যালডীয় সভ্যতা।


মিসরীয় সভ্যতা

খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ অব্দে আগে নীল নদের তীরে মিশরীয় সভ্যতার গোড়াপত্তন ঘটে। মিশরীয় সভ্যতার সবচেয়ে বড় অবদান হলো পিরামিড তৈরি। পিরামিডের ভেতর মৃত রাজাদের দেহকে মমি করে রাখা হয়। পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় পিরামিড মিশরের রাজা প্রথম ফারাও বা রাজা খুফুর আমলে  তৈরি করা হয়। এ পিরামিডে রাজা খুফুর সমাধি অবস্থিত।

এছাড়া মিশরীয় ভাস্করগণ বহুখন্ড পাথর জুড়ে স্ফিংস তৈরি করেন যার দেহ সিংহের আকৃতির, তবে মাথা মানুষের বা ফারাওদের আকৃতির।  এ সময় মিশরীয়রা ছবি ও সংকেতের সাহায্যে হায়ারোগ্লিফিকস লিপির প্রচলন করেন। গাছের সাদা বাকল থেকে তারা প্যাপিরাস নামক কাগজও তৈরি করেন। এছাড়া মিশরীয়রা পাল তোলা বড় নৌকা; ১২ মাসে বছর, ৩০ দিনে মাস, ৩৬৫ দিনে সাল গণনা, মৃৎপাত্র তৈরির যন্ত্র, ঢাল, তলোয়ার, তীর, ধনুক প্রভৃতি প্রচলন করেন।

ফারাও চতুর্থ আমেনহোটেপ বহু দেবতার রিবর্তে সূর্যের আরাধনা প্রথা চালু করেন  তার পুত্র ফারাও রাজা তুতেনখামেন সমাধি আবিষ্কৃত হয় ১৯২২ সালে।