বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান সম্পর্কে একটি বিবরণ দিন।

বাংলাদেশের ঐতিহাসিক পটভূমি
বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় অবস্থিত উষ্ণ-আর্দ্র নদী মার্তৃক ব-দ্বীপ বিশিষ্ট একটি সমভূমি। ১৯৭১ সালে ১৬ই
ডিসেম্বর তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে দীর্ঘ নয় মাসের একটি রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের মর্যাদা লাভ করে। স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম মাত্র ৪২ বছর
পূর্বে হলেও, প্রায় পাঁচ হাজার বছর ব্যাপী এদেশে স্থায়ী জনপদ গড়ে উঠেছে। বৈদিক যুগের শেষ ভাগের
সাহিত্য কর্মে প্রথম বাংলা জনপদের উল্লেখ পাওয়া যায়।
ভূতাত্তি¡ক ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, বাংলাদেশের উপরিভাগের দৃশ্যমান ভূ-উপাদানের বয়স কয়েক
কোটি বছর। তবে এদেশের দক্ষিনাংশের বিস্তীর্ণ নি¤œ সমতল ভূমির গঠন প্রক্রিয়া শুরু হয় মাত্র ২০-২৫ হাজার
বছর আগে। বর্তমানে স্বাধীন বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ২০০
৩র্৪ উত্তর ২৬০
৩র্৮ উত্তর অক্ষাংশ এবং
৮৮০
০র্১ পূর্ব থেকে ৯২০
৪র্১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত। কর্কট ক্রান্তি রেখা (২৩ ১
/২
০ উত্তর অক্ষাংশ)
বাংলাদেশের প্রায় মাঝ বরাবর অবস্থানে আছে। বাংলাদেশ ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ুর দেশ। নদী মার্তৃক এই
দেশের বুকে জালের মত বিস্তৃত রয়েছে অসংখ্য নদ-নদী, খাল-বিল ও ছোট বড় নানা ধরণের জলাশয়। এই
সকল নদী-নদী ও নানান জলাশয় এদেশের মানুষের আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
প্রভাব রেখেছে। গঙ্গা-পদ্মা, ব্র²পুত্র-যমুনা, সুরমা-মেঘনা নদী ব্যবস্থা হাজার বছর ধরে বিপুল পরিমান পলি বয়ে
নিয়ে বঙ্গখাতে অবক্ষেপন করে গড়ে তুলেছে পলল সমৃদ্ধ ব-দ্বীপ সমভূমি বাংলাদেশ। মৌসুমী জলবায়ু, প্রচুর
বৃষ্টিপাত ও অসংখ্য নদ-নদীর উপস্থিতি বাংলাদেশকে প্রাকৃতিক, আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে দিয়েছে অনন্য স্বকীয়তা। বাংলাদেশের ভূ-রাজনৈতিক অভ্যুদয়ের কালক্রমিক ইতিহাস ( বাংলাদেশের ভূ-রাজনৈতিক অভ্যুদয়ের ক্রমবিকাশের ইতিহাস পুরোনো বৈদিক সাহিত্য, রামায়ণ ও মহাভারত
ও বৌদ্ধ যুগে বঙ্গদেশ অথবা বাংলাদেশ সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্যাদি থেকে জানা যায়। এই সব তথ্যের ভিত্তিতে
বাংলাদেশের ভূ-রাজনৈতিক অভ্যূদয়ের ক্রমবিকাশের একটি চিত্র পরবর্তী অনুচ্ছেদে তুলে ধরা হলো।
প্রাচীন যুগ ঃ
বৈদিক যুগের শেষভাগে ‘বঙ্গ’ নামে বর্তমান বাংলাদেশের কিয়দংশের উল্লেখ পাওয়া যায়। এই ‘বঙ্গ’ শব্দটি নি¤œ
গাঙ্গেঁয় উপত্যকার একটি নির্দিষ্ট ভূ-খন্ডকে বুঝাতো। প্রাচীন এই বঙ্গ দেশের নিজস্ব ভৌগোলিক সীমানা ও জাতি
সত্ত¡া ছিল। এই অঞ্চলটি পুন্ড্র, বরেন্দ্র, গৌড়, হরিকেল, সমতট ও বঙ্গাল নামক বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য জনপদ
বেষ্টিত ছিল। প্রাচীন বঙ্গদেশ বা বাংলার সীমানা উত্তরে হিমালয় হতে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পূর্বে-গারো,
লুসাই পর্বত হতে পশ্চিমে ছোট নাগপুরের মালভূমি পর্যন্ত প্রসারিত ছিল বলে পন্ডিতগণ ধারণা করেন।
খৃষ্টপূর্ব ৩২১ সালে বঙ্গ বা বাঙ্গালা নামে বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলকে একত্রে উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে খৃষ্টপূর্ব
৬৮ সালে টলেমী (চঃড়ষবসু) তাঁর অঙ্কিত মানচিত্রে গঙ্গারিডই বা গঙ্গারিডাই নামে গাঙ্গেয় ব-দ্বীপ অঞ্চলে এক
শক্তিশালী জাতির আবাসস্থল হিসেবে বাংলা অঞ্চলের উল্লেখ করেন। তবে ঐ মানচিত্র বঙ্গদেশের কোন নির্দিষ্ট ভৌগলিক সীমানা চিহ্নিত করা হয়নি ঝ,১৯৯১)।
মৌর্য যুগ ঃ
পন্ডিতদের মতে. মৌর্য যুগে (৩২১-১৮১ খৃষ্টপূর্ব) গঙ্গারিডই ও প্রাসই নামক দুটি শক্তিশালী জাতি বাংলা অঞ্চলে
বসবাস করতো। তবে গুপ্ত বংশের (৩২০-৪৬৭ খৃষ্টাব্দ) উত্থানের পূর্ব পর্যন্ত বাংলার ধারাবাহিক ইতিহাস
স্পষ্টভাবে জানা যায় নি।
গুপ্ত যুগ( ৫০০ থেকে ৭০০ খৃষ্টাব্দ) ঃ
গুপ্ত যুগের ৫০০ থেকে ৭০০ খৃষ্টাব্দ সময়কালে রাজা শশাঙ্ক দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলায় (বর্তমান উড়িষ্যা)এবং বর্মন
রাজন্য বর্গ উত্তর পূর্ব বঙ্গে একটি পৃথক স্বাধীন ভূখন্ড স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এই সময়কালে
বাংলায় বৌদ্ধ ধর্ম ব্যাপক প্রসার লাভ করায় ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উত্থান ঘটে।
পাল রাজত্ব (৭০০-৯২৫ খৃষ্টাব্দ) ঃ
খৃষ্টাব্দ ৭০০ থেকে ৯২৫ সময়কালে পাল বংশ বাংলা ভূখন্ড শাষণ করে। পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা রাজা গোপালএর শাষণামলে (৭৫০-৭৭০ খৃষ্টাব্দ) বাংলায় বৌদ্ধ ধর্ম প্রাধান্য লাভ করে। পাল বংশ সুদীর্ঘ ৪০০ বছর বাংলা
শাষণ করে। ‘মাৎস্য ন্যয়’ অবস্থা ও গোপালের নির্বাচন প্রক্রিয়া এক উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক অবস্থা।
সেন রাজত্ব (৯২৬-১২০৪ খৃষ্টাব্দ) ঃ
বাংলায় সেন রাজবংশ রাজত্ব করে ৯২৬ থেকে ১২০৪ খৃষ্টাব্দ সময়কালে। এ সময়ে সমগ্র বাংলা তাদের
শাষণাধীন হলেও বর্ণ বিরোধ চরম হয়ে উঠে। সেনদের রাজত্বকালে নিপীড়িত বৌদ্ধ এবং নিচু বর্ণের হিন্দু
ধর্মাবলম্বীরা ক্রমশ: আরব ও পারস্য থেকে আগত মুসলিম ব্যবসায়ী ও ধর্মপ্রচারকদের অনুপ্রেরণায় ইসলাম ধর্ম
গ্রহণ করে। অনেক বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী দেশ ত্যাগ করে শ্রীলঙ্কা ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় বর্হিগমন করে।
মুসলমানদের বঙ্গ বিজয় (১২০৪-১২৪৫) ঃ
সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে ইখতিয়ারউদ্দিন মোহাম্মদ বখতিয়ার খলজি ১২০৪ সালে
উত্তর-পশ্চিম বাংলায় প্রথম মুসলিম শাষণ প্রতিষ্ঠা করেন (১২০৪-১২৪৫ খৃষ্টাব্দ)। ১৪৩৬ খৃষ্টাব্দ থেকে ১৪৮৭
খৃষ্টাব্দ পর্যন্ত ইলিয়াস শাহী রাজবংশের শাসনামলে বাংলার ভূ-রাজনৈতিকভাবে একটি সুষ্পষ্ট পরিচিতি লাভ
(আহমেদ, ১৯৭৫)। এই সময়কালে বাংলার সীমানা ছিল উত্তরে নেপালের সীমানা থেকে উত্তর উড়িষ্যা হয়ে
দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত। অন্যদিকে পশ্চিমে বিহার থেকে পূর্ব আসাম পর্যন্ত।
মোঘল রাজত্ব (১৫৭৬-১৭০৭ খৃষ্টাব্দ) ঃ
এই সময়কালে সংস্কৃতির কেন্দ্র হিসেবে বেশ কয়েকটি নগর-জনপদ গড়ে উঠে। পাটনা, মুঙ্গের, পান্ডুয়া,
মুর্শিদাবাদ, সোনারগাঁও, সিলেট, বাগেরহাট, চাটিগাঁও (চট্টগ্রাম) ও সন্দীপ এই জনপদ গুলোর অন্যতম।
বৃটিশ শাষণামলে বাংলা (১৭৬০ থেকে ১৮২০ খৃষ্টাব্দ) ঃ
বাংলা ভূখন্ড বৃটিশ শাষণামলে ‘বেঙ্গল প্রেসিডেন্সী’ নামে পরিচিত ছিল। এ সময়ে বাংলা, বিহার, উত্তর-পূর্ব
উড়িষ্যার কিয়দংশ, আসাম ও আরাকানের কিয়দংশ নিয়ে ‘বেঙ্গল প্রেসিডেন্সী’ গঠিত হয়েছিল।
বঙ্গভঙ্গ (১৯০৫-১৯১১) ঃ
প্রশাসনিক কার্যার্থে বৃটিশ শাসকেরা বাংলাকে দু’টি প্রশাসনিক ভাগে বিভক্ত করেন। তদানুযায়ী বাংলাদেশের
ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিভাগ এবং আসাম নিয়ে নব গঠিত পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের রাজধানী হয় ঢাকা।
অন্যদিকে, পশ্চিম বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে নবগঠিত প্রদেশ পশ্চিম বাংলার রাজধানী হয় কলকাতা। তবে
কলকাতার হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরোধীতার ফলে ১৯১২ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ হয়ে যায়। বঙ্গভঙ্গ প্রকৃতপক্ষে
পরবর্তীতে গঠিত ‘ ইষ্ট বেঙ্গল’ বা তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তান এবং কালক্রমে স্বাধীন বাংলাদেশে গঠনের সূত্রপাত
হিসেবে কাজ করে।
পাকিস্তান শাষণাধীন পূর্ব পাকিস্তান (১৯৪৭-১৯৭১) ঃ
১৯৪৭ সালে সংখ্যাগরিষ্ট মুসলমান অধ্যুষিত এলাকাসমূহ নিয়ে গঠিত হয় পাকিস্তান রাষ্ট্র। পূর্ব বাংলা পশ্চিম
পাঞ্জাব, সিন্ধু, বেলুচিস্তান এবং উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ নিয়ে পাকিস্তান গঠিত হয়। ১৯৫৬ সালে
পাকিস্তানের প্রথম সংবিধানে ‘পূর্ব বাংলা’-এর পরিবর্তে ‘পূর্ব-পাকিস্তান’ নাম প্রচলন করা হয়। এ সময়কালে
পূর্ব বাংলায় ‘উর্দু’-কে রাষ্ট্রীয় ভাষা প্রচলনের চেষ্টা করা হয়। অপরদিকে সমগ্র পাকিস্তানের বৈদেশিক বাণিজ্যে
পূর্ব বাংলার অবদান অধিক সত্তে¡ও এ অঞ্চলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন তেমন ঘটেনি। প্রশাসনিক ও সামাজিক
ক্ষেত্রেও পশ্চিম ও পূর্ব অংশের মধ্যে বৈষ্যম্যের ব্যাপকতা লক্ষ্য করা যায়। এ সময় পূর্ব বাংলায় রাজনৈতিক
অসন্তোষ এবং প্রশাসনিক বৈষম্য রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ নেয়।
স্বায়ত্বশাসন আন্দোলন ঃ
স্বাধীন বাংলাদেশের সংগ্রাম (১৯৪৮-১৯৭১) ঃ
১৯৪৮ সালে রাষ্ট্রভাষা ‘উর্দু’ ঘোষণার প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তান সর্ব
প্রথম আন্দোলন শুরু করে। পরবর্তীতে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, আরও অনেক বৈষম্য ও নির্যাতনের
শিকার হয় পূর্ব পাকিস্তান বাসী।
অনেক আন্দোলন ও প্রচেষ্টা সত্তে¡ও পশ্চিম পাকিস্তানী শাষক গোষ্ঠীর পক্ষপাতমূলক ও অত্যাচারী আচরণ বন্ধ না
হওয়ায় প্রতিবাদ স্বরূপ ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান
এক বিশাল জনসভায় জনগণকে স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহবান জানান। পূর্ব পাকিস্তান বাসী
১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চ ব্যাপকভাবে গণহত্যার শিকার হয় এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার
করা হয়। এই দিন মধ্যরাতেই পশ্চিম পাকিস্তানের সেনাবাহিনী পূর্ব পাকিস্তানের জনসাধারণ, বুদ্ধিজীবি ও পুলিশ
বাহিনীকে নির্বিচারে হত্যা করে। এ সময়ে ২৬ শে মার্চ মধ্য রাতে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষণা পত্র চট্টগ্রাম
আওয়ামী লিগ নেতৃবৃন্দকে প্রচার করার লক্ষ্যে প্রেরণ করেন, যা কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচার হতে
থাকে। ইতিমধ্যে, পরদিন অর্থাৎ ২৭ শে মার্চ মেজর জিয়াউর রহমান শেষ মুজিবর রহমান-এর পক্ষ থেকে
চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশকে স্বাধীন ঘোষণা করেন (বেলাল মোহাম্মদ, ২০০৬)।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে শুরু হয় শত্রæর বিরুদ্ধে নয় মাস ব্যাপী মুক্তিযুদ্ধ। আনুমানিক ত্রিশ
লক্ষ প্রাণের বিনিময় ১৯৭১ সালে ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে পৃথিবীর মানচিত্রে স্থান পায়,
পরিপূর্নতা লাভ করে বাংলাদেশের ভূ-রাজনৈতিক অভ্যূদয়ের ক্রম বিকাশ।
বাংলাদেশের ভৌগোলিক পরিচয় : অবস্থান, আয়তন, সীমারেখা, ও প্রশাসনিক গঠন
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান (
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান আলোচনা করতে হলে, প্রথমে এদেশের প্রকৃত অবস্থানের ( প্রসঙ্গ উল্লেখ প্রয়োজন। বাংলাদেশ ২০০
৩র্৪ উত্তর থেকে ২৬০
৩র্৮ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮০
০র্১ পূর্ব
থেকে ৯২০
৪র্১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত। বাংলাদেশের পারিপার্শ্বিক অবস্থান হলো এদেশের তিন দিকে ভারত
রাষ্ট্র,উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলা, কুচবিহার ও মেঘালয় রাজ্য, পূর্বে ভারতের আসাম ও
ত্রিপুরা রাজ্য এবং মায়ানমার-এর অংশ বিশেষ পশ্চিমে ভারতের পশ্চিম বঙ্গ এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত
(মানচিত্র ১.১)।
বাংলাদেশের আয়তন ও সীমারেখা ঃ
বাংলাদেশের মোট আয়তন প্রায় ১৪৭৫৭০ বর্গ কিলোমিটার অথবা ৫৬৯৭৭ বর্গ মাইল এবং দেশের সীমারেখার
দৈর্ঘ্য ৪৬৮৫ কি. মি. (২৯২৮ মাইল) এবং জলসীমা ১২ ন্যটিকাল মাইল। বাংলাদেশের মোট আয়তনের মধ্যে
২২,১৫৫ বর্গ কিলোমিটার এলাকা নদ-নদী বিশিষ্ট এবং ১৬,৫৪২ কিলোমিটির জুড়ে বনভূমির অবস্থান (ইইঝ,
২০০৮) (সারণী ১.১)।
সারনী ১.১ : বাংলাদেশের প্রতিবেশী রাষ্ট্রসমূহের সাথে স্থল ও সমুদ্র সীমানার দৈর্ঘ্য ঃ
সীমারেখার ধরণ দৈর্ঘ্য কি. মি./মাইল
মায়ানমারের সাথে সামুদ্রিক সীমানা ৪৪৫ কি.মি /২৬৭ মাইল
ভারতের সাথে স্থল সীমারেখা ২,৩০৬ কি.মি./ ১৩৮৩ মাইল
উৎস্য: হারুন অর রশিদ, ১৯৯১
* বাংলাদেশকে বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানের ২০০
নটিক্যাল মাইল সহ ১.১১ লক্ষ বর্গ মাইল এলাকার অধিকার অনুমোদন করে। এই এলাকা বাংলাদেশের স্থল আয়তনের প্রায় দ্বিগুন
(খুরশীদ আলম, ২০১২)।
বাংলাদেশের প্রশাসনিক গঠন
বাংলাদেশে বর্তমানে ৭টি প্রশাসনিক বিভাগ রয়েছে। যেমন- ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, রংপুর
ও সিলেট বিভাগ। এই ৭টি বিভাগে মোট ৬৪টি জেলা রয়েছে।
সারণী ১.২: বাংলাদেশের বিভাগ অনুযায়ী জেলার সংখ্যা
বিভাগ-এর নাম জেলার সংখ্যা
ঢাকা ১৭ টি
রাজশাহী ৮ টি
চট্টগ্রাম ১১ টি
খুলনা ১০ টি
বরিশাল ৬ টি
সিলেট ৪ টি
রংপুর ৮ টি
মোট জেলার সংখ্যা ৬৪ টি
উৎস্য : ইইঝ, ২০১১
এছাড়া এদেশে মোট ৫০৯ টি থানা বা উপজেলা, ৪৪৬৬ টি ইউনিয়ন পরিষদ, ৫৯২২৯ টি মৌজা, ৮৫,৬৫০ টি
গ্রাম, ১১টি সিটি কর্পোরেশন (গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন সহ) এবং ১২০টি পৌরসভা রয়েছে। ১৯৮৪ সালে
পূর্ব পর্যন্ত সমস্ত বাংলাদেশে সর্ববৃহৎ প্রশাসনিক একক হিসেবে মোট ২০টি জেলা ছিল। এর পরবর্তী ক্ষুদ্রতর
প্রশাসনিক একক ছিল থানা। ১৯৮৪ সালে এদেশের বৃহত্তম জেলাগুলো ভেঙ্গে সর্বমোট ৬৪টি জেলায় উন্নীত
করা হয় এবং ১৯৮৫ সালের মাঝামাঝি পূর্বের থানাসমূহ ও সেই সাথে বেশ কিছু সংখ্যক নতুন থানাসহ মোট
৪৯৫টি উপজেলা করা হয়। এছাড়া মোট ৮৫,৬৫০টি গ্রাম ও ৬০,৩২৫ টি মৌজা বিদ্যমান আছে। ক্ষুদ্রতম
প্রশাসনিক একক হিসেবে ২০০৯ সালে মোট ৪,৪৯৮ টি ইউনিয়ন বিদ্যমান ছিল। বর্তমানে, বাংলাদেশের
ক্ষুদ্রতম প্রশাসনিক একক হলো উপজেলা এবং বৃহত্তম একক হলো জেলা। (ইইঝ, ২০১০)
বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলী
রাজনৈতিক তথ্যাবলী ঃ
বর্তমানে বাংলাদেশের রাষ্ট্র ব্যবস্থা সংসদীয় পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়। ১৯৯১ সালে সরকারি ও বিরোধী দলের
ঐক্যমতে ১৯৭৫ সালে কায়েম হওয়া রাষ্ট্রপতি পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা পরিবর্তন করে পুনরায় সংসদীয় পদ্ধতির
প্রবর্তন করা হয়। দেশের বর্তমান প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৮ সাল থেকে ক্ষমতাসীন রয়েছেন। সারণী ১.৩
ও ১.৪-এ বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধান মন্ত্রী গণের নামের ও দায়িত্বকাল-এর তালিকা দেয়া হলো।
সারণী ১.৩ : বাংলাদেশের প্রেসিডেন্টগণ এর নাম ও দায়িত্বকাল
বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট গণ দায়িত্বকাল
সৈয়দ নজরুল ইসলাম (ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি) ১০ এপ্রিল ১৯৭১ থেকে ১০ জানুয়ারি ১৯৭২
শেখ মুজিবুর রহমান ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ থেকে ১২ জানুয়ারি ১৯৭২
বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ১২ জানুয়ারি ১৯৭২ থেকে ২৪ ডিসেম্বর ১৯৭৩
মোহাম্মদউল্লাহ ২৩ ডিসেম্বর ১৯৭৩ থেকে ২৫ জানুয়ারি ১৯৭৫
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২৫ জানুয়ারি ১৯৭৫ থেকে ১৫ আগষ্ট ১৯৭৫
খন্দকার মোশতাক আহমদ ১৫ আগষ্ট ১৯৭৫ থেকে ৫ নভেম্বর ১৯৭৫
বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম ৬ নভেম্বর ১৯৭৫ থেকে ২১ এপ্রিল ১৯৭৭
লে. জেনারেল জিয়াউর রহমান ২১ এপ্রিল ১৯৭৭ থেকে ৩০ মৈ ১৯৮১
বিচারপতি আবদুস সাত্তার (ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি) ৩০ মৈ ১৯৮১ থেকে ২০ নভেম্বর ১৯৮১
বিচারপতি আবদুস সাত্তার ২০ নভেম্বর ১৯৮১ থেকে ২৪ মার্চ ১৯৮২
বিচারপতি এ.এফ.এম. আহসান উদ্দিন চৌধুরী ২৭ মার্চ ১৯৮২ থেকে ১০ ডিসেম্বর ১৯৮৩
লে. জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ১১ ডিসেম্বর ১৯৮৩ থেকে ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০
বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমদ (ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি) ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ থেকে ৯ অক্টোবর ১৯৯১
আব্দুর রহমান বিশ্বাস ৮ অক্টোবর ১৯৯১ থেকে ৮ অক্টোবর ১৯৯৬
বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমদ ৯ অক্টোবর ১৯৯৬ থেকে ১৪ নভেম্বর ২০০১
প্রফেসর এ.কিউ.এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী ১৪ নভেম্বর ২০০১ থেকে ২১ জুন ২০০২
ব্যারিষ্টার জমিরউদ্দিন সরকার (ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি) ২২ জুন ২০০২ থেকে ৫ সেপ্টেম্বর ২০০২
প্রফেসর ইয়াজউদ্দিন আহমেদ ৬ সেপ্টেম্বর ২০০২ থেকে ১২ সেপ্টেম্বর ২০০৯
জিল্লুর রহমান ১২ ফেব্রæয়ারী ২০০৯ থেকে ২০ মার্চ ২০১৩
মো.আব্দুল হামিদ ১৪ মার্চ ২০১৩ থেকে ২৪ এপ্রিল ২০১৩
মো.আব্দুল হামিদ ২৪ এপ্রিল ২০১৩ থেকে অদ্যাবধি
উৎস্য: বাংলাপিডিয়া
সারণী ১.৪: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও উপদেষ্টা গণের নাম ও দায়িত্বকাল
ক্রমিক নং প্রধানমন্ত্রী ও উপদেষ্টা গণের নাম দায়িত্বকাল
১ বেগম খালেদা জিয়া ২০ মার্চ, ১৯৯১-৩০ মার্চ, ১৯৯৬
২ মো.হাবিবুর রহমান (প্রধান উপদেষ্টা) ৩০ মার্চ, ১৯৯৬-২৩ জুন, ১৯৯৬
৩ শেখ হাসিনা ২৩ জুন, ১৯৯৬-১৬ জুলাই, ২০০১
৪ লতিফুর রহমান (প্রধান উপদেষ্টা) ১৫ জুলাই, ২০০১-১০ অক্টোবর, ২০০১
৫ বেগম খালেদা জিয়া ১০ অক্টোবর, ২০০১-২৯ অক্টোবর, ২০০৬
৬ ইয়াজউদ্দীন আহমদ (প্রেসিডেন্ট ও প্রধান উপদেষ্টা) ২৯ অক্টোবর, ২০০৬-১১ জানুয়ারী, ২০০৭
৭ ফজলুল হক ( ভারপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টা) ১১ জানুয়ারী, ২০০৭-১২ জানুয়ারী, ২০০৭
৮ ফকরুদ্দীন আহমেদ ১২ জানুয়ারী, ২০০৭-৬ জানুয়ারী, ২০০৯
৯ শেখ হাসিনা ৬ জুন, ২০০৮ থেকে বর্তমান পর্যন্তক্ষমতাসীন
উৎস্য: বাংলাপিডিয়া
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ (১৯৭১) ঃ
পশ্চিম পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান এর আদেশে ২৫ শে মার্চ মধ্যরাতে সেনাবাহিনী পূর্ব পাকিস্তানের
সাধারণ জনগণ, বুদ্ধিজীবি ও পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের ব্যাপক হারে হত্যা করে। ঐ দিন শেখ মুজিবুর
রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। ২৬ শে মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে শুরু হয় শত্রæর বিরুদ্ধে বাংলাদেশের
মানুষের দীর্ঘ যুদ্ধ। ১৭ই এপ্রিল, ১৯৭১ সালে মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায় (মুজিবনগর) বঙ্গবন্ধু শেখ
মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি মনোনীত করে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়। দেশকে
শত্রæমুক্ত করতে বাঙালী পুলিশ, ই.পি.আই (বি.জি.বি), সিপাহী, আনসার সদস্য, ছাত্র, শ্রমিক, কৃষকসহ
সর্বস্তরের মানুষের সমন্বয়ে গঠিত হয় মুক্তিবাহিনী। মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন
তৎকালীন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওসমানী। সমগ্র বাংলাদেশকে মোট ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে যুদ্ধ
পরিচালিত হয় (সারণী ১.৫ ও মানচিত্র ১.১)।
সারণী ১.৫ ঃ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সমূহ ও সেক্টর কমান্ডারগণের নাম
সেক্টর নং অঞ্চল (এলাকা) সেক্টর কমান্ডারগণের নাম ও দায়িত্বকাল
১ চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম মেজর জিয়াউর রহমান (১০ এপ্রিল, ১৯৭১ - ২৫ জুন, ১৯৭১) রফিকুল
ইসলাম (২৮ জুন, ১৯৭১ - ১৪ ফেব্রæয়ারী, ১৯৭২)
২ কুমিল্লা - নোয়াখালী খালেদ মোশাররফ (১০ এপ্রিল ১৯৭১ - ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১) এটিএম
হায়দার (২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ - ১৮ ডিসেম্বর, ১৯৭১)
৩ সিলেট - ব্রা²ণবাড়িয়া কে. এম. সফিউল্লাহ (১০ এপ্রিল ১৯৭১ - ২১ জুলাই, ১৯৭১) এ.এন.এম.
নুরুজ্জামান (২৩ জুলাই, ১৯৭১ - ১৪ ফেব্রæয়ারী, ১৯৭১)
৪ সিলেট ঃ হবিগঞ্জ অঞ্চল চিত্তরঞ্জন দত্ত (১০ এপ্রিল ১৯৭১ - ১৪ ফেব্রæয়ারী, ১৯৭২) আব্দুর রব
৫ সিলেট ঃ দুর্গাপুর - ডাউকি-এর পূর্বসীমা মীর শওকত আলী (১০ এপ্রিল ১৯৭১ - ১৪ ফেব্রæয়ারী, ১৯৭২)
৬ রংপুর ও দিনাজপুর জেলার কিয়দংশ এম খাদেমুল বাশার (এপ্রিল ১৯৭১ - ১৪ ফেব্রæয়ারী, ১৯৭২)
৭ দিনাজপুর - রাজশাহী - পাবনা - বগুড়া নাজমুল হক (১০ এপ্রিল ১৯৭১ - ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১) কাজী নুরুজ্জামান
(২৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ - ১৪ ফেব্রæয়ারী, ১৯৭২), আব্দুর রব
চিত্র ১.১ ঃ বাংলাদেশর অবস্থান ও মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সমূহ
উৎস্য: বাংলাপিডিয়া ৭
৮ কুষ্টিয়া - যশোর আবু ওসমান চৌধুরী (১০ এপ্রিল ১৯৭১ - ১৭ জুলাই, ১৯৭১)
এম. এ. মঞ্জুর (১৪ আগস্ট, ১৯৭১ - ১৪ ফেব্রæয়ারী, ১৯৭২)
৯ বরিশাল - পটুয়াখালী জেলা ও খুলনা ও
ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ
এম.এ. জলিল (১৭ জুলাই, ১৯৭১ - ২৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১)
এম.এ. মঞ্জুর, জয়নাল আবেদীন
১০ বঙ্গোপসাগর অঞ্চল বাংলাদেশ নৌবাহিনী কর্ণেল ওসমানী ও ভারতীয় কমান্ডার এম.এন. সামন্ত
-এর পরিচালনায় (৩-৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১)
১১ ময়মনসিংহ - টাঙ্গাইল জিয়াউর রহমান (২৭ জুন, ১৯৭১ - ১০ অক্টোবর, ১৯৭১) আবু তাহের
(১০ অক্টোবর, ১৯৭১ - ২ নভেম্বর, ১৯৭১) এম. হামিদুল্লাহ খান (২
নভেম্বর, ১৯৭১ - ১৪ ফেব্রæয়ারী ১৯৭২)
নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নঃ
১. শূন্যস্থান পুরণ করুনঃ
১.১. বৈদিক যুগের শেষভাগে ............... নামে বর্তমান বাংলাদেশের কিয়দংশের উল্লেখ পাওয়া যায়।
১.২: ......... সালে সংখ্যাগরিষ্ট মুসলমান অধ্যুষিত এলাকাসমূহ নিয়ে গঠিত হয় পাকিস্তান রাষ্ট্র।
১.৩: বাংলাদেশে বর্তমানে ........... টি প্রশাসনিক বিভাগ আছে।
১.৪: বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম প্রশাসনিক একক হলো ............. এবং বৃহত্তম একক হলো ..............।
১.৫: ১১ জন সেক্টর কমান্ডের ............... মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়।
২. সঠিক উত্তরের পার্শে¦ ঠিক এবং অঠিক উত্তরের পার্শে¦ অঠিক লিখুন:
২.১: এদেশের দক্ষিণাংশের বিস্তীর্ণ নি¤œ সমতলভূমির গঠন প্রক্রিয়া শুরু হয় মাত্র ২০-২৫ হাজার বছর
আগে।
২.২: কলকাতার হিন্দু স¤প্রদায়ের বিরোধীতার ফলে ১৯১২ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ হয়ে যায়।
২.৩: পশ্চিম বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত প্রদেশ পশ্চিম বাংলার রাজধানী হয় ঢাকা।
২.৪: বাংলাদেশের অবস্থান ২০০
৩৪’ উত্তর থেকে ২৮০
৩৬’ উত্তর অক্ষাংশ।
২.৫: অনেক বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী দেশ ত্যাগ করে শ্রীলঙ্কা ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় বহির্গমন করে।
সংক্ষেপে উত্তর লিখুনঃ
১. বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান সম্পর্কে একটি বিবরণ দিন।
২. বাংলাদেশের সীমানা ও পারিসরিক সম্পর্ক বিষয়ে একটি নাতিদীর্ঘ রচনা লিখুন।
৩. প্রাচীন বাংলাদেশের স্বতন্ত্র প্রাকৃতিক অঞ্চলগুলোর বিবরণ লিখুন।
অথবা
ব্রিটিশদের এদেশে আগমনের পূর্বে বর্তমানের বাংলাদেশের ভ‚-ভাগসমূহের বিবরণ দিন।
৪. পলাশী যুদ্ধের পর বাংলার উপর ব্রিটিশদের ক্ষমতা শক্তভাবে প্রতিষ্ঠিত হলেও বর্তমানের বাংলাদেশের
প্রাথমিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে পশ্চাদপদ থেকে যায়। ব্যাখ্যা করুন।
৫. বাংলাদেশে ভ‚-রাজনৈতিক চেতনা বিকাশে সহায়ক ভ‚মিকার গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যাবলী উল্লেখ করুন।
রচনামূলক প্রশ্নঃ
১. বাংলাদেশের ভ‚-রাজনৈতিক অভ্যুদয় সম্পর্কে যাহা জানেন লিখুন।
২. কি কি কারণে বাংলাদেশের ভ‚-রাজনৈতিক অভ্যুদয় বা বিকাশ লাভ ঘটে তা আলোচনা করুন।

FOR MORE CLICK HERE
বাংলা রচনা সমূহ
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য
English Essay All
English Grammar All
English Literature All
সাধারণ জ্ঞান বাংলাদেশ বিষয়াবলী
সাধারণ জ্ঞান আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী
ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
বি সি এস প্রস্তুতি: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি
বি সি এস প্রস্তুতি: নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সু-শাসন
বি সি এস প্রস্তুতি: সাধারণবিজ্ঞান
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ
বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়
ভাবসম্প্রসারণ

Copyright © Quality Can Do Soft.
Designed and developed by Sohel Rana, Assistant Professor, Kumudini Government College, Tangail. Email: [email protected]