ভুমিরূপ সম্পর্কে বিংশ শতাব্দীর (প্রথম অর্ধ ও দ্বিতীয় অর্ধাংশ) ধারণার বর্ণনা দিন।


বিংশ শতাব্দীর শুরুতেই ডেভিস ও তাঁর সমর্থকরা নিজ দেশে ও বিদেশে, এবং বিশেষ করে
জার্মানীতে পেঙ্ক ভ‚মিরূপবিদ্যা সমীক্ষার পদ্ধতিতে বিপ্লবের সূচনা করে। ১৮৯৯ সালের ডেভিস
যে শ্বাসত মডেল (ঈষধংংরপধষ গড়ফবষ) উপস্থাপন করেন, সেটি ভৌগোলিক চক্র নামে পরিচিত। সেখানে তিনি বর্ণনা করেছেন যে উত্থিত ভ‚মিরূপ সময়ের সাথে সাথে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে
এক সময় ভ‚মিরূপহীন সমভ‚মিতে (চবহবঢ়ষধরহ) বা প্রায় সমভ‚মিতে পরিণত হয়। জার্মানীতে
পেঙ্ক ও অন্যান্য অনেক ভ‚মিবিজ্ঞানীর এই মতবাদ সম্পর্কে প্রবল আপত্তি থাকলেও বিংশ শতাব্দীর প্রথম অর্ধেক সময় ব্যাপী বিশ্বজুড়ে এই মতবাদের ব্যাপক প্রভাব পরিলক্ষিত হয়।
সারা বিশ্বে তাঁর “ভৌগোলিক চক্র” (এবড়মৎধঢ়যরপধষ ঈুপষব) মডেল ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়
বিভিন্ন নামে ও বিভিন্ন স্থানে। তাঁর বর্ণিত ক্ষয়চক্রকে স্বাভাবিক চক্র (ঘড়ৎসধষ ঈুপষব),



উ™বের নিয়šক
হিসেবে তিনটি
মৌলিক উপাদান চিহ্নিত করেছিলেন।

ক্ষয়চক্র (



ৎড়ংরড়হ ঈুপষব), ভ‚মিরূপ চক্র (এবড়সড়ৎঢ়যরপ ঈুপষব), আর্দ্রচক্র (ঐঁসরফ

ঈুপষব) ইত্যাদি নামে পরিচিত।
এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে ভ‚মিরূপ উন্নয়নের সাধারণ তত্তে¡র বিষয় ভৌগোলিক চক্রে প্রতিনিধিত্ব করে না। সাধারণ তত্ত¡ অনুযয়ী ক্রমান্বয়ে পর্যায়ে ভ‚মিরূপের একের পর এক পরিবর্তনের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট ভ‚মিরূপহীন সমভ‚মিতে পরিণত হওয়াই এখানে মল বিষয়। এই তত্তে¡র মূল উদ্দেশ্য ভ‚মিরূপ উদ্ভবের শ্রেণী বিভাজন ও নিয়মতান্ত্রিক বর্ণনার উপস্থাপন।
ডেভিস ভ‚মিরূপ উদ্ভবের নিয়ন্ত্রক হিসেবে তিনটি মৌলিক উপাদান চিহ্নিত করেছিলেন। যেমন- ভ‚মিরূপ হলো গঠন, প্রক্রিয়া ও সময়ের যৌথ কান্ডের ফল অর্থাৎ (খধহফংপধঢ়ব রং ধ
ঋঁহপঃরড়হ ড়ভ ঝঃৎঁপঃঁৎব, চৎড়পবংং ধহফ ঞরসব) ডেভিসের ভৌগোলিক চক্রের ধারণা নদী
ছাড়াও অন্যান্য ক্ষেত্রে যেমন-শুস্ক অঞ্চলের ক্ষয়চক্র (অৎরফ ঈুপষব ড়ভ ঊৎড়ংরড়হ), হিমবাহের ক্ষয়চক্র (গধৎরহব ঈুপষব ড়ভ ঊৎড়ংরড়হ), কার্ষ্ট ক্ষয়চক্র (কধৎংঃ ঈুপষব ড়ভ ঊৎড়ংরড়হ)
প্রচলিত হয়ে যায়। ১৯৫০ সালের পরে তাঁর মডেল পরিমার্জিত আকারে বেশ কিছ ভ‚মিরূপ বিজ্ঞানীর দ্বারা নতুন ভাবে উপস্থাপিত হয়। ডেভিসের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ১৯০৯ সালে
ভৌগোলিক রচনা (এবড়মৎধঢ়যরপধষ ঊংংধুং) নামে বিভিন্ন প্রবন্ধ ও রচনা পুস্তক আকারে প্রকাশিত হয়।

বিংশ শতাব্দীর প্রথম অর্ধেকে ইউরোপের ভ‚মিরূপ বিজ্ঞানীরা ভ‚মিরূপ ধারণার অগ্রগতিতে
গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। যক্তরাজ্যের ভ‚মিরূপ বিজ্ঞানীরা তাঁদের গবেষণা কর্মের মাধ্যমে
স্বাধীন সত্ত¡ার পরিচয় দেন। ডেভিসের “ভৌগোলিক চক্র” মডেলটি কঠিন সমালোচনার সম্মুখীন হয়। তাঁর দ্রæত ও ক্ষয়হীন ভ‚মির উত্থান মতবাদটি চক্র মতবাদ বিরোধী গোষ্ঠীর বিশেষভাবে জার্মান ভ‚মিবিজ্ঞানীদের দ্বারা ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয়। জার্মানীর
সমালোচকরা ডেভিসের মডেলের দুই ধরনের সমালোচনা করেছেন। যেমন-একদল এই
মতবাদকে সোজাসুজি বর্জন করেছেন, অন্যদিকে অপর দলটি মতবাদটিকে পরিমার্জনের
চক্রের ধারণা নদী
ছাড়াও অন্যান্য ক্ষেত্রে
যেমন, শুস্ক



মাধ্যমে সম্পূর্ণ মডেলে উপস্থাপন করেছেন। পেঙ্কের মতবাদ অনুযায়ী ভ‚মিরূপের উদ্ভব
ডেভিসের মতবাদের মত সময় নির্ভর নয় বরং এটি সময় থেকে স্বাধীন। ফ্রান্স ও জার্মানীতে

ভ‚মিরূপবিদ্যার নতুন শাখা ‘জলবায় ভ‚মিরূপ’ (


ষরসধঃরপ এবড়সড়ৎঢ়যড়ষড়মু) গঠিত হয় এবং
প্রত্যেক প্রকারের জলবায় তার নিজস্ব বৈশিষ্ট্য র্ঈ ভ‚মিরূপের সম্মিলিত ভ‚প্রকৃতির জন্ম দেয়।





ভ‚মিরূপ বিদ্যার সমীক্ষার পদ্ধতি ও ধরনের বিরাট পরিবতন সাধিত


সা¤প্রতিক ধারা (বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় অর্ধাংশ) :
১৯৫০ সনের পরে ভমিরূপ বিদ্যার পদ্ধতি ও ধরনের সমীক্ষায় যেমন, ধারণার আঙ্গিক দৃষ্টান্ত এবং গবেষণার লক্ষ্যেও বিরাট পরিবর্তন সূচিত হয়েছে। এই সময়ের পরে ডেভিসের
ক্ষয়চক্রের মডেলের ব্যাপক সমালোচনার সঙ্গে সঙ্গে ভ‚মিরূপ গঠনে ক্ষয়ের অচক্রাকার
(গতিশীল ভারসাম্য) মডেলের বি¯Íি ত লাভ করে। তাছাড়া বর্ণনামূলক ভ‚মিরূপ বিদ্যার
হয়।

(ছঁধহঃরঃধঃরাব এবড়সড়ৎঢ়যড়ষড়মু) স্থলে সংখ্যাতাত্তি¡ক ভ‚মিরূপবিদ্যা (

ঁধহঃরঃধঃরাব

এবড়সড়ৎঢ়যড়ষড়মু), ভূমিরূপ বিশ্লেষণে আরোহ পদ্ধতির ( হফঁপঃরাব গবঃযড়ফ) পরিবর্তে

অবরোহ পদ্ধতির (


বফঁপঃরাব গবঃযড়ফ) প্রচলন, জলবায় ভূমিরূপ (


ষরসধঃব
উ ঈ

এবড়সড়ৎঢ়যড়ষড়মু), ফলিত ভ‚মিরূপ (অঢ়ঢ়ষরবফ এবড়সড়ৎঢ়যড়ষড়মু), পরিবেশ ভ‚মিরূপ

বিদ্যার (


হারৎড়হসবহঃধষ এবড়সড়ৎঢ়যড়ষড়মু) উন্মেষ ঘটে। তাছাড়া, এই সময়ে বৃহৎ স্থানিক

ভ‚মিরূপ পদ্ধতি একটি
আšঃপক্রিয়ার
গাঠনিক রূপ যার
কাযকারিতা
স্বতšভাবে ও
যৌথভাবে সম্পাদনের মাধ্যমে ক্রমিক
একটি যৌগিক ১৬
ভ‚মিরূপ গঠন ১৭
করে। ১৮
১৯
ঊ ২০
ও বৃহদাকার কালিক স্কেল থেকে ক্ষুদ্রাকার স্থানিক ও ক্ষুদ্রাকার কালিক স্কেলে গবেষণার বিষয়বস্তু ও উদ্দেশ্য স্থানান্তর হয়। ২১
এই সময়ে ভ‚মিরূপবিদ্যার উন্নয়নে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান হলো সংখ্যাতাত্তি¡ক পদ্ধতির প্রবর্তন ও সংক্ষিপ্ত কালিক ও ক্ষুদ্র স্থানিক স্কেলে ভ‚মিরূপ প্রক্রিয়ার সমীক্ষা। বৃহৎ মাঝারী ২২
স্কেলের ভ‚মিরূপ সমীক্ষার পরিবর্তে ক্ষুদ্র স্কেলের সমীক্ষার প্রবর্তন ঘটে। এখানে ভ‚মিরূপ প্রক্রিয়াসমূহ মাঠে যান্ত্রিকীকরণ ও পরিমাপের মাধ্যমে যথাযথভাবে বোঝা সম্ভব হয়। ২৩
“পরিবেশ ভ‚মিরূপবিদ্যা” (ঊহারৎড়হসবহঃধষ এবড়সড়ৎঢ়যড়ষড়মু) এর আবির্ভাব প্রকৃতপক্ষে ২৪
“ফলিত ভ‚মিরূপবিদ্যা” (অঢ়ঢ়ষরবফ এবড়সড়ৎঢ়যড়ষড়মু) এর বিষয়বস্তুর সম্বলিত রূপ। মানুষের ২৫
অর্থনৈতিক কর্মকান্ড ও প্রযুক্তিগত জ্ঞানের প্রয়োগের সঙ্গে সঙ্গে ভ‚মিরূপ প্রক্রিয়া ও প্রাকৃতিক ২৬
ব্যবস্থার মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে পরিবেশের যে সকল সমস্যার উদ্ভব হচ্ছে সেগুলোকে যথাথভাবে ২৭
মোকাবেলার উদ্দেশ্যেই এই পরিবেশ ভ‚মিরূপ বিদ্যার উদ্ভব হয়েছে। ২৮
২৯
পদ্ধতিগত ধারণা (ঝুংঃবস ঈড়হপবঢ়ঃ) : ৩০
১৯৫০ সালে ভন বার্টাল্যান ফি (ঠড়হ ইবৎঃধষধহভভু) কর্তৃক উপস্থাপিত “সাধারণ পদ্ধতি তত্ত¡’ (এবহবৎধষ ঝুংঃবস ঞযবড়ৎু) এর মাধ্যমে পদ্ধতি ধারণাটি ভ‚মিরূপ সমস্যার ব্যাখ্যার নিমিত্তে গ্রহীত হয়েছিল। একটি পদ্ধতিকে সংজ্ঞায়িত করা হয় এমনভাবে যে একগুচ্ছ লক্ষ্যবস্তুকে (ঙনলবপঃং) তাদের মধ্যের আন্তঃসম্পর্ক ও তাদের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য সমীক্ষার মাধ্যমে ৩১
বস্তুগুলোকে এক সঙ্গে বিবেচনায় আনা হয় (ঈ.অ.গ. করহম, ১৯৬৬ । ভ‚মিরূপ পদ্ধতি
ভ‚মিরূপ বৈশিষ্ট্যের একটি সমন্বিত জটিল মোজাইক (গড়ংধরপ) এবং এই পদ্ধতি পরিচালিত হয় একটি নির্দিষ্ট শর্তে যার মাধ্যমে শক্তির প্রয়োগ (বারিপাত, সৌর কিরণ, ভ‚মির উত্থিত হওয়া প্রভৃতি) এবং পদার্থের উৎপাদন সম্পন্ন হয়। ভ‚মিরূপ পদ্ধতির কৃতিত্বপূর্ণ কার্যকারিতার জন্য শক্তির প্রয়োগ ও পদার্থের উৎপাদনের মধ্যে যৌক্তিক ভারসাম্য একটি পূর্বশর্ত। প্রকৃত
পক্ষে ভ‚মিরূপ পদ্ধতি একটি আন্তঃপ্রক্রিয়ার গাঠনিক রূপ যার কার্যকারিতা স্বতন্ত্রভাবে ও
যৌথভাবে সম্পাদনের মাধ্যমে একটি যৌগিক ভ‚মিরূপ গঠন করে।



ভাগে বিভক্ত করা হয়। যেমন-আবদ্ধ
পদ্ধতি (
) ওঈষউড়নংব¥ক্তফ
ঝুংঃপবসদ্ধতি (
ঙঢ়বহ
)


ভ‚মিরূপ পদ্ধতি দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়। যেমন-আবদ্ধ পদ্ধতি (ঈষড়ংবফ ঝুংঃব ) ও উন্মুক্ত পদ্ধতি (ঙঢ়বহ ঝুংঃব )। আবদ্ধ পদ্ধতির একটি সুনির্দিষ্ট সীমা রয়েছে যার মধ্যে শক্তি এবং পদার্থ কোনটিই সীমা অতিক্রম করতে পারে না। ডেভিসের ভৌগোলিক চক্র আবদ্ধ ভ‚মিরূপ
পদ্ধতির একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ যেখানে এর কার্যকারিতা প্রাথমিক সম্ভাব্য শক্তি সরবরাহের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত সময়ের দ্রæত হারে ভ‚মির উত্থানের দ্বারা আরম্ভ হয়। সময়ের সাথে ভ‚মির
ঝুংঃবস



চব ) চলে আসে।

অপরদিকে ভ‚মিরূপ বৈশিষ্ট্য হলো শক্তির নবায়ন ও পদ্ধতি থেকে পদার্থের অপসারণ যা
কার্যকরী হয়ে একটি দৃঢ় অবস্থানে পৌঁছান। পানি নিষ্কাষণ অববাহিকা (উৎধরহধমব ইধংর ) উন্মুক্ত ভ‚মিরূপ পদ্ধতির একটি উদাহরণ যা সৌর কিরণ ও বৃষ্টিপাত থেকে শক্তি সংগ্রহ করে নদীর মোহনায় পানি ও ক্ষয়জাত পদার্থ নিঃসরণ করে।

ভ‚মিরূপ পদ্ধতির অভ্যন্তরীণ গঠন নিয়ন্ত্রিত হয় ফিডব্যাক মেকানিজম (ঋববফনধপশ

গবপযধরহরংস


) হলো সময় ভিত্তিক

অবস্থার পরিবর্তন এবং এটি বহিঃস্থ উদ্দীপক দ্বারা পরিবর্জিত। ঋণাত্মক ফিড্ব্যাক (ঘবমধঃরাব
ঋববফনধপশ) সময় দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয় এমন একটি ভারসাম্য অবস্থা অথবা দৃঢ় অবস্থা যেখানে
কোনো একটি পদ্ধতিতে পরিবর্তন আসলে অন্য কোনো একটি পদ্ধতির উপাদানের পরিবর্তন সূচিত হয়।


পাঠসংক্ষেপ

ভ‚মিরূপবিদ্যার অবস্থার পেছনে বহু দার্শনিক ও ভ‚মিবিজ্ঞানী বিভিন্ন পর্যায়ক্রমিক উন্নয়নের ফল। প্রাচীন রোম ও গ্রীক যুগে দার্শনিক ভিত্তির ওপর জন্ম নিয়ে অষ্টাদশ ও ঊনবিংশ
শতাব্দীতে ভ‚মিরূপ বিদ্যার বিকাশ ঘটে। পদ্ধতিগত সমীক্ষার মাধ্যমে বিংশ শতাব্দীর প্রথম
ও দ্বিতীয় দশকের ভ‚মিরূপ গঠনের চক্রাকার ধারণার প্রসারের ফলে এ বিষয়ে স্বর্ণযুগের আবির্ভাব হয়। ১৯৫০ সালের পর ভ‚মিরূপবিদ্যা একটি বিজ্ঞান হিসেবে পূর্বের সমীক্ষা পদ্ধতি যেমন ডেভিসের ক্ষয়চক্রের বর্ণনামূলক পদ্ধতি পরিহার করে ভ‚মিরূপ বিদ্যায় সংখ্যাতাত্তি¡ক পদ্ধতির প্রবর্তন, গতিশীল ভারসাম্য তত্তে¡র সংযোজনসহ পরিবেশ ভ‚মিরূপ বিদ্যার আবির্ভাব ঘটে।



পাঠোত্তর মূল্যায়ন ১.৪
নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্ন :

১. শূন্যস্থান পূরণ করুন :
১.১ সারা বিশ্বে ডেভিস এর ....... মডেল ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায় বিভিন্ন নামে ও বিভিন্ন
স্থানে।
১.২. ডেভিসের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ........ সালে “ভৌগোলিক রচনা” নামে বিভিন্ন প্রবন্ধ ও
রচনা পুস্তক আকারে প্রকাশিত হয়।
১.৩. ............ ও ................ ভ‚মিরূপবিদ্যার নতুন শাখা ‘জলবায় ভ‚মিরূপ’ গঠিত হয়।
১.৪. “পরিবেশ ভ‚মিরূপবিদ্যা” প্রকৃতপক্ষে ............. এর বিষয়বস্তু সম্বলিত।
১.৫. ভ‚মিরূপ পদ্ধতি দুইভাগ বিভক্ত করা হয়। যেমন-আবদ্ধ পদ্ধতি ও ...... পদ্ধতি।
১.৬. ভ‚মিরূপ পদ্ধতির অভ্যন্তরীণ গঠন নিয়ন্ত্রিত হয় ............ এর মাধ্যমে।

২. সত্য হলে ‘স’ মিথ্যা হলে ‘মি’ লিখুন:
২.১. ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুতেই ডেভিস ও তাঁর সমর্থকরা নিজ দেশে ও বিদেশে এবং বিশেষ করে জার্মানীতে পেঙ্ক ভ‚মিরূপবিদ্যা সমীক্ষার পদ্ধতিতে বিপ্লবের সূচনা করেন।
২.২. ডেভিসের ভৌগোলিক চক্র আবদ্ধ ভ‚মিরূপ পদ্ধতির একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন :
১. ডেভিসের বর্ণিত ক্ষয় চক্রকে কি কি নামে অভিহিত করা হয়।
২. ডেভিসের ভৌগোলিক চক্রের ধারণা আরো কোন কোন ক্ষেত্রে প্রচলিত?
৩. “সাধারণ পদ্ধতি তত্ত¡” কার দ্বারা কত সালে উদ্ভাবিত তত্ত¡?

রচনামূলক প্রশ্ন :
১. ভ‚মিরূপ সম্পর্কে বিংশ শতাব্দীর (প্রথম অর্ধ ও দ্বিতীয় অর্ধাংশ) ধারণার বর্ণনা দিন।

FOR MORE CLICK HERE
বাংলা রচনা সমূহ
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য
English Essay All
English Grammar All
English Literature All
সাধারণ জ্ঞান বাংলাদেশ বিষয়াবলী
সাধারণ জ্ঞান আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী
ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
বি সি এস প্রস্তুতি: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি
বি সি এস প্রস্তুতি: নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সু-শাসন
বি সি এস প্রস্তুতি: সাধারণবিজ্ঞান
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ
বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়
ভাবসম্প্রসারণ

Copyright © Quality Can Do Soft.
Designed and developed by Sohel Rana, Assistant Professor, Kumudini Government College, Tangail. Email: [email protected]