পর্বত কাকে বলে? বিভিন্ন ধরনের পর্বত গঠনের প্রক্রিয়াসমূহ বর্ণনা করুন।


বিভিন্ন প্রকার ভ‚মিরূপ
ভ‚মিরূপ বলতে ভ‚-পৃষ্ঠে সৃষ্ট নানা ধরনের ভ‚-প্রাকৃতিক গঠন, অর্থাৎ সমভ‚মি, মালভ‚মি, পর্বত ইত্যাদি বোঝায়। এই ভ‚মিরূপগুলো কয়েক হাজার মিলিয়ন বছর ব্যাপী নানা প্রাকৃতিক শক্তির
দ্বারা ক্ষয়প্রাপ্ত, সঞ্চিত, অবনমিত ও উত্থিত হয়ে সৃষ্টি হয়েছে। ভ‚মিরূপের এই পরিবর্তন
প্রক্রিয়া বর্তমানেও কার্যকর রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও ক্রিয়াশীল থাকবে। সদা পরিবর্তনশীল
এই ভ‚মিরূপ সমূহকে গঠন বৈশিষ্ট্য ও প্রকৃতির উপর নির্ভর করে মোট তিনভাগে বিভক্ত করা
হয়। এই ইউনিটে ভ‚মিরূপের তিনটি প্রধান শ্রেণীবিভাগ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
ভ‚-পৃষ্ঠের অতি উচ্চ, সুবিস্তৃত এবং খাড়া ঢাল বিশিষ্ট শিলাস্তূপকে পর্বত বলে। পর্বত সাধারণত
৬০০ মিটারের অধিক উচ্চতা বিশিষ্ট হয়। তবে পর্বতের উচ্চতা সমুদ্র সমতল থেকে কয়েক
হাজার মিটার উচ্চ হতে পারে। কোন কোন পর্বত বিচ্ছিন্নভাবে অবস্থান করে যেমন, পূর্ব
আফ্রিকার কিলিমানজারো (কি.মি)। কিছু পর্বত কয়েক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে অবস্থান
করে। এ ধরণের পর্বত সাধারণত ঢেউ এর ন্যায় ভাঁজ বিশিষ্ট হয়ে থাকে। যেমন: হিমালয়
পর্বত। এ পর্বত পশ্চিমে পামীর মালভ‚মি থেকে শুরু করে পূর্বে প্রায় পাপুয়া নিউগিনি পর্যন্ত
বিস্তৃত। এছাড়াও উত্তর আমেরিকার রকি ও অ্যাপালে সিয়ানে, দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ,
ইউরোপের আল্পস, ইউরাল ও ককেশাস ইত্যাদি এশিয়া মহাদেশের উল্লেখযোগ্য বৃহৎ
আকৃতির পর্বত।
পর্বত গঠনে বিভিন্ন প্রক্রিয়া একসঙ্গে কাজ করে। একে ওরোজেনেসিস বলে। গ্রীক শব্দ
‘আরোস’ অর্থ ‘পর্বত’ এবং জেনেসিস অর্থ ‘সৃষ্টি’ হওয়া। এই দুইটি শব্দের সমন্বয়ে সৃষ্টি
হয়েছে ‘অরোজেনেসিস’ শব্দটি, যা বাংলায় পর্বত গঠন প্রক্রিয়া বলা হয়ে থাকে। ভ‚-অভ্যন্তরস্থ
বিপুল শক্তির প্রয়োগ হওয়ার ফলে পর্বতের বৈশিষ্ট্যপূর্ণ অবয়বের সৃষ্টি হয়। যেমন, অধিক
উচ্চতা, বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ভাঁজ ও চ্যুতি ইত্যাদি। অন্যদিকে বিভিন্ন ধরণের ক্ষয়কাজের ফলে বায়ু,
পানি ও অন্যান্য প্রাকৃতিক শক্তির দ্বারা প্রভাবিত হয়ে পৃথিবীর প্রতিটি পর্বত দেখতে
বাহ্যিকভাবে স্বতন্ত্র হলেও উৎপত্তি গত ও গঠন প্রকৃতিগত দিক দিয়ে এদের বিভিন্ন শ্রেণীতে
বিভক্ত করা যায়। উৎপত্তিগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে পর্বতকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। পর্বতের
শ্রেণীবিভাগ (রউফ, পৃষ্ঠা : ২১৬)
চিত্র ঃ ৪.১.১ ভঙ্গিল পর্বত
যথাঃ
পাঠ-৪.১
এক অথবা
একাধিক বিশেষ
ভূতাত্তি¡ক প্রক্রিয়া
সম্মিলিতভাবে
পর্যায়ক্রমে সময়ের
সাথে সাথে
ভূমিরূপের
পরিবর্তন ঘটিয়ে
থাকে।
ক) ভঙ্গিল পর্বত (ঋড়ষফবফ সড়ঁহঃধরহং),
খ) আগ্নেয়জাত পর্বত (খধাধ সড়ঁহঃধরহং)
গ) চ্যুতি স্তুপ পর্বত (ঋধঁষঃ-নষড়পশ সড়ঁহঃধরহং) এবং
ঘ) উত্থিত ক্ষয়জাত পর্বত (জবংরফঁধষ সড়ঁহঃধরহং)
(ক) ভঙ্গিল পর্বত : অগভীর সমুদ্রের
তলদেশে সঞ্চিত পাললিক শিলাস্তরে
আনুভ‚মিক আলোড়ন বা সংকোচনের ফলে
শিলাস্তর কুঞ্চিত হয়ে ঢেউয়ের আকারে ভঙ্গিল
পর্বতের সৃষ্টি হয়। চার ধরণের পর্বতের মধ্যে
ভঙ্গিল পর্বতের উৎপত্তি সবচেয়ে জটিল। এ
ধরনের পর্বতের বিস্তার অন্যান্য ধরনের
পর্বতের চাইতে বেশি।
ভঙ্গিলপর্বতের বৈশিষ্ট্যগুলো
(ঈযধৎধপঃবৎরংঃরপং ড়ভ ঋড়ষফবফ
গড়ঁহঃধরহং) নিম্নরূপ :
১. দুটি পরস্পরমুখী প্লেট সীমানায়
সংকোচনজনিত চাপে পাললিক শিলাস্তরে
ভাঁজ সৃষ্টি হয়ে ভঙ্গিল পর্বত গঠিত হয়ে
থাকে।
২. ভঙ্গিল পর্বতের শিলা কাঠামো ভাঁজ ও
চ্যুতিযুক্ত।
৩. সাধারণত ভঙ্গিল পর্বত পাললিক শিলা
দ্বারা গঠিত। তবে উৎপত্তির বিভিন্ন
পর্যায়ে আগ্নেয় ও রূপান্তরিত শিলাও
দেখা যায়।
প্রধান তিন ধরণের পরিবেশ ভঙ্গিল পর্বত গঠিত হয়। যথা:
(র) দুটি মহাদেশীয় প্লেটের সংঘাতপূর্ণ এলাকায়;
(রর) মহাদেশ ও সমুদ্র তলদেশীয় সীমানা বরাবর যেখানে সামুদ্রিক শিলাস্তর মহাদেশীয়
প্লেটের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে;
(ররর) বিচ্ছিন্ন শিলামন্ডল মহাদেশীয় প্লেট সীমানা বরাবর।
বিভিন্ন ভঙ্গিল পর্বতের উৎপত্তি :
বিজ্ঞানীগণ ভঙ্গিল পর্বত গঠনে কয়েকটি পর্যায় কাজ করে বলে দাবী করেন।
প্রথম পর্যায় : সমুদ্র খাতের উভয় দিক
থেকে সংকোচনের ফলে নিম্ন অংশ
অবনমিত হয় বা
দেবে যায়।
উৎস : ঝবষনু (১৯৬৭)
দ্বিতীয় পর্যায় : সমুদ্র খাতের অবনমিত
অংশে পলি জমা হতে থাকে এবং ধীরে
ধীরে পলির ভারে নিচের দিকে দেবে
চিত্র ঃ ৪.১.৩ : আগ্নেয় পর্বত (সিল্ড আগ্নেগিরি)
ভূমিরূপ বিদ্যার
বিষয়বস্তুকে তিনটি
ভিত্তিতে সাজানো
যেতে পারে।
যায়; ফলে ভ‚অধ: ভাঁজের (এবড়পুহপষরহব) সৃষ্টি হয়।
তৃতীয় পর্যায় : অবনমিত খাতের তলদেশ রূপান্তরিত শিলায় পরিণত হয় এবং নিম্নভাগ হতে
আগ্নেয়শিলা পলির ভিতরে প্রবেশ করে।
চতুর্থ পর্যায় : এ পর্যায়ে নতুন করে সংকোচনজনিত চাপের কারণে পলিতে ভাঁজের সৃষ্টি হয়।
চ‚ড়ান্ত পর্যায় : এ পর্যায়ে সংকোচন হ্রাস পায় এবং সম্পূর্ণ খাত ওপরে উত্থিত হয়ে পর্বত মালা
গঠন করে।
উদাহরণ : এশিয়ার হিমালয়, দক্ষিন আমেরিকার আন্দিজ, উত্তর আমেরিকার রকি এবং
ইউরোপের আল্পস্।
(খ) আগ্নেয় পর্বত :
ভ‚-অভ্যন্তরস্থ ক্রিয়াকলাপের জন্য ম্যাগমা লাভা হিসাবে উদ্গিরিত হয়ে জমে, ঠান্ডা হয়ে যে
শিলা স্তুপের সৃষ্টি করে তাই আগ্নেয় পর্বত (চিত্র নং ৪.১.৩)। লাভার প্রকৃতির ওপর আগ্নেয়
পর্বতের বিস্তৃতি ও আকৃতি নির্ভর করে। কোন কোন আগ্নেয় পর্বত খাড়া ঢাল বিশিষ্ট এবং স্বল্প
স্থান জুড়ে থাকে। আবার স্বল্প ঢাল সম্পন্ন কিন্তু বিস্তৃত এলাকা জুড়েও এ পর্বত হতে পারে।
আগ্নেয় পর্বতের উৎপত্তি :
কোন কোন ক্ষেত্রে ভ‚-আলোড়নের জন্য ভ‚-ত্বকের দুর্বল অংশ ফেটে যায়। ঐ ফাঁটলের মধ্য
দিয়ে ভ‚-গর্ভস্থ উত্তপ্ত লাভা, নানা প্রকার গ্যাস ও বাষ্প, ছাই, ধাতু ইত্যাদি প্রবল বেগে বেরিয়ে
আসে। এ উত্তপ্ত লাভা ফাঁটলের চারদিকে সঞ্চিত হয়। বার বার গলিত পদার্থ ফাটলের চারদিক
সঞ্চিত হতে হতে উঁচু পর্বতের সৃষ্টি হয়।
উদাহরণ : জাপানের ফুজিয়ামা ও হাওয়াই দ্বীপের মওনালোয়ো, আগ্নেয়গিরি।
গ) চ্যুতি স্তুপ পর্বত (ঋধঁষঃ ইষধপশ গড়ঁহঃধরহ) :
প্রবল ভ‚-আলোড়নের ফলে শিলাস্তরে সংকোচন ও প্রসারণ চাপের সৃষ্টি হয়। এর ফলে ভ‚-ত্বক
অনেক সময় খাড়াভাবে ফেঁটে যায়। যে রেখা বরারব ফাঁটল হয় তাকে চ্যুতি রেখা বলে। দুটি
ফাঁটলের মাঝের অংশ অনেক
সময় উপরে উঠে গিয়ে বা
নীচের দিকে বসে যায়। ফলে
ভ‚মির উপর স্তুপের আকারে
যে ভ‚মিরূপ তৈরি হয় একে
চ্যুতি বা স্তুপ পর্বত বলে।
চ্যুতি স্তুপ পর্বতের উৎপত্তি :
তিন ধরনের পরিস্থিতিতে
চ্যুতি স্তুপ পর্বত সৃষ্টি হতে
পারে।
চিত্র ঃ ৪.১.৪ : চ্যুতি স্তুপ পর্বত সৃষ্টির বিভিন্ন অবস্থা
(র) শিলা স্তরে টান জনিত চাপের কারণে :
ভ‚-ত্বকের শিলাস্তরে টানজনিত চাপের কারণে ফাঁটলের সৃষ্টি হয়। এ ফাঁটল বরাবর একটি
শিলাস্তর পাশের স্তরের চেয়ে ওপরের দিকে উঠে গেলে বা নিচের দিকে নেমে গেলে অথবা
পাশে সরে গেলে চ্যুতি স্তুপ পর্বতের সৃষ্টি হতে পারে। (চিত্র : ৪.১.৪)
(রর) বিপরীত টানজনিত
চাপের কারণে :
বিপরীত টানজনিত
চাপের জন্য উভয়
পাশের শিলাস্তরে
অনেকগুলো ফাঁটলের
সৃষ্টি হয়। এ ফাঁটল
বরাবর খন্ডিত ভ‚-ত্বকের
একপাশ নিচের দিকে
নেমে যায় এবং অন্য
পাশ পূর্বের অবস্থানে
থাকে। ফলে অনেকগুলো
পাশাপাশি অবস্থিত
খন্ডিত ভ‚-ত্বক পর্বতের
ন্যায় উঁচু ভ‚মি সৃষ্টি
করে। এগুলো চ্যুতি স্তুপ
পর্বত নামে পরিচিত।
উদাহরণ : আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদা, নিউ মেক্সিকো,ক্যালিফোর্নিয়া এবং ইউটাহ্ (টঃধয)
অঞ্চল এ ধরণের স্তুপ পর্বত দেখা যায়।
(রর) শিলা স্তরের বিস্তৃত অংশ উর্ধ্ব-উত্থিত হওয়ায় ফলে এ ধরণের চ্যুতি-স্তুপ পর্বত সৃষ্টি হয়।
ভ‚-ত্বকের কোন অংশ ভ‚-অভ্যন্তরস্থ চাপের কারণে ওপরের দিকে উঠতে থাকলে পার্শ্ববর্তী
শিলায় যে টানের সৃষ্টি হয় তার ফলে ফাঁটল দেখা যায়। এই ফাঁটল বরাবর দুপাশের
শিলাস্তর নিচের দিকে নেমে যায় এবং মাঝের উর্ধ্বগামী শিলাস্তুপকে চ্যুতিস্তুপ পর্বতের
মত দেখায় (চিত্র ৪.১.৪)
উদাহরণ : পূর্ব আফ্রিকার গ্রস্থ উপত্যকার পার্শ্ববর্তী উঁচু পার্বত্য স্তুুপ এ ধরণের চ্যুতি স্তুপ
পর্বত।
(ররর) বিচ্ছিন্নভাবে ভ‚-ত্বকের এক অংশ খাড়াভাবে বা আংশিকভাবে পাশের সমভ‚মির ওপরে
উঠে গেলে চ্যুতি-স্তুপ পর্বতের সৃষ্টি হয়।
উদাহরণ : জার্মানির বøাক ফরেষ্ট ও পাকিস্তানের লবন পর্বত চ্যুতি-স্তুপ পর্বত।
ঘ) উত্থিত ক্ষয়জাত পর্বত :
ভ‚-পৃষ্ঠের নরম শিলাসমূহ বিভিন্ন প্রকার প্রাকৃতিক শক্তির দ্বারা ক্ষয়প্রাপ্ত ও অপসারিত হলে
কঠিন ভ‚-পৃষ্ঠের নরম শিলাসমূহ উঁচু হয়ে পর্বতের ন্যায় অবস্থান করে একে উত্থিত ক্ষয়জাত
পর্বত বলে। যেমন-এ্যাপোলেশিয়ান পর্বত।
উত্থিত ক্ষয়জাত পর্বতের উৎপত্তি :
ভ‚-আলোড়নের কারণে সুদূর অতীতকালে ভ‚-অভ্যন্তরস্থ ম্যাগমা উত্থিত হওয়ায় উপরস্থ
শিলাস্তর ওপরের দিকে উঠে যায। আবার কোন কোন ক্ষেত্রে খাঁড়াচ্যুতি বরাবর শিলাস্তুপ
উর্ধ্বগামী হয়। পরবর্তীতে এ সমস্ত উচ্চভ‚মির উপরিভাগ ক্ষয় প্রাপ্ত হয়ে নিচের আগ্নেয় ও
রূপান্তরিত শিলা উন্মুক্ত হয়। পার্শ্ববর্তী ভ‚মির চেয়ে এ সুউচ্চ ভ‚মিরূপকে উত্থিত ক্ষয়জাত পর্বত
বলে।
(র) আদি পর্যায় : পর্বতের কিয়দংশ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়নি। উপত্যকায় হ্রদ তৈরী হয়েছে।
(রর) পরবর্তী পর্যায়ে পর্বতসমূহ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়েছে।
উদাহরণ : আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের বø্যাক হিলস, কলোরাডোর ফ্রন্ট রেঞ্জ (কলোরাডো এবং বিগ
হর্ণ (ওয়াইওমিঙ্গ)
পাঠ সংক্ষেপ :
আলোচ্য পাঠে পর্বতের সংজ্ঞা ও শ্রেণীবিভাগ সম্পর্কে আমরা জানতে পারলাম। ভ‚-
পৃষ্ঠের অতি উচ্চ, সুবিস্তৃত এবং খাড়া ঢাল বিশিষ্ট শিলাস্তুপকে পর্বত বলে। পর্বত
সাধারণত : ৬০০ মিটারের বেশী উচ্চতা বিশিষ্ট হয়। তবে এই উচ্চতা সমুদ্র সমতল
থেকে কয়েক হাজার মিটার পর্যন্ত হতে পারে। হিমালয় পর্বত, উত্তর আমেরিকার রকি ও
এ্যাপোলেশিয়ান, দক্ষিন আমেরিকার আন্দিজ, ইউরোপের আল্পস, ইউরাল, ককেশাস,
এশিয়ার ফুজিয়ামা এগুলো উল্লেখযোগ্য পর্বতের উদাহরণ। উৎপত্তিগত বৈশিষ্ট্যের
ভিত্তিতে পর্বতকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন, ভঙ্গিল পর্বত, আগ্নেয়জাত পর্বত,
চ্যুতিস্তুপ পর্বত ও ক্ষয়জাত পর্বত। উক্ত শ্রেণী বিভাগগুলোর বর্ণনা, বৈশিষ্ট্য, উৎপত্তি
এবং উদাহরণ সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা পেলাম।
নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্ন :
১. শূন্যস্থান পূরণ করুন :
১.১. পর্বত গঠনে বিভিন্ন প্রক্রিয়া একসঙ্গে কাজ করলে তাকে ............বলে।
১.২. কোন কোন পর্বত ভাঁজ বিশিষ্ট হয়, যেমন ..................।
১.৩. উৎপত্তিগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে পর্বতকে ........... ভাগে ভাগ করা যায়।
১.৪. কোন কোন পর্বত বিচ্ছিন্নভাবে অবস্থান করে, যেমন ...............।
২. সত্য হলে ‘স’ মিথ্যা হলে ‘মি’ লিখুন :
২.১. পর্বত সাধারণত ৩০০ মিটারের বেশি উচ্চতা বিশিষ্ট হয়।
২.২. উৎপত্তিগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে পর্বতকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
২.৩. আগ্নেয় পর্বতের উদাহরণ-জাপানের ফুজিয়ামা ও হাওয়াই দ্বীপের মওনালোয়া
আগ্নেয়গিরি।
২.৪. চ্যুতির কারণে স্তুপ পর্বত সৃষ্টি হয়।
২.৫. গম্বুজাকৃতির পর্বতের অপর নাম ভাঁজ পর্বত।
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন :
১. পর্বত কাকে বলে?
২. উৎপত্তিগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে পর্বতকে কয়ভাগে ভাগ করা যায়?
৩. ভঙ্গিল পর্বত কাকে বলে?
৪. চ্যুতি স্তুপ পর্বতের সংঙ্গা দিন।
৫. ক্ষয়জাত পর্বত কাকে বলে?
রচনামূলক প্রশ্ন :
১. পর্বত কাকে বলে? বিভিন্ন ধরনের পর্বত গঠনের প্রক্রিয়াসমূহ বর্ণনা করুন।
২. চিত্রসহ উৎপত্তিগত ভাবে পর্বতের শ্রেণীবিভাগ দেখান।

FOR MORE CLICK HERE
বাংলা রচনা সমূহ
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য
English Essay All
English Grammar All
English Literature All
সাধারণ জ্ঞান বাংলাদেশ বিষয়াবলী
সাধারণ জ্ঞান আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী
ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
বি সি এস প্রস্তুতি: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি
বি সি এস প্রস্তুতি: নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সু-শাসন
বি সি এস প্রস্তুতি: সাধারণবিজ্ঞান
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ
বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়
ভাবসম্প্রসারণ

Copyright © Quality Can Do Soft.
Designed and developed by Sohel Rana, Assistant Professor, Kumudini Government College, Tangail. Email: [email protected]