রামপালের রাজত্বকাল
বরেন্দ্র পুনরুদ্বার:


#রামপাল (১০৮২-১১২৪ খ্রি.)::::::::::::::
*পরিচয়::::::::::::::::::
রামপাল পাল বংশের সর্বশেষ  শক্তিশালী শাসক ছিলেন।রামপাল তৃতীয় বিগ্রহ পালের পুত্র ।রামপাল- এর মাতা ছিলেন রাষ্টকূট বংশীয়।তৃতীয় বিগ্রহ পালের তিন পুত্র-এর মধ্য রামপাল ছিল দক্ষ ও শক্তিশালী উপযুক্ত শাসক।রামপাল নিজের দক্ষতা ও যোগ্যতা বলে সিংহাসন আরোহন করে।অবশ্যই রামপাল ক্ষমতা লাভের ক্ষেত্রে তার মাতুল (মামার বংশ) মহন দেব এর সহায়তা পান।রামপালের রাজত্ব কালে বলা হয়-নিভিবার ঠিক আগে প্রদীপ যেমন উজ্জ্বল হইয়া উঠে, অর্থাৎ বিলুপ্তি পূর্বে শেষ বিচ্ছুরণ। রামপাল কৃতিত্বপূর্ন কর্মকান্ডের কারণে তাকে পালবংশের শেষ মুকুটমনি বলা যায়।রামপালের অভিষেক কালে পালরাজাদের রাজ্যপাট বোধহয় ভাগীরথী ও পদ্মার মধ্যবর্তী বদ্বীপে সীমাবদ্ধ হয়েছিল।কারণ রামপালকে কৈবর্ত বিদ্রোহহের নেতা ব্বোকের রাজ্য উত্তরবঙ্গ অধিকারের জন্য ভাগীরথীর উপরে নৌকামেলক নৌ-সেতুবন্ধন করতে হয়েছিল।
#ভীম-এর শাসন আমল:::::::::::::
ভীম বরেন্দ্রর ইতিহাস অত্যন্ত েশক্তিশালী একজন শাসক ভীম শাসন আমলে বরেন্দ্র এক সমৃদ্ধশালী রাজ্য পরিরনত হয়েছিল।ভীম -এর মহাভারতে দিগ্বিজয় অংশে বলা হয়েছে-পুন্ড্র ও কুশী নদীর তীরের রাজাকে পরাজিত করে বঙ্গের এর রাজাকে পরাজিত করে। অতঃপর ভীম তাম্রলিপ্তির রাজাকে পরাস্তি করে ্র সুহ্ম এর রাজাকে পরাজিত।ভীম-এর বরেন্দ্র স্মৃতিতে স্থাপিত ভীমের ডাইং,ভীমের জাঙ্গাল,ভীম সাগর,প্রভৃতি এখনো তার স্মৃতি বহন করে চলেছে।ভীম শাসক হিসেবে এ সমস্ত কীর্তি তাকে বরেন্দ্রর ইতিহাস স্মরনীয় করে রাখবে। অপরিমিত শক্তিশালী শাসক হলেও পালরাজা রামপালের কাছে রাজা ভীম পরাজিত ও নিহত হলে কৈবর্ত শাসনের অবসান হয়।
#রামপালের রাজত্বকাল:::::::::::::::::::
*বরেন্দ্র পুনরুদ্বার::::::::::
সন্ধ্যাকর নন্দীর রামচরিত্র কাব্য থেকে জানা যায়, বরেন্দ্র পাল রাজাদের জনকভূ ও পিতৃভূমি ছিল। পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা ও বরেন্দ্র রাজ্য বিস্তার করেছিলেন। পাল বংশের রাজা ধর্মপাল এর পুত্র দেবপাল এর পর দুর্বল পাল শাসকদের কাছ থেকে কম্বোজরা বরেন্দ্র দখল করে। পরবর্তীতে ২য় বিগ্রহপালের পুত্র ১ম মহীপাল তার দক্ষতা বলে তার পিতৃরাজ্য বরেন্দ্র কম্বোজদের হাত থেকে রক্ষা করে। অতঃপর ৩য় বিগ্রহপালের জ্যৈষ্ঠ পুত্র ২য় মহীপালের অযোগ্যতায় রাজ্যের জনগন অতিষ্ঠ হয়ে উঠে। ফলে বরেন্দ্র সামন্ত বিদ্রোহ দেখা দেয়। সামন্তগনরা কৈবর্ত নায়ক দিব্বোক-কে নির্বাচিত করে বরেন্দ্র সিংহাসনে বসান।২য় মহীপাল কৈবর্ত বিদ্রোহ দখল করতে গেলে তাকে নিহত হতে হয়।কৈবর্ত নায়ক দিব্বোক বরেন্দ্র তার শাসন ব্যবস্থা চালু করে। দিব্বোকে এর মৃত্যুর পর তার ভাই রুদোক শাসন করেন পরে রুদোক এর পুত্র ভীম বরেন্দ্র সিংহাসন দখল করেন।আবার এরই মদ্যে রাজা দিব্বোকে রামপাল সাথে আক্রমণে সাফল্য অর্জন করে ছিলেন। পরবর্তীতে ২য় মহীপালের ভ্রাতা ২য় শূরপাল ১০৮০-১০৮১ সালে তার রাজত্ব অবসান ঘটে।তবে রামপাল তাদের মধ্যে সবচেয়ে দক্ষ ব্যক্তি ছিলেন। ঐতিহাসিক রাখালদাস বন্দোপাধ্যায় সন্ধ্যাকর নন্দীর “রাচরিত” বিশ্লেষণ করে বলেন যে, রামপাল তার ভাই ২য় শূরপালকে হত্যা করে সিংহাসন দখল করেন।পাল সাম্রােজ্যর শেষ শক্তিশালী শাসক রামপাল(১০৮২-১১২৪)সালে সিংহাসন আরোহণ করে রামপাল সময়কালে বরেন্দ্র শাসক ছিলেন রুদোক এর পুত্র  ভীম।ভীম বরেন্দ্রকে সমৃদ্ধশালী রাজ্য পরিনত করেছিল।রামপালের সময় পাল রাজ্য বিহার ও পশ্চিম বাংলার অংশবিশেষ সীমাবদ্ধ ছিল ।পাল রাজা রামপাল তাদের নিজ রাজ্য রক্ষা ও পিতৃভূমি বরেন্দ্র অধিকারের জন্য সর্বপ্রথম পরিকল্পনা গ্রহণ করেন।রামপাল প্রথমে তার শক্তি বৃদ্ধি করার জন্য উদ্যেগ গ্রহণ করেন।রামপাল প্রথমে তার শক্তি বৃদ্ধি করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। রামপাল এর পুত্র বিত্তপাল ,রাজ্যপাল,কুমারপাল  ্এর এই শক্তি বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করে।রামপাল বরেন্দ্র রাজ ভীম- এর সাথে যুদ্ধে উদ্দেশ্য সামন্ত রাজাদের কাছে সাহায্যের আবেদন করেন। অর্থ ও সম্পত্তির প্রলোভনে তিনি অনেক সামন্ত রাজার সাহায্যের প্রতিশ্রুতি লাভ করেন।এই ভাবে বহুদিনের সাধনা ও প্রচেষ্টায় রামপাল এক বিশাল সৈন্যবাহিনী গড়ে তোলেন।রামপালের সৈন্যবাহিনী প্রধান সহায়ক শক্তি ছিলেন তার মাতুল রাষ্ট্রকূট অধিপতি মহনদেব বা মথন। মহনদেব তার দুই পুত্র যথাক্রমে কাহ্ননদেব ও সুবর্নদেব এবং ভ্রাতুষ্পুত্র শিবরাজদেবকে নিয়ে রামপালের সাহায্য জন্য এগিয়ে আসেন।রামপালের সাহায্য জন্য এগিয়ে আসেন।রামপালের সঙ্গে আরো যোগ দেন দক্ষিণ বিহার ও দক্ষিন-পশ্চিম বাংলার সামন্ত রাজাগণ। রাম পালকে সাহায্য করার জন্য ১৪ জন্য সামন্ত রাজা এগিয়ে আসে। রামপাল এর সামন্ত রাজা ও সমস্ত শক্তিবর্গ নিয়ে পদাতিক ,অশ্ব,হস্তীবাহিনীর সৈন্য সংখ্যা কত হয়েছিল তাও জানা যায় না তবে সৈন্য সংখ্যা অনেক ছিল।
#রামপাল ও ভীমের যুদ্ধ::::::::::::::
রাজা রামপাল -এর সৈন্য  বাহিনী দুই ভাগে বিভক্ত করেন এক ভাগ শিবরাজদেবর অধীনে আর অপর ভাগ রামপাল নিজে পরিচালনা সিদ্ধন্ত গ্রহণ করলেন। প্রথম শিবরাজ নেতৃত্বে এক সৈন্যদল বরেন্দ্র অভিযান করেন। রামপাল শিবরাজদেবকে গঙ্গানদীর তীরে অবস্থিত গ্রাম গুলো দখল করার আদেশ দেন।অতঃপর শীবরাজদেব গ্রাম গুলো দখল করে ফেলেন। গ্রাম গুলো দখল করার পর গঙ্গা নদীর উপর দিয়ে অসংখ্য নৌকা সহযোগ সেতু নির্মাণ করে রাজা রামপালকে খবর দেয়া হয়। রামপাল ও তার সৈন্য বাহিনীরা নৌকা সহযোগ সেতু  পথ দিয়ে এসে শীবরাজদেবের বাহিনীর সঙ্গে শেয়ানে শেয়ানে লড়াই চালিয়ে যান।হঠাৎ ভীম  বন্দি হয়ে পড়েন হস্তীপৃষ্ঠে যুদ্ধরত অবস্থায়।ফলে ভীম এর আত্মীয় হরি পুনরায় সৈন্যদলকে একত্রিত করে প্রতিরোধ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু যুদ্ধ রত অবস্থায় রামপাল বা তার পুত্র হরিকে উপঢ়ৌকনের মাধ্যমে নিজপক্ষে যুদ্ধ করতে অনুপ্রাণিত করলেন। সম্ভবত হরি সোনার কলসের উপঢ়ৌকনের পেয়ে যুদ্ধ থেকে ইস্তফা ঘোষণা করে।ফলে যুদ্ধের ফলাফল নিশ্চিত হয়ে যায়। এই যুদ্ধ রামপাল বিজযী হলেন। রামপাল ভীমের রাজধনী দখল করে সমস্ত সম্পদ দখল করে এবং ভীম সহ তার পরিবারকে বন্দি করলেন। প্রথমে ভীমের সম্মুখেই তার পরিবারকে হত্যা করে পরে ভীমকে শরাঘাতে হত্যা করা হয়। ফলে কৈবর্ত শাসন এর অবসান ঘটে।
#রামপালের বরেন্দ্র বিজয় ও ফলাফল:::::::::::
সন্ধ্যাকর নন্দী “রামচরিত” কাব্য থেকে জানা যায় - দীর্ঘ কালীন ধরে যুদ্ধ-বিগ্রহের ফলে বরেন্দ্র জনসাধরন এর করভারে জর্জরিত হয়ে পরে । রামপাল কর হ্রাস করে দেয় ও কৃষি কাজে উন্নতি গঠাই এবং সমাজ ব্যবস্থা সুন্দর ভাবে গড়ে তোলে।
#(রামাবতী)রাজধানী স্থাপন:::::::::::::
রামপাল বরেন্দ্র দখল করে নতুন রাজধানী স্থাপন করেন।নতুন এ রাজধানী নাম দেয়া হয় রামাবতী।সম্ভবত রামপালের নামনুসারেই এর নামকরণ করা হয়। গঙ্গা ও করতোয়া নদী মধ্যবর্তী অঞ্চলে এই শহরটি অবস্থিত। রামপাল রামাবতীতে জগদ্দল মহাবিহার নির্মাণ করেছিল। পাল বংশ পতনের পূর্ব রামাবতী রাজধানী বিদ্যমান ছিল।
#রামপালের রাজ্য অভিযানসমূহ:::::::::::::::::::

(১) বিক্রম পুরের বর্মরাজের আনুগত্য লাভ::::::::::::::::
”রামচরিত” থেকে জানা যায় যে- রামপাল পূর্ব বঙ্গ দেশীয় বর্মরাজ -এর আনুগত্য লাভ করেন কোন যুদ্ধ বিগ্রহ ছাড়া।এই বর্মরাজ ছিলেন সম্ভবত পূর্ব বাংলার বিক্রমপুরের হরিবর্মন।রামপাল সামন্তরাজার সহযোগিতাও প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণে পিতৃভূমি বরেন্দ্র বিজয়ের পর তার খ্যাতি শক্তিমত্তার বর্ননা ও প্রভাব চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ে।হতে পারে দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার নব প্রতিষ্ঠিত বর্মরাজগন উত্তর বাংলায় রামপালের সাফল্যে ভীত হয়ে নিজ রাজ্যেকে নিরাপদে স্বার্থেই উপঢৌকন প্রেণের মাধ্যমে পাল রাজা রাম পালের সন্তষ্টি ও বন্ধুত্ব লাভ।
(২)কামরুপে দখল:::::::::::::::::
কামরুপে রাজ্যের অংশবিশেষ পাল সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল। জানা যায়, রামপালের কোন এক সামন্ত রাজা কামরুপ জয় করে ফিরে আসলে রামপাল তাকে বহু সম্মানদান করেন।
(৩)উৎকল /উড়িষ্যা রাজ্য জয়:::::::::::::::::
উৎকল রাজ্য বর্তমান উড়িষ্যা আবস্থতিত। কলিঙ্গরাজা দেবেন্দ্রবর্মণ উড়িষ্যার িএকটা অংশ দখল করে নিযেছিলেন। রামপালের আশংকা হলো কলিঙ্গরাজ দেবন্দ্রবর্মণ সমগ্র উৎকর দখল করে নিলে পাল সাম্র্রাজ্য তথা বাংলা আঞ্চলের জন্য সমূহ আশঙ্কা তৈরি হবে। এমতাবস্থায় ,রামপাল রাঢ় দেশের সামন্ত গনের সাহায্যে উৎকলরাজ কর্ণকেশরীকে বিতাড়িত করে নিজের অনুগত ব্যক্তি সোমভম্ম কেশরীকে উৎকল সিংহাসনে বসান।এদিকে কলিঙ্গ রাজ অনন্তবর্মা উৎকল রাজা কর্নকেশরীকে আশ্রয় দেন। কলিঙ্গরাজ অন্তবর্মা উৎকল দখল করার চেষ্টা করেন।ফলে অনন্তবর্মা রামপালের মধ্যে উৎকলের আধিপত্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে যুদ্ধে অব্যাহত থাকে ।রামচরিত থেকে জানা যায়-অনন্তবর্মা রামপাল-এর কাছ থেকে উৎকল দখল করতে পারে নি।সুতরাং রামপাল- এর মৃত্যুর পর অনন্তবর্মা উৎকল দখল করেন।
(৪)কর্ণাটদের প্রতিহতকরণ::::::::::::::
রামপালের রাজত্বকালে কর্নাট রাজ্যের অনেক যোদ্ধা দেশ ত্যাগ করে ভারতে স্বাধীন রাজ্য স্থাপনে মনোনিবেশ করে। কর্নাট বীর নান্যদেব এবং সেন বংশীয় যোদ্ধারা বাংলার প্রতি আগ্রহী হয়ে পড়ে। রামপাল কর্নাট রাজাগনদের বরেন্দ্র দখলের যে ইচ্ছাকে বাস্তবায়িত হতে দেন নি।রামপাল তাদের আক্রমণকে প্রতিহত করে নিজ রাজ্য সুসংহত রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন। অতঃপর রামপালের মৃত্যুর পর কর্নাট বংশের সেন বংশ এদেশে আধিপত্য বিস্তার লাভ করে।
(৫)গাহড়বালদের আক্রমণ হতে রামপালের রাজ্য রক্ষা::::::::::::::::
রাজা চন্দ্রদেব ছিলেন গাহড়বাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা।রামপালের রাজত্ব কালে গাহড়বাল রাজা গোবিন্দচন্দের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছিল। তবে এতে রামপালের কোন ক্ষতি হয় নি।ধারণা করা হয়ে যে-রামপালের মামা রাষ্ট্রকূট অধিপতি মহনদেব তার দৌহিত্রী সঙ্গে গাহড়বাল রাজা গোবিন্দ চন্দ্রের বিয়ে দিয়ে আত্মীয়তার বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন।ফলে গাড়বাল রাজা রামপালের ভাগ্নি জামাই সূত্রে নিজ দেশকে রক্ষ করার একটি কৌশল তৈরি করতে সক্ষম হয়েছিলেন।সন্ধ্যাকর নন্দী “রামচরিত” কাব্য রামপাল এর মৃত্যু সম্পর্কে একটি শ্লোক উল্লেখ করেছেন যে রামপাল বৃদ্ধ বয়েসে তার মামা মহনদেব এর মৃত্যু সংবাদ শোনে তিনি শোকবিষ্ট হয়ে পড়েন যে,শেষ পর্যন্ত পুত্রের হাতে সিংহাসন ছেড়ে দিয়ে গঙ্গাগর্ভে প্রাণ বিসর্জন দেন।তার মৃত্যুর সাথে সাথে পাল বংশের গৌরবজনক একটি অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি হয়।
#কুমার পাল(১১২৪-১১২৯):::::::::::::::::::
রামপালের মৃত্যুর পর তার পুত্র কুমার পাল সিংহাসন আরোহণ করেন।রামপাল মৃত্যুর পর তার চার পুত্র মধ্যে সিংহাসন নিয়ে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। ধারণা করা হয়, পিতা মৃত্যুর পর বল প্রয়োগ করে  উপযুক্ত ভাইদের সরিয়ে দিয়ে অথবা উচ্চপদস্থ কর্মচারীদের সাথে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে কুমারপাল সিংহাসন আরোহণ করেছিলেন।
কুমারপাল রাজত্বকালে পাল বংশ অনেক দুর্বল হয়ে পড়ে। দাক্ষিণত্যের চালুক্যরাজগন বরেন্দ্র আক্রমণ করে। কর্নাট ও সেন বংশের যোদ্ধরা বরেন্দ্র আক্রমণ করেন। এছাড়াও কুমার পাল রাজত্ব কালে গাহড়বাল রাজাগন বরেন্দ্র আক্রমণ করে। ফলে কুমার পাল সময় পাল বংশের গৌরব রবি অনেকাংশেই অস্তমিত হয়ে গিয়েছিল। 

FOR MORE CLICK HERE

স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস মাদার্স পাবলিকেশন্স
আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস ১ম পর্ব
আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস
আমেরিকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাস
বাংলাদেশের ইতিহাস মধ্যযুগ
ভারতে মুসলমানদের ইতিহাস
মুঘল রাজবংশের ইতিহাস
সমাজবিজ্ঞান পরিচিতি
ভূগোল ও পরিবেশ পরিচিতি
অনার্স রাষ্ট্রবিজ্ঞান প্রথম বর্ষ
পৌরনীতি ও সুশাসন
অর্থনীতি
অনার্স ইসলামিক স্টাডিজ প্রথম বর্ষ থেকে চতুর্থ বর্ষ পর্যন্ত
অনার্স দর্শন পরিচিতি প্রথম বর্ষ থেকে চতুর্থ বর্ষ পর্যন্ত

Copyright © Quality Can Do Soft.
Designed and developed by Sohel Rana, Assistant Professor, Kumudini Government College, Tangail. Email: [email protected]