তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মৌলিক উপাদানগুলো বর্ণনা কর
তথ্য প্রযুক্তিতে বর্তমানে যে সব মৌলিক উপাদান ব্যবহৃত হচ্ছে সেগুলো হলো কম্পিউটার, নেটওর্য়াক ব্যবস্থা,
আধুনিক টেলিযোগাযোগ, ইন্টারনেট, ই-মেইল, অডিও ভিডিও, মাইক্রোওয়েভ, স্যাটেলাইট, টেলিভিশন,
মোবাইল ফোন, টেলেক্স, ফ্যাক্স ইত্যাদি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি নিচে আলোচনা করা হলো১.৪.১ কম্পিউটার
ল্যাটিন শব্দ ঈড়সঢ়ঁঃধৎব থেকে ইংরেজি ঈড়সঢ়ঁঃবৎ শব্দটির উৎপত্তি। ঈড়সঢ়ঁঃবৎ শব্দটির আভিধানিক অর্থ গণনাযন্ত্র বা
হিসাবকারী যন্ত্র। পূর্বে কম্পিউটার দিয়ে শুধুমাত্র হিসাব-নিকাশের কাজই করা হতো। কিন্তু বর্তমান অত্যাধুনিক কম্পিউটার
দিয়ে অত্যন্ত দ্রæতগতিতে জটিল হিসাব-নিকাশের কাজ নির্ভুলভাবে করা ছাড়াও বহু রকমের কাজ করা যায়। কম্পিউটার
সেকেন্ডের মধ্যে কোটি কোটি হিসাব-নিকাশ করতে পারে। কম্পিউটারে কাজ করার গতি হিসাব করা হয় সাধারণত
ন্যানোসেকেন্ড এ। ন্যানোসেকেন্ড হচ্ছে এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের একভাগ সময় মাত্র। ইলেকট্রন প্রবাহের মাধ্যমে কম্পিউটারের যাবতীয় কাজকর্ম পরিচালিত হয়। মূলত কম্পিউটার একটি অত্যাধুনিক ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্র, যা নিজস্ব স্মৃতিভাÐারে সুনির্দিষ্ট এক বা একাধিক কাজের নিদের্শাবলি
সংরক্ষণ করে রাখে। ব্যবহারকারী ডাটা বা উপাত্ত সরবরাহ করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটার প্রক্রিয়াকরণ (প্রসেসিং) করে কাজের ফলাফল প্রদান করে।
১.৪.২ ইন্টারনেট
ইন্টারনেট শব্দটির পূর্ণরূপ হলো ইন্টারকানেকটেড নেটওয়ার্ক Inter Conntected Networks) । অন্য কথায় নেটওয়ার্কের নেটওয়ার্কই হলো ইন্টারনেট। বর্তমান বিশ্বে কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং প্রক্রিয়া একমাত্র আধিপত্য বিস্তারকারী মাধ্যমটির নাম ইন্টারনেট (Inernet)|
ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রাপ্ত সুযোগ সুবিধা
ইন্টারনেটের মাধ্যমে যেসব সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যায় সেগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় হলো
১. ইন্টারনেটে যুক্ত হয়ে কাক্সিক্ষত তথ্যের নাম লিখে সার্চ করলেই তথ্যগুলো প্রদর্শিত হয়।
২. ইন্টারনেটের মাধ্যমে মুহূর্তেই বিশ্বর যে কোন প্রান্তে ই-মেইল করে তথ্য আদান-প্রদান করা যায়।
৩. ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফ্যাক্স সুবিধা পাওয়া যায়।
৪. ঠঙওচ এর মাধ্যমে প্রচলিত ফোনের চাইতে খুব কম খরচে বিশ্বর যে কোন প্রান্তে কথা বলা যায়।
৫. ইন্টারনেট টিভি ও ইন্টারনেট রেডিও চালুর ফলে ঘরে বসেই কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের টেলিভিশন ও রেডিও চ্যানেলের অনুষ্ঠান উপভোগ করা যায়।
৬. বিভিন্ন ধরনের সফ্টওয়্যার, ফ্রিওয়্যার, বিনোদন উপকরণ ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করে সংগ্রহ করা যায়।
৭. ঘরে বসেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পত্রপত্রিকা পড়া যায়।
৮. ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-কমার্সের সাহায্যে ঘরে বসেই পণ্য কেনা যায়।
৯. ঘরে বসেই বিশ্বের নামকরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষা গ্রহণ করা যায়।
১০. ইয়াহু মেসেঞ্জার, গুগল টক, স্কাইপি ইত্যাদি ইন্সট্যান্ট মেসেঞ্জারের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে বিশ্বের যে কোন প্রান্তে
থাকা যে কোন ব্যক্তির সাথে টেক্সট ও ভিডিও শেয়ার করা যায়।
১১. অনলাইনে চিকিৎসা সেবা নেয়া যায়; ইত্যাদি।
১.৪.৩ ই-মেইল
ই-মেইল হলো কম্পিউটর নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান ব্যবস্থা।
লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সীমিত স্থানের মধ্যে এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে সারা বিশ্বের যে কোন স্থানে ই- মেইল পাঠানো যায়।
বিভিন্ন ই-মেইল প্রোগ্রাম ব্যবহার করে মেইল পাঠানো যায়। ই-মেইল প্রোগ্রামে ঢুকে বার্তা টাইপ করে প্রাপকের ঠিকানা
নির্দিষ্ট করে পাঠানো (ঝবহফ) নির্দেশ দিলে ই-মেইল তথ্য সরাসরি প্রাপকের কম্পিউটারে না গিয়ে তার টার্মিনাল বা
ওয়ার্কস্টেশন বা সার্ভারে গিয়ে জমা হয়। প্রাপক তার নামে কোন মেইল এসেছে কিনা তা অনুসন্ধানের নির্দেশ দিলে
টার্মিনাল থেকে প্রাপকের কম্পিউটারে মেইলটি চলে আসে। একটি মেইল একই সঙ্গে অনেকের নিকট পাঠানো যায়। অন্য
প্রোগ্রামে করা (যেমন, এমএস-ওয়ার্ড) ফাইলকে ই-মেইলের সাথে যুক্ত করে পাঠানো যায়। একে ফাইল এটাচমেন্ট হয়। এটাচমেন্ট করে ভিডিও এবং অডিও ফাইলও পাঠানো যায়।
সারসংক্ষেপ
দিন দিন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারের ক্ষেত্র এবং পরিধি বেড়েই চলেছে। বর্তমানে যোগাযোগ, কর্মসংস্থান,
শিক্ষা, চিকিৎসা, গবেষণা, অফিস, বাসস্থান, ব্যবসায়-বাণিজ্য, সংবাদ, বিনোদন ও সামাজিক যোগাযোগ, সাংস্কতিক
বিনিময়, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি, রোবট্রিক্স, মহাকাশ অভিযান, প্রতিরক্ষা ইত্যাদি বহুবিধ ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করা যায়। তথ্য প্রযুক্তিতে বর্তমানে যে সব মৌলিক উপাদান ব্যবহৃত হচ্ছে সেগুলো হলো- কম্পিউটার, নেটওর্য়াক ব্যবস্থা, আধুনিক টেলিযোগাযোগ,ইন্টারনেট, ই-মেইল, অডিও ভিডিও, মাইক্রোওয়েভ, স্যাটেলাইট, টেলিভিশন, মোবাইল ফোন, টেলেক্স, ফ্যাক্স ইত্যাদি।
পাঠোত্তর মূল্যায়ন-১.৪
সঠিক উত্তরের পাশে টিক () চিহ্ন দিন
১। কোনটি কম্পিউটারের কার্যনীতির অংশ ?
ক) ইনপুট খ) প্রক্রিয়াকরণ
গ) আউটপুট ঘ) উপরের সবগুলো
২। এক ন্যানোমিটার সমান কত মিটার?
ক. ১০-৩
খ. ১০-৬
গ. ১০-৯
ঘ. ১০-১২
সৃজনশীল প্রশ্ন
১। নিচের উদ্দীপকটি পড়–ন এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দিন ঃ
মইন সাহেব একটি সরকারি দপ্তরে চাকুরি করেন। তিনি সরকারি নির্দেশনা ও তথ্য আদানপ্রাদানের জন্য ইন্টারনেট
ব্যবহার করেন এবং কোন সভা বা সেমিনারে অফিসে কর্মরত সকলকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে বার্তা প্রেরণ করে আমন্ত্রণ
করেন।
ক. ই-মেইল কী? ১
খ. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বলতে কী বুঝায়। ২
গ. মইন সাহেবের বার্তা প্রেরণের পদ্ধতিটি ব্যাখ্যা করুন। ৩
ঘ. মইন সাহেবের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার কোন ধরনের কর্মকান্ড? বিশ্লেষণ করুন। ৪
উত্তরমালা :
পাঠ - ১.৪ ১ ঘ ২ গ
আধুনিক টেলিযোগাযোগ, ইন্টারনেট, ই-মেইল, অডিও ভিডিও, মাইক্রোওয়েভ, স্যাটেলাইট, টেলিভিশন,
মোবাইল ফোন, টেলেক্স, ফ্যাক্স ইত্যাদি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি নিচে আলোচনা করা হলো১.৪.১ কম্পিউটার
ল্যাটিন শব্দ ঈড়সঢ়ঁঃধৎব থেকে ইংরেজি ঈড়সঢ়ঁঃবৎ শব্দটির উৎপত্তি। ঈড়সঢ়ঁঃবৎ শব্দটির আভিধানিক অর্থ গণনাযন্ত্র বা
হিসাবকারী যন্ত্র। পূর্বে কম্পিউটার দিয়ে শুধুমাত্র হিসাব-নিকাশের কাজই করা হতো। কিন্তু বর্তমান অত্যাধুনিক কম্পিউটার
দিয়ে অত্যন্ত দ্রæতগতিতে জটিল হিসাব-নিকাশের কাজ নির্ভুলভাবে করা ছাড়াও বহু রকমের কাজ করা যায়। কম্পিউটার
সেকেন্ডের মধ্যে কোটি কোটি হিসাব-নিকাশ করতে পারে। কম্পিউটারে কাজ করার গতি হিসাব করা হয় সাধারণত
ন্যানোসেকেন্ড এ। ন্যানোসেকেন্ড হচ্ছে এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের একভাগ সময় মাত্র। ইলেকট্রন প্রবাহের মাধ্যমে কম্পিউটারের যাবতীয় কাজকর্ম পরিচালিত হয়। মূলত কম্পিউটার একটি অত্যাধুনিক ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্র, যা নিজস্ব স্মৃতিভাÐারে সুনির্দিষ্ট এক বা একাধিক কাজের নিদের্শাবলি
সংরক্ষণ করে রাখে। ব্যবহারকারী ডাটা বা উপাত্ত সরবরাহ করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটার প্রক্রিয়াকরণ (প্রসেসিং) করে কাজের ফলাফল প্রদান করে।
১.৪.২ ইন্টারনেট
ইন্টারনেট শব্দটির পূর্ণরূপ হলো ইন্টারকানেকটেড নেটওয়ার্ক Inter Conntected Networks) । অন্য কথায় নেটওয়ার্কের নেটওয়ার্কই হলো ইন্টারনেট। বর্তমান বিশ্বে কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং প্রক্রিয়া একমাত্র আধিপত্য বিস্তারকারী মাধ্যমটির নাম ইন্টারনেট (Inernet)|
ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রাপ্ত সুযোগ সুবিধা
ইন্টারনেটের মাধ্যমে যেসব সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যায় সেগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় হলো
১. ইন্টারনেটে যুক্ত হয়ে কাক্সিক্ষত তথ্যের নাম লিখে সার্চ করলেই তথ্যগুলো প্রদর্শিত হয়।
২. ইন্টারনেটের মাধ্যমে মুহূর্তেই বিশ্বর যে কোন প্রান্তে ই-মেইল করে তথ্য আদান-প্রদান করা যায়।
৩. ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফ্যাক্স সুবিধা পাওয়া যায়।
৪. ঠঙওচ এর মাধ্যমে প্রচলিত ফোনের চাইতে খুব কম খরচে বিশ্বর যে কোন প্রান্তে কথা বলা যায়।
৫. ইন্টারনেট টিভি ও ইন্টারনেট রেডিও চালুর ফলে ঘরে বসেই কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের টেলিভিশন ও রেডিও চ্যানেলের অনুষ্ঠান উপভোগ করা যায়।
৬. বিভিন্ন ধরনের সফ্টওয়্যার, ফ্রিওয়্যার, বিনোদন উপকরণ ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করে সংগ্রহ করা যায়।
৭. ঘরে বসেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পত্রপত্রিকা পড়া যায়।
৮. ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-কমার্সের সাহায্যে ঘরে বসেই পণ্য কেনা যায়।
৯. ঘরে বসেই বিশ্বের নামকরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষা গ্রহণ করা যায়।
১০. ইয়াহু মেসেঞ্জার, গুগল টক, স্কাইপি ইত্যাদি ইন্সট্যান্ট মেসেঞ্জারের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে বিশ্বের যে কোন প্রান্তে
থাকা যে কোন ব্যক্তির সাথে টেক্সট ও ভিডিও শেয়ার করা যায়।
১১. অনলাইনে চিকিৎসা সেবা নেয়া যায়; ইত্যাদি।
১.৪.৩ ই-মেইল
ই-মেইল হলো কম্পিউটর নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান ব্যবস্থা।
লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সীমিত স্থানের মধ্যে এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে সারা বিশ্বের যে কোন স্থানে ই- মেইল পাঠানো যায়।
বিভিন্ন ই-মেইল প্রোগ্রাম ব্যবহার করে মেইল পাঠানো যায়। ই-মেইল প্রোগ্রামে ঢুকে বার্তা টাইপ করে প্রাপকের ঠিকানা
নির্দিষ্ট করে পাঠানো (ঝবহফ) নির্দেশ দিলে ই-মেইল তথ্য সরাসরি প্রাপকের কম্পিউটারে না গিয়ে তার টার্মিনাল বা
ওয়ার্কস্টেশন বা সার্ভারে গিয়ে জমা হয়। প্রাপক তার নামে কোন মেইল এসেছে কিনা তা অনুসন্ধানের নির্দেশ দিলে
টার্মিনাল থেকে প্রাপকের কম্পিউটারে মেইলটি চলে আসে। একটি মেইল একই সঙ্গে অনেকের নিকট পাঠানো যায়। অন্য
প্রোগ্রামে করা (যেমন, এমএস-ওয়ার্ড) ফাইলকে ই-মেইলের সাথে যুক্ত করে পাঠানো যায়। একে ফাইল এটাচমেন্ট হয়। এটাচমেন্ট করে ভিডিও এবং অডিও ফাইলও পাঠানো যায়।
সারসংক্ষেপ
দিন দিন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারের ক্ষেত্র এবং পরিধি বেড়েই চলেছে। বর্তমানে যোগাযোগ, কর্মসংস্থান,
শিক্ষা, চিকিৎসা, গবেষণা, অফিস, বাসস্থান, ব্যবসায়-বাণিজ্য, সংবাদ, বিনোদন ও সামাজিক যোগাযোগ, সাংস্কতিক
বিনিময়, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি, রোবট্রিক্স, মহাকাশ অভিযান, প্রতিরক্ষা ইত্যাদি বহুবিধ ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করা যায়। তথ্য প্রযুক্তিতে বর্তমানে যে সব মৌলিক উপাদান ব্যবহৃত হচ্ছে সেগুলো হলো- কম্পিউটার, নেটওর্য়াক ব্যবস্থা, আধুনিক টেলিযোগাযোগ,ইন্টারনেট, ই-মেইল, অডিও ভিডিও, মাইক্রোওয়েভ, স্যাটেলাইট, টেলিভিশন, মোবাইল ফোন, টেলেক্স, ফ্যাক্স ইত্যাদি।
পাঠোত্তর মূল্যায়ন-১.৪
সঠিক উত্তরের পাশে টিক () চিহ্ন দিন
১। কোনটি কম্পিউটারের কার্যনীতির অংশ ?
ক) ইনপুট খ) প্রক্রিয়াকরণ
গ) আউটপুট ঘ) উপরের সবগুলো
২। এক ন্যানোমিটার সমান কত মিটার?
ক. ১০-৩
খ. ১০-৬
গ. ১০-৯
ঘ. ১০-১২
সৃজনশীল প্রশ্ন
১। নিচের উদ্দীপকটি পড়–ন এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দিন ঃ
মইন সাহেব একটি সরকারি দপ্তরে চাকুরি করেন। তিনি সরকারি নির্দেশনা ও তথ্য আদানপ্রাদানের জন্য ইন্টারনেট
ব্যবহার করেন এবং কোন সভা বা সেমিনারে অফিসে কর্মরত সকলকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে বার্তা প্রেরণ করে আমন্ত্রণ
করেন।
ক. ই-মেইল কী? ১
খ. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বলতে কী বুঝায়। ২
গ. মইন সাহেবের বার্তা প্রেরণের পদ্ধতিটি ব্যাখ্যা করুন। ৩
ঘ. মইন সাহেবের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার কোন ধরনের কর্মকান্ড? বিশ্লেষণ করুন। ৪
উত্তরমালা :
পাঠ - ১.৪ ১ ঘ ২ গ