কর্পোরেট ডাটাবেজের ব্যাখ্যা কর সরকারি প্রতিষ্ঠানের ডাটাবেজ এবং এর ব্যবহার বর্ণনা কর
কর্পোরেট ডাটাবেজ
কর্পোরেট ডাটাবেজ হচ্ছে কোনো শিল্প/প্রতিষ্ঠানের শুরু থেকে বর্তমান পর্যন্ত সকল ধরনের উদ্যোগ ও কাজ
সম্পর্কিত তথ্য। এতে কোনো ব্যবসায়ের সমস্ত কার্যকলাপের তথ্য থাকে। এখানে প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস সম্পর্কিত তথ্যও থাকে। বড় বড় ব্যাংক, শিল্প-কলকারখানা, সরকারে-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আন্ত:যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য এক ধরনের
ডাটাবেজ সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে। এ ধরনের ডাটাবেজ সফ্টওয়্যারকে কর্পোরেট ডাটাবেজ বলে। কর্পোরেট ডাটাবেজ
নেটওয়ার্ক ভিত্তিক হয়ে থাকে। ফলে সহজে প্রধান সার্ভার ডাটাবেজের সাথে সাব-অফিসগুলো যোগাযোগ রক্ষা করতে পারে।
কর্পোরেট ডাটাবেজের ব্যবহার
বিভিন্ন কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান যেমন শিল্প-কারখানায় উৎপাদন, মজুদ পরিমাণ, স্টোর ইত্যাদি বিশ্লেষণের জন্য এ
ধরনের ডাটাবেজ ব্যবহার করা হয়।
কলকারখানায় আয়-ব্যয় হিসেবের জন্যও ব্যবহার করা হয়।
কলকারখানায় চাহিদা-অর্ডার বিশ্লেষণের জন্য ।
বিভিন্ন দেশের বিমানের রির্জাভেশন ও সিডিউলিং ইত্যাদির তৈরির ক্ষেত্রে ।
কৃষি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য সংরক্ষণের জন্য; ইত্যাদি।
১০.৭.২ সরকারি প্রতিষ্ঠানে ডাটাবেজ
শক্তিশালী সরকার পরিচালনায় ডাটাবেজ ব্যবহার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। সরকারের অনেক মন্ত্রণালয় থাকে। এসব
মন্ত্রণালয় যাবতীয় কাজ ডাটাবেজ দ্বারা পরিচালনা করলে দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। এছাড়া তথ্য ব্যবস্থাপনাও অনেক
সহজ ও সুন্দর হবে। আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির ব্যাংক এবং অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানে ব্যাপকভাবে ডাটাবেজ ব্যবহার করা হয়।
বর্তমানে আমাদের দেশও অনেক ব্যাংক অন লাইন ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনা চালু করায় ডাটাবেজ ব্যবহারের গুরুত্ব বেড়েছে।
অন লাইন ব্যাংকিং ব্যবস্থায় যে কেউ যে কোনো শাখা থেকে ATM (Automated Teller Machine) বুথের মাধ্যমে টাকা
লেনদেন করতে পারছে।
১০.৭.৩ সরকারি প্রতিষ্ঠানে ডাটাবেজের ব্যবহার:
সাধারণত সরকারি প্রতিষ্ঠানে যে সব কাজে ডাটাবেজ ব্যবহার করা হয় তা হলো-
তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করে নাগরিকদের ভোটার আইডি সংরক্ষণে।
শিক্ষার হার, পাসের হার ইত্যাদি সংরক্ষণে।
ভূমি জরিপ ও নানা ধরনের রেকর্ড সংরক্ষণে।
দুর্ঘটনার জরিপ সংরক্ষণে।
জন্মহার ও মৃত্যুহার রেকর্ড সংরক্ষণে।
জেলা বা থানার বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণে।
আয়কর, আমদানি, রপ্তানির হিসাব ইত্যাদি সংরক্ষণে।
আদমশুমারি ও কৃষিশুমারির তথ্য সংরক্ষণে।
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার তথ্য সংরক্ষণে; ইত্যাদি।
সারসংক্ষেপ
কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান বলতে মূলত বড় বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান যেমন-ব্যাংক, বীমা, মোবাইল কোম্পানি, সরকারি-
বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইত্যাদিকে বোঝানো হয়। কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং বা ইন্টারনেট ভিত্তিক ব্যবস্থায় বড় বড়
প্রতিষ্ঠান তাদের কেন্দ্রিয় অফিসের সাথে শাখা অফিসসমূহের সমন্বয়, বিভিন্ন ব্যবসায়িক কাজকর্ম এবং ডাটা আদান
প্রদানের জন্য যে বিশেষ ডাটাবেজ সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে তাকে কর্পোরেট ডাটাবেজ বলে। কর্পোরেট পর্যায়ের
ডাটাবেজ তৈরির জন্য ব্যবহৃত জনপ্রিয় ডাটাবেজ সফ্টওয়্যারগুলো মধ্যে উল্ল্যেযোগ্য হলো: Oracle, SQl Server, MySQL, Teradata, FileMaker, MS-Access, Informix ইত্যাদি।
পাঠোত্তর মূল্যায়ন-১০.৭
সঠিক উত্তরের পাশে টিক () চিহ্ন দিন
১। কর্পোরেট ডাটাবেজ এর ব্যবহার কোথায়?
ক) শিল্প-কারখানা খ) কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান
গ) কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন ঘ) সবগুলোই
২। সরকারি প্রতিষ্ঠানে ডাটাবেজ এর ব্যবহার হতে পারের. ভূমি জরিপে
রর. আদমশুমারিতে
ররর. কৃষিশুমারিতে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. র ও রর খ. র ও ররর
গ. রর ও ররর ঘ. র, রর ও ররর
কর্পোরেট ডাটাবেজ হচ্ছে কোনো শিল্প/প্রতিষ্ঠানের শুরু থেকে বর্তমান পর্যন্ত সকল ধরনের উদ্যোগ ও কাজ
সম্পর্কিত তথ্য। এতে কোনো ব্যবসায়ের সমস্ত কার্যকলাপের তথ্য থাকে। এখানে প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস সম্পর্কিত তথ্যও থাকে। বড় বড় ব্যাংক, শিল্প-কলকারখানা, সরকারে-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আন্ত:যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য এক ধরনের
ডাটাবেজ সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে। এ ধরনের ডাটাবেজ সফ্টওয়্যারকে কর্পোরেট ডাটাবেজ বলে। কর্পোরেট ডাটাবেজ
নেটওয়ার্ক ভিত্তিক হয়ে থাকে। ফলে সহজে প্রধান সার্ভার ডাটাবেজের সাথে সাব-অফিসগুলো যোগাযোগ রক্ষা করতে পারে।
কর্পোরেট ডাটাবেজের ব্যবহার
বিভিন্ন কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান যেমন শিল্প-কারখানায় উৎপাদন, মজুদ পরিমাণ, স্টোর ইত্যাদি বিশ্লেষণের জন্য এ
ধরনের ডাটাবেজ ব্যবহার করা হয়।
কলকারখানায় আয়-ব্যয় হিসেবের জন্যও ব্যবহার করা হয়।
কলকারখানায় চাহিদা-অর্ডার বিশ্লেষণের জন্য ।
বিভিন্ন দেশের বিমানের রির্জাভেশন ও সিডিউলিং ইত্যাদির তৈরির ক্ষেত্রে ।
কৃষি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য সংরক্ষণের জন্য; ইত্যাদি।
১০.৭.২ সরকারি প্রতিষ্ঠানে ডাটাবেজ
শক্তিশালী সরকার পরিচালনায় ডাটাবেজ ব্যবহার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। সরকারের অনেক মন্ত্রণালয় থাকে। এসব
মন্ত্রণালয় যাবতীয় কাজ ডাটাবেজ দ্বারা পরিচালনা করলে দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। এছাড়া তথ্য ব্যবস্থাপনাও অনেক
সহজ ও সুন্দর হবে। আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির ব্যাংক এবং অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানে ব্যাপকভাবে ডাটাবেজ ব্যবহার করা হয়।
বর্তমানে আমাদের দেশও অনেক ব্যাংক অন লাইন ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনা চালু করায় ডাটাবেজ ব্যবহারের গুরুত্ব বেড়েছে।
অন লাইন ব্যাংকিং ব্যবস্থায় যে কেউ যে কোনো শাখা থেকে ATM (Automated Teller Machine) বুথের মাধ্যমে টাকা
লেনদেন করতে পারছে।
১০.৭.৩ সরকারি প্রতিষ্ঠানে ডাটাবেজের ব্যবহার:
সাধারণত সরকারি প্রতিষ্ঠানে যে সব কাজে ডাটাবেজ ব্যবহার করা হয় তা হলো-
তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করে নাগরিকদের ভোটার আইডি সংরক্ষণে।
শিক্ষার হার, পাসের হার ইত্যাদি সংরক্ষণে।
ভূমি জরিপ ও নানা ধরনের রেকর্ড সংরক্ষণে।
দুর্ঘটনার জরিপ সংরক্ষণে।
জন্মহার ও মৃত্যুহার রেকর্ড সংরক্ষণে।
জেলা বা থানার বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণে।
আয়কর, আমদানি, রপ্তানির হিসাব ইত্যাদি সংরক্ষণে।
আদমশুমারি ও কৃষিশুমারির তথ্য সংরক্ষণে।
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার তথ্য সংরক্ষণে; ইত্যাদি।
সারসংক্ষেপ
কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান বলতে মূলত বড় বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান যেমন-ব্যাংক, বীমা, মোবাইল কোম্পানি, সরকারি-
বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইত্যাদিকে বোঝানো হয়। কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং বা ইন্টারনেট ভিত্তিক ব্যবস্থায় বড় বড়
প্রতিষ্ঠান তাদের কেন্দ্রিয় অফিসের সাথে শাখা অফিসসমূহের সমন্বয়, বিভিন্ন ব্যবসায়িক কাজকর্ম এবং ডাটা আদান
প্রদানের জন্য যে বিশেষ ডাটাবেজ সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে তাকে কর্পোরেট ডাটাবেজ বলে। কর্পোরেট পর্যায়ের
ডাটাবেজ তৈরির জন্য ব্যবহৃত জনপ্রিয় ডাটাবেজ সফ্টওয়্যারগুলো মধ্যে উল্ল্যেযোগ্য হলো: Oracle, SQl Server, MySQL, Teradata, FileMaker, MS-Access, Informix ইত্যাদি।
পাঠোত্তর মূল্যায়ন-১০.৭
সঠিক উত্তরের পাশে টিক () চিহ্ন দিন
১। কর্পোরেট ডাটাবেজ এর ব্যবহার কোথায়?
ক) শিল্প-কারখানা খ) কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান
গ) কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন ঘ) সবগুলোই
২। সরকারি প্রতিষ্ঠানে ডাটাবেজ এর ব্যবহার হতে পারের. ভূমি জরিপে
রর. আদমশুমারিতে
ররর. কৃষিশুমারিতে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. র ও রর খ. র ও ররর
গ. রর ও ররর ঘ. র, রর ও ররর