সুলতানি বাংলায় হাবশি শাসকদের উত্থান ও প্রাথমিক কর্মকাÐ সম্পর্কে জানতে পারবেন;
মূখ্য শব্দ হাবশি, সুলতান শাহজাদা, উজির, সৈয়দ ও হোসেন
বাংলার ইতিহাসে খুবই স্বল্প সময়ের শাসন হিসেবে পরিচিতি পেলেও হাবশি শাসন একটি কৌতুহলোদ্দীপক
অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়। মাত্র ছয় বছরের এই সময়কালে চারজন সুলতান বাংলা শাসন করেছেন, যাদের
প্রত্যেকেই পূর্বসুরীকে হত্যা করে ক্ষমতায় এসেছেন এবং ষড়যন্ত্রকারী উত্তরসূরীর হাতেই নিহত হয়েছেন। তবে তা সত্তে¡ও
এ সময়ে বাংলার সীমানা সংকুচিত হয়নি এবং শাসকরা জনকল্যাণকামী ছিলেন।
হাবশিদের পরিচয়
পরবর্তী ইলিয়াস শাহী সুলতান বা মাহমুদ শাহী সুলতান রুকনুদ্দিন বরবক শাহ অনেক সংখ্যক ইথিওপিয়ান দাসকে বাংলায়
নিয়ে এসেছিলেন যারা পরবর্তীকালে নিজ যোগ্যতাবলে অনেক শক্তিশালী হয়ে উঠেছিলেন। সুলতান রুকনুদ্দিন বরবক-এর
মৃত্যুর পর এ দাসদের মধ্যে ক্ষমতার দ্ব›দ্ব শুরু হয় এবং গিয়াসুদ্দিন বারবক শাহ তাঁর মালিককে হত্যা করে প্রথম হাবশি
শাসক হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। এ সুলতানগণ প্রাথমিক জীবনে দাস ছিলেন বলে তাঁদের ব্যঙ্গার্থে হাবশি বলে
অভিহিত করা হয়। মূলত হাবশি আমল বলতে মাহমুদ শাহী সুলতান জালালুদ্দিন ফতেহ শাহের পরে বাংলা শাসনকৃত
গিয়াসুদ্দিন বারবক শাহ বা ‘‘সুলতান শাহজাদা”, ফিরোজ শাহ, মাহমুদ শাহ এবং মুজাফ্ফর শাহের শাসনকালকে বোঝানো হয়।
গিয়াসুদ্দিন বারবক শাহ বা ‘‘সুলতান শাহজাদা” (১৪৮৭ খ্রি.)
সুলতান গিয়াসুদ্দিন বারবক শাহ প্রাথমিক যুগে মাহমুদ শাহী বংশের শাসক সুলতান রুকনুদ্দিন বরবক শাহের দাস ছিলেন।
এ সময় থেকে তিনি দরবারে প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন এবং পরবর্তীতে সুলতান ফতেহ শাহকে হত্যা করে গিয়াসুদ্দিন বারবক
শাহ উপাধি ধারণ করে ক্ষমতায় বসেন। তিনি হাবশি বংশোদ্ভুতদের নানা রাজপদে নিয়োগ দেন। তিনি তাঁকে ক্ষমতায়
আসীন হতে সাহায্যকারী শাহজাদা মালিক আন্দিলকে বন্দি করার জন্য কৌশলে ডেকে পাঠান বারবকের এ ছল বুঝতে
পেরে মালিক আদিল বারবককে হত্যার মনোবাঞ্ছা নিয়ে রাজধানীতে প্রবেশ করেন। এ সময় হাবশি অভিজাতগণও এই
শাসকের সিংহাসনে বসাকে ভাল ভাবে নেয়নি। এমতাবস্থায় অভিজাত শ্রেণি এ ষড়যন্ত্রে অংশ নেয় এবং পাইকদের
একত্রিত করে বারবককে হত্যা করে।
সাইফুদ্দিন ফিরোজ শাহ (১৪৮৭-১৪৯০ খ্রি.)
অভিজাতদের সহায়তায় সুলতান গিয়াসুদ্দিন বারবক শাহকে হত্যা করে মালিক আন্দিল গৌড়ের সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হন
এবং সাইফুদ্দিন ফিরোজ শাহ উপাধি গ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন কুশলি ও ন্যায়পরায়ণ তিনি উদারতার মাধ্যমে বাংলার
সার্বভৌম শাসক হয়েছিলেন। ফিরোজ শাহ যোগ্যতা ও দক্ষতার সাথে বাংলা শাসন করেন এবং শিল্প-সংস্কৃতির একজন
উদার পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। তিন বছর শাসন করার পর ১৪৯০ খ্রিস্টাব্দে এই শাসকের মৃত্যু হয়।
কুতুবউদ্দিন মাহমুদ শাহ (১৪৯০-১৪৯১ খ্রি.)
সাইফুদ্দিন ফিরোজ শাহের মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র কুতুবউদ্দিন মাহমুদ শাহ বাংলার শাসক হন। কুতুবউদ্দিন মাহমুদ শাহের
কোন শিলালিপি পাওয়া না যাওয়ায় তাঁর সম্পর্কে সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায় না। ১৪৯১ খ্রিস্টাব্দে এ শাসকের মৃত্যু হয় বলে জানা যায়।
শামসুদ্দিন মুজাফ্ফর শাহ (১৪৯১-১৪৯৩ খ্রি.)
কুতুবউদ্দিন মাহমুদ শাহের মৃত্যুর পর শামসুদ্দিন মুজাফ্ফর শাহ বাংলার শাসন ক্ষমতায় বসেন। তিনি স্বর্ণ মুদ্রা চালু
করেছিলেন। প্রায় সমগ্র উত্তরবঙ্গ তাঁর অধীনে ছিল। নৃশংসতা এবং অত্যাচারের কারণে তিনি জনগণের নিকট জনপ্রিয়
ছিলেন না। ফলে গৌড়ের অভিজাতরা তাঁর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে এবং এ বিদ্রোহে যুক্ত হন উজির সৈয়দ হোসেন। উজির
সৈয়দ হোসেন-এর নের্তৃত্বে মুজাফ্ফর শাহকে হত্যা করা হলে বাংলায় হাবশি শাসনের পতন ঘটে।
শিক্ষার্থীর কাজ হাবশিদের পতনের কারণসমূহ চিহ্নিত করুন।
সারসংক্ষেপ :
সুলতানি শাসনামলে বাংলায় মাত্র ৬ বছরের জন্য হাবশি শাসনের সূত্রপাত হলেও এঁদের ইতিহাস ছিল ষড়যন্ত্র,
অরাজকতা ও অবিশ^াসে পূর্ণ। মাত্র ৬ বছরে ৪ জন শাসকের শাসন থেকে এর প্রমাণ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে হোসেন
শাহী বংশের প্রতিষ্ঠাতা সুলতান হোসেন শাহের মাধ্যমে এ বংশের পতন হলে বাংলায় নতুন যুগের সূচনা হয়।
পাঠোত্তর মূল্যায়ন-৫.৬
১. হাবশি বংশের শাসকগণ কোন দেশ থেকে বাংলায় এসেছিলেন?
ক. আফগানিস্তান খ. তুর্কিস্থান গ. পারস্য ঘ. ইথিওপিয়া
২. হাবশি শাসকগণের মধ্যে কে সার্বভৌম শাসকের মর্যাদালাভ করেছিলেন?
ক. গিয়াসুদ্দিন বারবক শাহ খ. সাইফুদ্দিন ফিরোজ শাহ গ. কুতুবউদ্দিন মাহমুদ শাহ ঘ. শামসুদ্দিন মুজাফ্ফর শাহ
৩. কার হাতে হাবশি শাসনের পতন ঘটে?
ক. মালিক আন্দিল খ. শাহজাদা গ. উজির সৈয়দ হোসেন ঘ. বরবক শাহ
নুর-আলম ও নয়নের মধ্যে ইসলামের সাম্য ব্যবস্থা নিয়ে কথা হচ্ছিল। নুর-আলম বলেন, ইসলামের সাম্য নীতির কারণেই
সামান্য হাবশি জনগণও শাসক ও অভিজাত-এর মর্যাদা লাভ করেছে। নয়ন আরো সংযুক্ত করে যে, ইসলামের সাম্য নীতির
কারণেই মধ্যযুগে মিশরে মামলুকগণ এবং ভারতের দিল্লিতে দাসগণ শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতে পেরেছিল।
ক. ‘হাবশি’ শব্দের অর্থ কি? ১
খ. গিয়সউদ্দিন বারবক শাহ কিভাবে সুলতানি বাংলায় শাসন প্রতিষ্ঠা করতে সমর্থ হয়েছিল তা লিখুন। ২
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত হাবশিদের মত বাংলায় কোন হাবশি শাসকদের খুঁজে পাওয়া যায় কি-না? উক্ত হাবশিদের মধ্যকার
শ্রেষ্ঠ শাসকের শাসনামলের মূল্যায়ন করুন। ৩
ঘ. উক্ত হাবশি শাসনামলের কৃতিত্বপূর্ণ কার্যকলাপের স্বরূপ বিশ্লেষণ করুন। ৪
বাংলার ইতিহাসে খুবই স্বল্প সময়ের শাসন হিসেবে পরিচিতি পেলেও হাবশি শাসন একটি কৌতুহলোদ্দীপক
অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়। মাত্র ছয় বছরের এই সময়কালে চারজন সুলতান বাংলা শাসন করেছেন, যাদের
প্রত্যেকেই পূর্বসুরীকে হত্যা করে ক্ষমতায় এসেছেন এবং ষড়যন্ত্রকারী উত্তরসূরীর হাতেই নিহত হয়েছেন। তবে তা সত্তে¡ও
এ সময়ে বাংলার সীমানা সংকুচিত হয়নি এবং শাসকরা জনকল্যাণকামী ছিলেন।
হাবশিদের পরিচয়
পরবর্তী ইলিয়াস শাহী সুলতান বা মাহমুদ শাহী সুলতান রুকনুদ্দিন বরবক শাহ অনেক সংখ্যক ইথিওপিয়ান দাসকে বাংলায়
নিয়ে এসেছিলেন যারা পরবর্তীকালে নিজ যোগ্যতাবলে অনেক শক্তিশালী হয়ে উঠেছিলেন। সুলতান রুকনুদ্দিন বরবক-এর
মৃত্যুর পর এ দাসদের মধ্যে ক্ষমতার দ্ব›দ্ব শুরু হয় এবং গিয়াসুদ্দিন বারবক শাহ তাঁর মালিককে হত্যা করে প্রথম হাবশি
শাসক হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। এ সুলতানগণ প্রাথমিক জীবনে দাস ছিলেন বলে তাঁদের ব্যঙ্গার্থে হাবশি বলে
অভিহিত করা হয়। মূলত হাবশি আমল বলতে মাহমুদ শাহী সুলতান জালালুদ্দিন ফতেহ শাহের পরে বাংলা শাসনকৃত
গিয়াসুদ্দিন বারবক শাহ বা ‘‘সুলতান শাহজাদা”, ফিরোজ শাহ, মাহমুদ শাহ এবং মুজাফ্ফর শাহের শাসনকালকে বোঝানো হয়।
গিয়াসুদ্দিন বারবক শাহ বা ‘‘সুলতান শাহজাদা” (১৪৮৭ খ্রি.)
সুলতান গিয়াসুদ্দিন বারবক শাহ প্রাথমিক যুগে মাহমুদ শাহী বংশের শাসক সুলতান রুকনুদ্দিন বরবক শাহের দাস ছিলেন।
এ সময় থেকে তিনি দরবারে প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন এবং পরবর্তীতে সুলতান ফতেহ শাহকে হত্যা করে গিয়াসুদ্দিন বারবক
শাহ উপাধি ধারণ করে ক্ষমতায় বসেন। তিনি হাবশি বংশোদ্ভুতদের নানা রাজপদে নিয়োগ দেন। তিনি তাঁকে ক্ষমতায়
আসীন হতে সাহায্যকারী শাহজাদা মালিক আন্দিলকে বন্দি করার জন্য কৌশলে ডেকে পাঠান বারবকের এ ছল বুঝতে
পেরে মালিক আদিল বারবককে হত্যার মনোবাঞ্ছা নিয়ে রাজধানীতে প্রবেশ করেন। এ সময় হাবশি অভিজাতগণও এই
শাসকের সিংহাসনে বসাকে ভাল ভাবে নেয়নি। এমতাবস্থায় অভিজাত শ্রেণি এ ষড়যন্ত্রে অংশ নেয় এবং পাইকদের
একত্রিত করে বারবককে হত্যা করে।
সাইফুদ্দিন ফিরোজ শাহ (১৪৮৭-১৪৯০ খ্রি.)
অভিজাতদের সহায়তায় সুলতান গিয়াসুদ্দিন বারবক শাহকে হত্যা করে মালিক আন্দিল গৌড়ের সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হন
এবং সাইফুদ্দিন ফিরোজ শাহ উপাধি গ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন কুশলি ও ন্যায়পরায়ণ তিনি উদারতার মাধ্যমে বাংলার
সার্বভৌম শাসক হয়েছিলেন। ফিরোজ শাহ যোগ্যতা ও দক্ষতার সাথে বাংলা শাসন করেন এবং শিল্প-সংস্কৃতির একজন
উদার পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। তিন বছর শাসন করার পর ১৪৯০ খ্রিস্টাব্দে এই শাসকের মৃত্যু হয়।
কুতুবউদ্দিন মাহমুদ শাহ (১৪৯০-১৪৯১ খ্রি.)
সাইফুদ্দিন ফিরোজ শাহের মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র কুতুবউদ্দিন মাহমুদ শাহ বাংলার শাসক হন। কুতুবউদ্দিন মাহমুদ শাহের
কোন শিলালিপি পাওয়া না যাওয়ায় তাঁর সম্পর্কে সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায় না। ১৪৯১ খ্রিস্টাব্দে এ শাসকের মৃত্যু হয় বলে জানা যায়।
শামসুদ্দিন মুজাফ্ফর শাহ (১৪৯১-১৪৯৩ খ্রি.)
কুতুবউদ্দিন মাহমুদ শাহের মৃত্যুর পর শামসুদ্দিন মুজাফ্ফর শাহ বাংলার শাসন ক্ষমতায় বসেন। তিনি স্বর্ণ মুদ্রা চালু
করেছিলেন। প্রায় সমগ্র উত্তরবঙ্গ তাঁর অধীনে ছিল। নৃশংসতা এবং অত্যাচারের কারণে তিনি জনগণের নিকট জনপ্রিয়
ছিলেন না। ফলে গৌড়ের অভিজাতরা তাঁর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে এবং এ বিদ্রোহে যুক্ত হন উজির সৈয়দ হোসেন। উজির
সৈয়দ হোসেন-এর নের্তৃত্বে মুজাফ্ফর শাহকে হত্যা করা হলে বাংলায় হাবশি শাসনের পতন ঘটে।
শিক্ষার্থীর কাজ হাবশিদের পতনের কারণসমূহ চিহ্নিত করুন।
সারসংক্ষেপ :
সুলতানি শাসনামলে বাংলায় মাত্র ৬ বছরের জন্য হাবশি শাসনের সূত্রপাত হলেও এঁদের ইতিহাস ছিল ষড়যন্ত্র,
অরাজকতা ও অবিশ^াসে পূর্ণ। মাত্র ৬ বছরে ৪ জন শাসকের শাসন থেকে এর প্রমাণ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে হোসেন
শাহী বংশের প্রতিষ্ঠাতা সুলতান হোসেন শাহের মাধ্যমে এ বংশের পতন হলে বাংলায় নতুন যুগের সূচনা হয়।
পাঠোত্তর মূল্যায়ন-৫.৬
১. হাবশি বংশের শাসকগণ কোন দেশ থেকে বাংলায় এসেছিলেন?
ক. আফগানিস্তান খ. তুর্কিস্থান গ. পারস্য ঘ. ইথিওপিয়া
২. হাবশি শাসকগণের মধ্যে কে সার্বভৌম শাসকের মর্যাদালাভ করেছিলেন?
ক. গিয়াসুদ্দিন বারবক শাহ খ. সাইফুদ্দিন ফিরোজ শাহ গ. কুতুবউদ্দিন মাহমুদ শাহ ঘ. শামসুদ্দিন মুজাফ্ফর শাহ
৩. কার হাতে হাবশি শাসনের পতন ঘটে?
ক. মালিক আন্দিল খ. শাহজাদা গ. উজির সৈয়দ হোসেন ঘ. বরবক শাহ
নুর-আলম ও নয়নের মধ্যে ইসলামের সাম্য ব্যবস্থা নিয়ে কথা হচ্ছিল। নুর-আলম বলেন, ইসলামের সাম্য নীতির কারণেই
সামান্য হাবশি জনগণও শাসক ও অভিজাত-এর মর্যাদা লাভ করেছে। নয়ন আরো সংযুক্ত করে যে, ইসলামের সাম্য নীতির
কারণেই মধ্যযুগে মিশরে মামলুকগণ এবং ভারতের দিল্লিতে দাসগণ শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতে পেরেছিল।
ক. ‘হাবশি’ শব্দের অর্থ কি? ১
খ. গিয়সউদ্দিন বারবক শাহ কিভাবে সুলতানি বাংলায় শাসন প্রতিষ্ঠা করতে সমর্থ হয়েছিল তা লিখুন। ২
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত হাবশিদের মত বাংলায় কোন হাবশি শাসকদের খুঁজে পাওয়া যায় কি-না? উক্ত হাবশিদের মধ্যকার
শ্রেষ্ঠ শাসকের শাসনামলের মূল্যায়ন করুন। ৩
ঘ. উক্ত হাবশি শাসনামলের কৃতিত্বপূর্ণ কার্যকলাপের স্বরূপ বিশ্লেষণ করুন। ৪