হাদিসের পরিচয়, আলোচ্য বিষয় ও লক্ষ্য-উদ্দেশ্য
> ইসলামি জীবনাদর্শের মূল ভিত্তি আল-কুরআন। দ্বিতীয় ভিত্তি আল-হাদিস। কুরআন জীবন বিধানের মৌলিক নীতিমালা
উপস্থাপন করে। আর হাদিস সেই মৌলনীতির আলোকে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ উপস্থাপন করে। তাই হাদিস হচ্ছে কুরআনের
নির্ভুল ব্যাখ্যা, কুরআনের বাহক বিশ্বনবীর (স) পবিত্র জীবনচরিত, কর্মনীতি ও আদর্শ তথা তাঁর বাণী, কাজ, হেদায়াত ও
উপদেশাবলির বিস্তৃত উপস্থাপনা। ইসলামি জীবন-দর্শনে কুরআনের সাথে হাদিসের রয়েছে অপরিসীম গুরুত্ব। এ ইউনিটে
হাদিসের পরিচয়, প্রকারভেদ, প্রধান হাদিস সংকলকদের জীবনী ও অবদান এবং হাদিস শাস্ত্রে ব্যবহৃত কতিপয় পরিভাষা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। হাদিস, ওহী, ইলাহী, শরী‘আত, সুন্নাহ, হাদিসে কুদসি, সমর্থন।
১.১ হাদিসের পরিচয়
‘হাদিস' শব্দের আভিধানিক অর্থ হচ্ছে- কথা ও বাণী। ইসলামি পরিভাষায় নবী হিসেবে রাসূলুল্লাহ (স)
জীবনে যা বলেছেন, যা করেছেন, যা অনুমোদন দিয়েছেন এবং সাহাবিদের যে সমস্ত কাজ ও কথার প্রতি সমর্থন ও সম্মতি
দান করেছেন তার সবগুলোই হাদিস। অনুরূপভাবে সাহাবী ও তাবেঈদের কথা, কাজ এবং সমর্থনও হাদিস হিসেবে
পরিগণিত।
হাদিসের বিষয়ে আল্লামা কিরমানী (র) লিখেছেন, “কুরআনের পর সকল জ্ঞানের মধ্যে সর্বাধিক উন্নত ও তথ্য সমৃদ্ধ শ্রেষ্ঠ
সম্পদ হচ্ছে হাদিস।” হাদিসকে সুন্নাহও বলা হয়। তবে সুন্নাহ শব্দের আভিধানিক অর্থ হচ্ছে রীতিনীতি, প্রথা ও নিয়ম।
রাসূলে করীম (স)-এর হাদিসও এক প্রকার ওহী। কেননা মুহাদ্দিস ও মুফাসসিরগণ বলেছেন, ওহী দু'প্রকার-
(১) প্রকাশ্য ও পঠিত ওহী
(২) অপ্রকাশ্য ও অপঠিত ওহী।
কুরআন হল প্রকাশ্য ও পঠিত আল্লাহর বাণী এবং হাদিস হল গোপন ও অপঠিত ইলাহী নির্দেশ। রাসূলুল্লাহ (স) কখনও
শরীআত ও ইসলাম বিষয়ক কোন কথা নিজের পক্ষ থেকে বানিয়ে বা মনগড়া বলেননি। আল্লাহর হুকুম ছাড়া যে তিনি
কোন কথা বলেননি আল্লাহ তা‘আলা স্বয়ং তার সাক্ষ্য দিচ্ছেন“এবং সে মনগড়া কথা বলে না। এতো ওহী, যা তার প্রতি প্রত্যাদেশ হয়।” (সূরা আন-নাজম-৫৩ : ৩-৪)
আর প্রকাশ্য ওহী ছাড়া অন্য যে সমস্ত কথা তিনি সরাসরি আল্লাহর নিকট থেকে পেয়েছেন সেগুলোকে হাদিসে কুদসি বলা হয়।
পরিভাষায় মহানবী (স)-এর কথা, কাজ সমর্থনকেই হাদিস বলা হয়। আর সাহাবীগণের কথা, কাজ ও সমর্থনকে বলা হয়
আছার এবং তাবিঈন ও তাবি-তাবিঈনের কথা, কাজ ও সমর্থনের বিবরণকে বলা হয় ফাতাওয়া।
১.২ হাদিসের আলোচ্য বিষয়
হাদিসের আলোচ্য বিষয় হচ্ছে, রাসূলুল্লাহর (স) জীবন ও কর্ম, তাঁর কথা, কাজ এবং সম্মতিমূলক কথা-কাজ-আচরণ, তাঁর
সামগ্রিক জীবন ও জীবনাদর্শ-ই হচ্ছে হাদিসের আলোচ্য বিষয়। হাদিস-বিজ্ঞানীগণ ঐকমত্যের ভিত্তিতে বলেন, “ইলমে
হাদিসের বিষয়বস্তু বা আলোচ্য বিষয় হল- রাসূলে করীম (স)-এর মহান সত্তা এ হিসেবে যে, তিনি আল্লাহর রাসূল।”
অনুরূপভাবে সাহাবায়ে কিরামের কথা-কাজ ও অনুমোদনমূলক কথা এবং কাজের বিবরণও হাদিসের আলোচ্য বিষয়।
তেমনিভাবে তাবিঈনের কথা, কাজ ও তাঁদের অনুমোদনমূলক কথা ও কাজের বিবরণও আলোচ্য বিষয়। শরীআতের দ্বিতীয়
উৎস হিসেবে কুরআন মাজীদের পরেই হাদিসের স্থান। আর এ হাদিস কুরআনেরই ব্যাখ্যা ও বাস্তব-রূপায়ণ।
১.৩ লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
ইসলামি শরীয়ত মোতাবেক জীবন যাপনে করার জন্য হাদিসের জ্ঞান অপরিহার্য। কেননা রাসূলের আনুগত্যের উদ্দেশে তাঁর
বক্তব্য, কর্ম, অবস্থা ও অনুমোদিত বিধি-বিধান সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন আবশ্যক। ইসলামি শরীআতের বিধি-বিধান ও হুকুমআহকাম সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞানার্জন রাসূলের হাদিসের মাধ্যমেই সম্ভব। আর হাদিসের জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে তা বিশ্বাস ও
সে অনুযায়ী আমল এবং জীবনে বাস্তবায়ন মানব জীবনের মুক্তির জন্য অপরিহার্য।
সারসংক্ষেপ
হাদিস ইসলামি জীবন ব্যবস্থার দ্বিতীয় উৎস। হাদিস ও সুন্নাহ হচ্ছে রাসূলুল্লাহ (স) এর জীবনাদর্শ। কুরআনকে ইসলামি
শরী‘আতের মূলনীতি বলা হয়েছে। আর হাদিস সেই মূলনীতির ব্যাখ্যা। কুরআনের সঠিক মর্ম উপলব্ধি করতে হাদিস অধ্যয়ন খুবই গুরুত্বের দাবিদার।
বহু নির্বাচনী প্রশ্ন
১। হাদিস শব্দের আভিধানিক অর্থ-
(ক) কথা ও বাণী (খ) কাজ ও কথা
(গ) সংবাদ ও বাণী (ঘ) সুন্নাহ
২। সুন্নাহ শব্দের আভিধানিক অর্থ-
(ক) কথা ও বাণী (খ) কাজ ও কথা
(গ) রীতি-নীতি ও প্রথা (ঘ) একটিও না
৩। ওহী দু প্রকার, যথা-
(ক) পঠিত ও অপঠিত (খ) প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য
(গ) মাতলু ও গায়রে মাতলু (ঘ) মুফরাদ ও মুরাক্কাব
৩। রাসূলুল্লাহ (স) শরী‘আতের ব্যাপারে -
(ক) নিজে কোন কথা বলেননি (খ) নিজেই বিধান দিতেন
(গ) আল্লাহর পক্ষ থেকে কথা বলতেন (ঘ) অন্যের শেখানো কথা বলতেন
৪। হাদিস ও সুন্নাহর মধ্যে -
(ক) পার্থক্য আছে (খ) কোন পাথ্যক্য নেই
(গ) কিছু পার্থক্য আছে (ঘ) অনেক পার্থক্য আছে
নিচের উদ্দীপকটি পড়–ন এবং ৫ ও ৬নং প্রশ্নের উত্তর দিনপবিত্র কুরআনের পর সর্বাধিক উন্নত ও সমৃদ্ধ শ্রেষ্ঠ সম্পদ হলো হাদীস
৫। হাদীস কার বাণী ?
(ক) আল্লাহর (খ) রাসূলের
(খ) ইমাম আবু হানিফার (গ) ইমাম শাফেয়ীর
৬। হাদিসের জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে জানতে পারবের. কুরআনের ব্যখ্যা রর. হাদিসের বিষয়বস্তু ররর. সুন্নাহর বর্ণনা
নিচের কোনটি সঠিক ?
(ক) র (খ) র ও রর (গ) রর ও ররর (ঘ) র, রর ও ররর
সৃজনশীল প্রশ্ন
উদ্দীপক,
বার্ষিক ইসলামি সম্মেলনে প্রধান বক্তা মাওলানা হাফিজুল্লাহ বলেন, প্রিয় নবী রাসূলুল্লাহ (স) তাঁর জীবনের শেষ লগ্নে
সাহাবিদের উদ্দেশে বলেছিলেন: আমি তোমাদের জন্য দু’টি জিনিস রেখে যাচ্ছি - তোমরা তা দৃঢভাবে ধারণ করতে পারলে
তোমরা কখনো পথভ্রষ্ট হবে না। কিন্তু পরিতাপের বিষয়, পৃথিবীর অনেক মানুষই আজ পথভ্রষ্ট। ফলে পৃথিবীর সর্বত্র আজ
চুরি, ডাকাতি, খুন, রাহাজানির সয়লাব বয়ে যাচ্ছে। এক কথায় বলা যায়- পৃথিবীর সর্বত্র আজ অশান্তি বিরাজ করছে।
ক. হাদিস কী ? ১
খ. কুরআনের বাণী: ‘রাসূল (স) নিজ থেকে কিছু বলেন না’- ব্যাখ্যা করুন। ২
গ. হাদিস ও সুন্নাহ সম্পর্কে বিবরণ দিন । ৩
ঘ. হাদিসের প্রয়োজনীয়তা উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করুন। ৪
উত্তরমালা: ১। ক ২। গ ৩। গ ৪। ক ৫। খ ৬। ঘ
উপস্থাপন করে। আর হাদিস সেই মৌলনীতির আলোকে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ উপস্থাপন করে। তাই হাদিস হচ্ছে কুরআনের
নির্ভুল ব্যাখ্যা, কুরআনের বাহক বিশ্বনবীর (স) পবিত্র জীবনচরিত, কর্মনীতি ও আদর্শ তথা তাঁর বাণী, কাজ, হেদায়াত ও
উপদেশাবলির বিস্তৃত উপস্থাপনা। ইসলামি জীবন-দর্শনে কুরআনের সাথে হাদিসের রয়েছে অপরিসীম গুরুত্ব। এ ইউনিটে
হাদিসের পরিচয়, প্রকারভেদ, প্রধান হাদিস সংকলকদের জীবনী ও অবদান এবং হাদিস শাস্ত্রে ব্যবহৃত কতিপয় পরিভাষা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। হাদিস, ওহী, ইলাহী, শরী‘আত, সুন্নাহ, হাদিসে কুদসি, সমর্থন।
১.১ হাদিসের পরিচয়
‘হাদিস' শব্দের আভিধানিক অর্থ হচ্ছে- কথা ও বাণী। ইসলামি পরিভাষায় নবী হিসেবে রাসূলুল্লাহ (স)
জীবনে যা বলেছেন, যা করেছেন, যা অনুমোদন দিয়েছেন এবং সাহাবিদের যে সমস্ত কাজ ও কথার প্রতি সমর্থন ও সম্মতি
দান করেছেন তার সবগুলোই হাদিস। অনুরূপভাবে সাহাবী ও তাবেঈদের কথা, কাজ এবং সমর্থনও হাদিস হিসেবে
পরিগণিত।
হাদিসের বিষয়ে আল্লামা কিরমানী (র) লিখেছেন, “কুরআনের পর সকল জ্ঞানের মধ্যে সর্বাধিক উন্নত ও তথ্য সমৃদ্ধ শ্রেষ্ঠ
সম্পদ হচ্ছে হাদিস।” হাদিসকে সুন্নাহও বলা হয়। তবে সুন্নাহ শব্দের আভিধানিক অর্থ হচ্ছে রীতিনীতি, প্রথা ও নিয়ম।
রাসূলে করীম (স)-এর হাদিসও এক প্রকার ওহী। কেননা মুহাদ্দিস ও মুফাসসিরগণ বলেছেন, ওহী দু'প্রকার-
(১) প্রকাশ্য ও পঠিত ওহী
(২) অপ্রকাশ্য ও অপঠিত ওহী।
কুরআন হল প্রকাশ্য ও পঠিত আল্লাহর বাণী এবং হাদিস হল গোপন ও অপঠিত ইলাহী নির্দেশ। রাসূলুল্লাহ (স) কখনও
শরীআত ও ইসলাম বিষয়ক কোন কথা নিজের পক্ষ থেকে বানিয়ে বা মনগড়া বলেননি। আল্লাহর হুকুম ছাড়া যে তিনি
কোন কথা বলেননি আল্লাহ তা‘আলা স্বয়ং তার সাক্ষ্য দিচ্ছেন“এবং সে মনগড়া কথা বলে না। এতো ওহী, যা তার প্রতি প্রত্যাদেশ হয়।” (সূরা আন-নাজম-৫৩ : ৩-৪)
আর প্রকাশ্য ওহী ছাড়া অন্য যে সমস্ত কথা তিনি সরাসরি আল্লাহর নিকট থেকে পেয়েছেন সেগুলোকে হাদিসে কুদসি বলা হয়।
পরিভাষায় মহানবী (স)-এর কথা, কাজ সমর্থনকেই হাদিস বলা হয়। আর সাহাবীগণের কথা, কাজ ও সমর্থনকে বলা হয়
আছার এবং তাবিঈন ও তাবি-তাবিঈনের কথা, কাজ ও সমর্থনের বিবরণকে বলা হয় ফাতাওয়া।
১.২ হাদিসের আলোচ্য বিষয়
হাদিসের আলোচ্য বিষয় হচ্ছে, রাসূলুল্লাহর (স) জীবন ও কর্ম, তাঁর কথা, কাজ এবং সম্মতিমূলক কথা-কাজ-আচরণ, তাঁর
সামগ্রিক জীবন ও জীবনাদর্শ-ই হচ্ছে হাদিসের আলোচ্য বিষয়। হাদিস-বিজ্ঞানীগণ ঐকমত্যের ভিত্তিতে বলেন, “ইলমে
হাদিসের বিষয়বস্তু বা আলোচ্য বিষয় হল- রাসূলে করীম (স)-এর মহান সত্তা এ হিসেবে যে, তিনি আল্লাহর রাসূল।”
অনুরূপভাবে সাহাবায়ে কিরামের কথা-কাজ ও অনুমোদনমূলক কথা এবং কাজের বিবরণও হাদিসের আলোচ্য বিষয়।
তেমনিভাবে তাবিঈনের কথা, কাজ ও তাঁদের অনুমোদনমূলক কথা ও কাজের বিবরণও আলোচ্য বিষয়। শরীআতের দ্বিতীয়
উৎস হিসেবে কুরআন মাজীদের পরেই হাদিসের স্থান। আর এ হাদিস কুরআনেরই ব্যাখ্যা ও বাস্তব-রূপায়ণ।
১.৩ লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
ইসলামি শরীয়ত মোতাবেক জীবন যাপনে করার জন্য হাদিসের জ্ঞান অপরিহার্য। কেননা রাসূলের আনুগত্যের উদ্দেশে তাঁর
বক্তব্য, কর্ম, অবস্থা ও অনুমোদিত বিধি-বিধান সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন আবশ্যক। ইসলামি শরীআতের বিধি-বিধান ও হুকুমআহকাম সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞানার্জন রাসূলের হাদিসের মাধ্যমেই সম্ভব। আর হাদিসের জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে তা বিশ্বাস ও
সে অনুযায়ী আমল এবং জীবনে বাস্তবায়ন মানব জীবনের মুক্তির জন্য অপরিহার্য।
সারসংক্ষেপ
হাদিস ইসলামি জীবন ব্যবস্থার দ্বিতীয় উৎস। হাদিস ও সুন্নাহ হচ্ছে রাসূলুল্লাহ (স) এর জীবনাদর্শ। কুরআনকে ইসলামি
শরী‘আতের মূলনীতি বলা হয়েছে। আর হাদিস সেই মূলনীতির ব্যাখ্যা। কুরআনের সঠিক মর্ম উপলব্ধি করতে হাদিস অধ্যয়ন খুবই গুরুত্বের দাবিদার।
বহু নির্বাচনী প্রশ্ন
১। হাদিস শব্দের আভিধানিক অর্থ-
(ক) কথা ও বাণী (খ) কাজ ও কথা
(গ) সংবাদ ও বাণী (ঘ) সুন্নাহ
২। সুন্নাহ শব্দের আভিধানিক অর্থ-
(ক) কথা ও বাণী (খ) কাজ ও কথা
(গ) রীতি-নীতি ও প্রথা (ঘ) একটিও না
৩। ওহী দু প্রকার, যথা-
(ক) পঠিত ও অপঠিত (খ) প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য
(গ) মাতলু ও গায়রে মাতলু (ঘ) মুফরাদ ও মুরাক্কাব
৩। রাসূলুল্লাহ (স) শরী‘আতের ব্যাপারে -
(ক) নিজে কোন কথা বলেননি (খ) নিজেই বিধান দিতেন
(গ) আল্লাহর পক্ষ থেকে কথা বলতেন (ঘ) অন্যের শেখানো কথা বলতেন
৪। হাদিস ও সুন্নাহর মধ্যে -
(ক) পার্থক্য আছে (খ) কোন পাথ্যক্য নেই
(গ) কিছু পার্থক্য আছে (ঘ) অনেক পার্থক্য আছে
নিচের উদ্দীপকটি পড়–ন এবং ৫ ও ৬নং প্রশ্নের উত্তর দিনপবিত্র কুরআনের পর সর্বাধিক উন্নত ও সমৃদ্ধ শ্রেষ্ঠ সম্পদ হলো হাদীস
৫। হাদীস কার বাণী ?
(ক) আল্লাহর (খ) রাসূলের
(খ) ইমাম আবু হানিফার (গ) ইমাম শাফেয়ীর
৬। হাদিসের জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে জানতে পারবের. কুরআনের ব্যখ্যা রর. হাদিসের বিষয়বস্তু ররর. সুন্নাহর বর্ণনা
নিচের কোনটি সঠিক ?
(ক) র (খ) র ও রর (গ) রর ও ররর (ঘ) র, রর ও ররর
সৃজনশীল প্রশ্ন
উদ্দীপক,
বার্ষিক ইসলামি সম্মেলনে প্রধান বক্তা মাওলানা হাফিজুল্লাহ বলেন, প্রিয় নবী রাসূলুল্লাহ (স) তাঁর জীবনের শেষ লগ্নে
সাহাবিদের উদ্দেশে বলেছিলেন: আমি তোমাদের জন্য দু’টি জিনিস রেখে যাচ্ছি - তোমরা তা দৃঢভাবে ধারণ করতে পারলে
তোমরা কখনো পথভ্রষ্ট হবে না। কিন্তু পরিতাপের বিষয়, পৃথিবীর অনেক মানুষই আজ পথভ্রষ্ট। ফলে পৃথিবীর সর্বত্র আজ
চুরি, ডাকাতি, খুন, রাহাজানির সয়লাব বয়ে যাচ্ছে। এক কথায় বলা যায়- পৃথিবীর সর্বত্র আজ অশান্তি বিরাজ করছে।
ক. হাদিস কী ? ১
খ. কুরআনের বাণী: ‘রাসূল (স) নিজ থেকে কিছু বলেন না’- ব্যাখ্যা করুন। ২
গ. হাদিস ও সুন্নাহ সম্পর্কে বিবরণ দিন । ৩
ঘ. হাদিসের প্রয়োজনীয়তা উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করুন। ৪
উত্তরমালা: ১। ক ২। গ ৩। গ ৪। ক ৫। খ ৬। ঘ