লক্ষন দেখে কিভাবে গর্ভবতী গাভী সনাক্ত করা যায় গভীবতী গাভীর শারীরিক বৈশিষ্ট্য সমূহ বল
মূলতত্ত¡: প্রাকৃতিক উপায়ে বা কৃত্রিম পদ্ধতিতে গাভীকে প্রজনন করার পরও অনেক সময় গর্ভধারণ সম্বন্ধে সন্দেহ
থেকে যায়। কারন গর্ভধারণের কাল পাঁচ মাসের কম হলে বাইরের লক্ষণের উপর পুরোপুরি বিশ^াস করা যায় না।
তাই গর্ববতী গাভী নির্ধারণ সত্যিই একটি কঠিন ব্যপার। ব্যবহারিক পাঠের এ অংশে আপনারা লক্ষণ দেখে একটি গর্ভবতী গাভী কি ভাবে শনাক্ত করা যায়, তা শিখতে পারবেন। প্রয়োজনীয় উপকরণ
১. একটি গর্ভবতী গাভী
২. খাতা, কলম ইত্যাদি
কার্যপদ্ধতি
গাভীকে শান্তভাবে দাঁড় করে নাও এবং নি¤œলিখিত লক্ষণগুলো পর্যবেক্ষণ করুন।
১. গাভী ষাঁড়ের কাছে থাকতে পছন্দ করে কিনা।
২. গাভীর পেট স্বাভাবিকের চেয়ে বড় কিনা লক্ষ করুন।
৩. তিন মাস বয়সের পর থেকে পেটের ভেতর কিছু নড়াচড়া করে কিনা।
৪. দুধ ধীরে ধীওে কমে যায় কিনা।
৫. যৌনাঙ্গ ফলে যায়, ঝুলে পড়ে এবং নরম হতে থাকে কিনা খেয়াল করুন।
৬. খয়েরী রঙের মল ত্যাগ করে কিনা দেখুন।
৭. বাঁট ধরে টান দিলে কলার কসের মত আঠালো পদার্থ বের হয় কিনা পরীক্ষা কর।
৮. দূর্বা ঘাসের উপর কয়েকদিন প্র¯্রাব করালে ঘাস হলুদ হয়ে যায় কিনা।
এসব লক্ষণগুলো যদি নির্বাচিত গাভীর সাথে মিলে যায় তবে বুঝে নিতে পারেন যে গাভটি গর্ভবতী।
সাবধানতা
১. গাভীটি শান্ত করে নিয়ে খুঁটির সাথে বেঁধে নিন।
২. খুব সাবধানে লক্ষণগুলো পর্যবেক্ষণ করতে হবে যাতে কওে বাচ্চার কোন ক্ষতি না হয়।
সৃজনশীল প্রশ্ন
১। চাঁনমিয়ার দুটি গর্ভবতী গাভী আছে। কিন্তু সঠিক পরিচর্যার জ্ঞান ছিলনা। উপজেলা পশুসম্পদ কর্মকর্তার সাথে পরামর্শ
নিতে গেলেন। তিনি গর্ভবতী গাভির যতœ ও পরিচর্যা সম্পর্কে সুন্দর পরামর্শ দিলেন। এছাড়াও দুগ্ধবতি গাভীর যতœ ও
সঠিক দুধ দোহন পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা দিলেন।
ক) উন্নত জাতের গাভীর লক্ষণ কী?
খ) গর্ভবতী গাভীর পরিচর্যা ব্যাখ্যা করুণ।
গ) দুগ্ধবতী গাভীর পরিচর্যার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করুন।
ঘ) বিশুদ্ধ দুধ উৎপাদনের শর্তসমূহ বিশ্লেষণ করুন।
উত্তরমালা
পাঠোত্তর মূল্যায়ন- ১৪.১ ঃ ১। খ ২। ক
পাঠোত্তর মূল্যায়ন- ১৪.২ ঃ ১। গ ২। গ ৩। গ ৪। খ
পাঠোত্তর মূল্যায়ন- ১৪.৩ ঃ ১। ক ২। গ ৩। গ
পাঠোত্তর মূল্যায়ন- ১৪.৪ ঃ ১। ক ২। ঘ
পাঠোত্তর মূল্যায়ন- ১৪.৫ ঃ ১। গ ২। ক ৩। গ
পাঠোত্তর মূল্যায়ন- ১৪.৬ ঃ ১। গ ২। খ
থেকে যায়। কারন গর্ভধারণের কাল পাঁচ মাসের কম হলে বাইরের লক্ষণের উপর পুরোপুরি বিশ^াস করা যায় না।
তাই গর্ববতী গাভী নির্ধারণ সত্যিই একটি কঠিন ব্যপার। ব্যবহারিক পাঠের এ অংশে আপনারা লক্ষণ দেখে একটি গর্ভবতী গাভী কি ভাবে শনাক্ত করা যায়, তা শিখতে পারবেন। প্রয়োজনীয় উপকরণ
১. একটি গর্ভবতী গাভী
২. খাতা, কলম ইত্যাদি
কার্যপদ্ধতি
গাভীকে শান্তভাবে দাঁড় করে নাও এবং নি¤œলিখিত লক্ষণগুলো পর্যবেক্ষণ করুন।
১. গাভী ষাঁড়ের কাছে থাকতে পছন্দ করে কিনা।
২. গাভীর পেট স্বাভাবিকের চেয়ে বড় কিনা লক্ষ করুন।
৩. তিন মাস বয়সের পর থেকে পেটের ভেতর কিছু নড়াচড়া করে কিনা।
৪. দুধ ধীরে ধীওে কমে যায় কিনা।
৫. যৌনাঙ্গ ফলে যায়, ঝুলে পড়ে এবং নরম হতে থাকে কিনা খেয়াল করুন।
৬. খয়েরী রঙের মল ত্যাগ করে কিনা দেখুন।
৭. বাঁট ধরে টান দিলে কলার কসের মত আঠালো পদার্থ বের হয় কিনা পরীক্ষা কর।
৮. দূর্বা ঘাসের উপর কয়েকদিন প্র¯্রাব করালে ঘাস হলুদ হয়ে যায় কিনা।
এসব লক্ষণগুলো যদি নির্বাচিত গাভীর সাথে মিলে যায় তবে বুঝে নিতে পারেন যে গাভটি গর্ভবতী।
সাবধানতা
১. গাভীটি শান্ত করে নিয়ে খুঁটির সাথে বেঁধে নিন।
২. খুব সাবধানে লক্ষণগুলো পর্যবেক্ষণ করতে হবে যাতে কওে বাচ্চার কোন ক্ষতি না হয়।
সৃজনশীল প্রশ্ন
১। চাঁনমিয়ার দুটি গর্ভবতী গাভী আছে। কিন্তু সঠিক পরিচর্যার জ্ঞান ছিলনা। উপজেলা পশুসম্পদ কর্মকর্তার সাথে পরামর্শ
নিতে গেলেন। তিনি গর্ভবতী গাভির যতœ ও পরিচর্যা সম্পর্কে সুন্দর পরামর্শ দিলেন। এছাড়াও দুগ্ধবতি গাভীর যতœ ও
সঠিক দুধ দোহন পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা দিলেন।
ক) উন্নত জাতের গাভীর লক্ষণ কী?
খ) গর্ভবতী গাভীর পরিচর্যা ব্যাখ্যা করুণ।
গ) দুগ্ধবতী গাভীর পরিচর্যার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করুন।
ঘ) বিশুদ্ধ দুধ উৎপাদনের শর্তসমূহ বিশ্লেষণ করুন।
উত্তরমালা
পাঠোত্তর মূল্যায়ন- ১৪.১ ঃ ১। খ ২। ক
পাঠোত্তর মূল্যায়ন- ১৪.২ ঃ ১। গ ২। গ ৩। গ ৪। খ
পাঠোত্তর মূল্যায়ন- ১৪.৩ ঃ ১। ক ২। গ ৩। গ
পাঠোত্তর মূল্যায়ন- ১৪.৪ ঃ ১। ক ২। ঘ
পাঠোত্তর মূল্যায়ন- ১৪.৫ ঃ ১। গ ২। ক ৩। গ
পাঠোত্তর মূল্যায়ন- ১৪.৬ ঃ ১। গ ২। খ