এতিমখানার ধারণা ,এতিমখানার কার্যক্রম ,এতিমখানার গুরুত্ব আলোচনা
এতিমখানা কী?
এতিমখানা ঐতিহ্যগত সমাজকল্যাণের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। এটি মূলত শিশুকল্যাণে নিয়োজিত
প্রতিষ্ঠান। দানশীলতার অব্যবহিত পরে এতিমখানার উদ্ভব ঘটে প্রাচীনকালে। এতিম, অনাথ ও পরিত্যক্ত শিশুদের পরিচর্যা,
রক্ষণাবেক্ষণ ও ভরণ-পোষণের এক অনবদ্য ভূমিকা পালন করে আসছে এতিমখানা।
সাধারণত এতিম বলতে আমরা পিতৃ-মাতৃহীন শিশু বা উভয়ের একজন নেই এমন শিশুদের বুঝে থাকি। আর এতিমখানা
বলতে যে প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে উক্ত এতিম, দুঃস্থ, অসহায়, অনাথ শিশুদের লালন-পালন, ভরণ-পোষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের
ব্যবস্থা করা হয় তাকেই বুঝায়। সাধারণত পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের এখানে রাখা হয় এবং আঠারো বছর বয়স পর্যন্ত
ভরণ-পোষণ করা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশে সরকারিভাবে প্রতিষ্ঠিত এতিমখানাকে শিশুসদন বা শিশুপরিবার বলা হয়।
বাংলাদেশে ১৯৪৩ সালে সরকার ৪টি এতিমখানা চালু করেন। দানশীল ব্যক্তি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও এতিমখানা স্থাপন
করে। বর্তমানে সমাজসেবা অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত এতিমখানার সংখ্যা হচ্ছে ১৮০০ এর অধিক।
৫.৯.২ এতিমখানার কার্যক্রম
এতিমখানা ও শিশুসদনের কার্যক্রমসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো :
ক. শিশুদের পরিচর্যা, ভরণ-পোষন ও রক্ষণাবেক্ষণ;
খ. প্রয়োজনীয় মৌলিক মানবিক চাহিদা পূরণ;
গ. পারিবারিক ও আনুষ্ঠানিক শিক্ষা প্রদান;
ঘ. সামাজিকীকরণ ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা;
ঙ. চিত্তবিনোদনের মাধ্যমে মানবিক বিকাশ সাধন;
চ. বিভিন্ন কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা;
ছ. চিকিৎসা প্রদান ও স্বাভাবিক পরিবেশে বসবাসের সুযোগ করে দেয়া; ও
জ. সমাজে পুনর্বাসিত করার পাশাপাশি মেয়েদের বিবাহ সম্পাদন করা।
৫.৯.৩ এতিমখানার গুরুত্ব
সনাতন সমাজকল্যাণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে এতিমখানা প্রাচীনকাল থেকে বর্তমান অদ্যাবধি প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। বিভিন্ন জনহিতকর
ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় এতিমদের সুরক্ষায় তাদের নিরাপত্তা ও কল্যাণের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে সরকারিভাবেও এই
প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে যাচ্ছে। মূলত ধর্মীয় মূল্যবোধ ও আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েই এসকল এতিমখানা পরিচালিত হয়ে
আসছে। বাংলাদেশ সরকার সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে এতিমখানার জন্য, যা সরকারি শিশুপরিবার নামে পরিচিত
শিশু সুরক্ষা ও কল্যাণে কর্মসূচি প্রণয়ন করে থাকে। বাংলাদেশে সরকারি এতিমখানাগুলো শিশুপরিবার বা বেবিহোম নামে
পরিচিত। এখানে একজন আপা ও একজন ভাইয়ার সার্বক্ষণিক তত্ত¡াবধানে ২০-২৫ জন এতিম পারিবারিক পরিবেশে বড়
হচ্ছে। এছাড়াও এতিমখানাগুলো বিভিন্ন বিদেশি সংস্থার সহায়তায় পরিচালিত হচ্ছে। যেমনÑ এসওএস শিশুপল্লী ঢাকার
শ্যামলীতে রয়েছে। তাই বলা যায় যে, এতিম, অসহায়, দুঃস্থ ও পরিত্যক্ত শিশুর সুরক্ষা এবং কল্যাণে তাদের আবাসন ও
লালন পালন, পারিবারিক স্নেহ, ভালোবাসা, শিক্ষা, মৌলিক চাহিদা পূরণ, সুষ্ঠু সামাজিকীকরণ, নিরাপত্তা, স্বনির্ভরতা
অর্জনসহ তাদের পূনর্বাসনের জন্য এতিমখানার গুরুত্ব অনস্বীকার্য।
সারসংক্ষেপ
সনাতন সমাজকল্যাণের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হলো এতিমখানা। পিতৃহীন, পিতৃ-মাতৃহীন শিশুদের লালনপালন ও
ভরণ-পোষণসহ তাদের সার্বিক নিরাপত্তা প্রদান ও সুষ্ঠু, যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলে যে প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তাই
হলো এতিমখানা। বাংলাদেশে সরকারি ও বেসরকারিভাবে অসংখ্য এতিমখানা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কার্যপরিধির ক্ষেত্রে
অন্যান্য সকল ঐতিহ্যগত প্রতিষ্ঠান থেকে এতিমখানার গুরুত্ব সর্বাধিক।
সঠিক উত্তরের পাশে টিক (√) চিহ্ন দিন :
১। কোনটি শিশুকল্যাণে নিয়োজিত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান?
ক) লঙ্গরখানা খ) সরাইখানা গ) এতিমখানা ঘ) বায়তুলমাল
২। এতিমখানার উদ্দেশ্য হলোÑ
র. এতিম শিশুর সুষ্ঠু বিকাশ ও শিক্ষার ব্যবস্থা করা
রর. শিশুদের নিরাপদ আশ্রয় ও ভরণপোষণের ব্যবস্থা করা
ররর. অনাথ শিশু-কিশোরদের সামাজিক পরিবেশে বসবাসের উপযোগী করে গড়ে তোলা
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) র ও রর খ) র ও ররর গ) রর ও ররর ঘ) র, রর ও ররর
চূড়ান্ত মূল্যায়ন
ক. বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
১। সরাইখানার আধুনিক রূপ কোনটি?
ক) বিদ্যালয় খ) পর্যটন গ) হোটেল ঘ) এতিমখানা
২। যাকাত শব্দের অর্থ কী?
ক) দান খ) পবিত্রতা গ) সেবা ঘ) ন্যায়বিচার
৩। দেবোত্তরের আভিধানিক অর্থÑ
র. মানুষের সম্পত্তি
রর. দেবতার সম্পত্তি
ররর. ঈশ্বরের সম্পত্তি
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) র ও রর খ) র ও ররর গ) রর ও ররর ঘ) র, রর ও ররর
৪। কোনটি বিশ্বের একমাত্র ধর্মীয় বাধ্যতামূলক কর?
ক) সদ্কা খ) যাকাত গ) ওয়াক্ফ ঘ) খয়রাত
৫। সম্পত্তি দেবোত্তর করার উদ্দেশ্যে অন্তুর্ভুক্তÑ
র. হাসপাতাল স্থাপনের জন্যে
রর. দরিদ্র ও ব্রাহ্মণ ভোজের জন্যে
ররর. মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধ-শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্যে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) র ও রর খ) র ও ররর গ) রর ও ররর ঘ) র, রর ও ররর
৬। বাংলাদেশে শিশুপালন প্রতিষ্ঠানগুলোকে আখ্যায়িত করা হয়Ñ
র. বেবিহোম
রর. শিশু পরিবার
ররর. শিশু সদন
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) র ও রর খ) র ও ররর গ) রর ও ররর ঘ) র, রর ও ররর
৭। বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল কোনটির সাথে তুলনীয়?
ক) বায়তুলমাল খ) ধর্মগোলা গ) সদ্কা ঘ) যাকাত
খ. সৃজনশীল প্রশ্ন
১। দিলারা হোসেন অনেক সম্পত্তির মালিক। তিনি প্রতি বছর তার মোট সম্পত্তি হিসাব করে একটি নির্দিষ্ট অংশ মুসলিম
দরিদ্র ব্যক্তিদের ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী দান করেন। এটি ইসলাম ধর্মের বিধান অনুযায়ী তার একটি বাধ্যতামূলক
কাজ।
ক) দেবোত্তর কত প্রকার? ১
খ) এতিমখানার ধারণা দিন। ২
গ) উদ্দীপকে দিলারা হোসেনের কাজে সমাজকল্যাণ ব্যবস্থার কোন রূপ প্রকাশ পেয়েছে?Ñ ব্যাখ্যা করুন। ৩
ঘ) সমাজকর্মে উক্ত ব্যবস্থার গুরুত্ব বিশ্লেষণ করুন। ৪
২। জনাব রেজওয়ানুল হক তাদের এলাকায় বড় রাস্তার পাশে একটি বড় বাড়ি নির্মাণ করেন। নিজের প্রয়োজনে তিনি
এটি ব্যবহার করেন না। এই পথে চলাচলকারী পথিক মুসাফিরগণ এখানে বিনামূল্যে বিশ্রাম নিয়ে থাকেন। তাদের
জন্য বিনামূল্যে খাবার ও ঔষুধ তিনি সরবরাহ করেন।
ক) ওয়াক্ফ কত প্রকার? ১
খ) সরাইখানার ধারণা দিন। ২
গ) উদ্দীপকে রেজওয়ানুল হক সমাজকল্যাণ ব্যবস্থায় কোন অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েছেন? ব্যাখ্যা করুন। ৩
ঘ) সমাজকর্মে উক্ত ব্যবস্থা অনেক গুরুত্বপূর্ণÑ বিশ্লেষণ করুন। ৪
এতিমখানা ঐতিহ্যগত সমাজকল্যাণের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। এটি মূলত শিশুকল্যাণে নিয়োজিত
প্রতিষ্ঠান। দানশীলতার অব্যবহিত পরে এতিমখানার উদ্ভব ঘটে প্রাচীনকালে। এতিম, অনাথ ও পরিত্যক্ত শিশুদের পরিচর্যা,
রক্ষণাবেক্ষণ ও ভরণ-পোষণের এক অনবদ্য ভূমিকা পালন করে আসছে এতিমখানা।
সাধারণত এতিম বলতে আমরা পিতৃ-মাতৃহীন শিশু বা উভয়ের একজন নেই এমন শিশুদের বুঝে থাকি। আর এতিমখানা
বলতে যে প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে উক্ত এতিম, দুঃস্থ, অসহায়, অনাথ শিশুদের লালন-পালন, ভরণ-পোষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের
ব্যবস্থা করা হয় তাকেই বুঝায়। সাধারণত পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের এখানে রাখা হয় এবং আঠারো বছর বয়স পর্যন্ত
ভরণ-পোষণ করা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশে সরকারিভাবে প্রতিষ্ঠিত এতিমখানাকে শিশুসদন বা শিশুপরিবার বলা হয়।
বাংলাদেশে ১৯৪৩ সালে সরকার ৪টি এতিমখানা চালু করেন। দানশীল ব্যক্তি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও এতিমখানা স্থাপন
করে। বর্তমানে সমাজসেবা অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত এতিমখানার সংখ্যা হচ্ছে ১৮০০ এর অধিক।
৫.৯.২ এতিমখানার কার্যক্রম
এতিমখানা ও শিশুসদনের কার্যক্রমসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো :
ক. শিশুদের পরিচর্যা, ভরণ-পোষন ও রক্ষণাবেক্ষণ;
খ. প্রয়োজনীয় মৌলিক মানবিক চাহিদা পূরণ;
গ. পারিবারিক ও আনুষ্ঠানিক শিক্ষা প্রদান;
ঘ. সামাজিকীকরণ ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা;
ঙ. চিত্তবিনোদনের মাধ্যমে মানবিক বিকাশ সাধন;
চ. বিভিন্ন কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা;
ছ. চিকিৎসা প্রদান ও স্বাভাবিক পরিবেশে বসবাসের সুযোগ করে দেয়া; ও
জ. সমাজে পুনর্বাসিত করার পাশাপাশি মেয়েদের বিবাহ সম্পাদন করা।
৫.৯.৩ এতিমখানার গুরুত্ব
সনাতন সমাজকল্যাণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে এতিমখানা প্রাচীনকাল থেকে বর্তমান অদ্যাবধি প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। বিভিন্ন জনহিতকর
ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় এতিমদের সুরক্ষায় তাদের নিরাপত্তা ও কল্যাণের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে সরকারিভাবেও এই
প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে যাচ্ছে। মূলত ধর্মীয় মূল্যবোধ ও আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েই এসকল এতিমখানা পরিচালিত হয়ে
আসছে। বাংলাদেশ সরকার সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে এতিমখানার জন্য, যা সরকারি শিশুপরিবার নামে পরিচিত
শিশু সুরক্ষা ও কল্যাণে কর্মসূচি প্রণয়ন করে থাকে। বাংলাদেশে সরকারি এতিমখানাগুলো শিশুপরিবার বা বেবিহোম নামে
পরিচিত। এখানে একজন আপা ও একজন ভাইয়ার সার্বক্ষণিক তত্ত¡াবধানে ২০-২৫ জন এতিম পারিবারিক পরিবেশে বড়
হচ্ছে। এছাড়াও এতিমখানাগুলো বিভিন্ন বিদেশি সংস্থার সহায়তায় পরিচালিত হচ্ছে। যেমনÑ এসওএস শিশুপল্লী ঢাকার
শ্যামলীতে রয়েছে। তাই বলা যায় যে, এতিম, অসহায়, দুঃস্থ ও পরিত্যক্ত শিশুর সুরক্ষা এবং কল্যাণে তাদের আবাসন ও
লালন পালন, পারিবারিক স্নেহ, ভালোবাসা, শিক্ষা, মৌলিক চাহিদা পূরণ, সুষ্ঠু সামাজিকীকরণ, নিরাপত্তা, স্বনির্ভরতা
অর্জনসহ তাদের পূনর্বাসনের জন্য এতিমখানার গুরুত্ব অনস্বীকার্য।
সারসংক্ষেপ
সনাতন সমাজকল্যাণের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হলো এতিমখানা। পিতৃহীন, পিতৃ-মাতৃহীন শিশুদের লালনপালন ও
ভরণ-পোষণসহ তাদের সার্বিক নিরাপত্তা প্রদান ও সুষ্ঠু, যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলে যে প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তাই
হলো এতিমখানা। বাংলাদেশে সরকারি ও বেসরকারিভাবে অসংখ্য এতিমখানা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কার্যপরিধির ক্ষেত্রে
অন্যান্য সকল ঐতিহ্যগত প্রতিষ্ঠান থেকে এতিমখানার গুরুত্ব সর্বাধিক।
সঠিক উত্তরের পাশে টিক (√) চিহ্ন দিন :
১। কোনটি শিশুকল্যাণে নিয়োজিত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান?
ক) লঙ্গরখানা খ) সরাইখানা গ) এতিমখানা ঘ) বায়তুলমাল
২। এতিমখানার উদ্দেশ্য হলোÑ
র. এতিম শিশুর সুষ্ঠু বিকাশ ও শিক্ষার ব্যবস্থা করা
রর. শিশুদের নিরাপদ আশ্রয় ও ভরণপোষণের ব্যবস্থা করা
ররর. অনাথ শিশু-কিশোরদের সামাজিক পরিবেশে বসবাসের উপযোগী করে গড়ে তোলা
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) র ও রর খ) র ও ররর গ) রর ও ররর ঘ) র, রর ও ররর
চূড়ান্ত মূল্যায়ন
ক. বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
১। সরাইখানার আধুনিক রূপ কোনটি?
ক) বিদ্যালয় খ) পর্যটন গ) হোটেল ঘ) এতিমখানা
২। যাকাত শব্দের অর্থ কী?
ক) দান খ) পবিত্রতা গ) সেবা ঘ) ন্যায়বিচার
৩। দেবোত্তরের আভিধানিক অর্থÑ
র. মানুষের সম্পত্তি
রর. দেবতার সম্পত্তি
ররর. ঈশ্বরের সম্পত্তি
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) র ও রর খ) র ও ররর গ) রর ও ররর ঘ) র, রর ও ররর
৪। কোনটি বিশ্বের একমাত্র ধর্মীয় বাধ্যতামূলক কর?
ক) সদ্কা খ) যাকাত গ) ওয়াক্ফ ঘ) খয়রাত
৫। সম্পত্তি দেবোত্তর করার উদ্দেশ্যে অন্তুর্ভুক্তÑ
র. হাসপাতাল স্থাপনের জন্যে
রর. দরিদ্র ও ব্রাহ্মণ ভোজের জন্যে
ররর. মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধ-শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্যে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) র ও রর খ) র ও ররর গ) রর ও ররর ঘ) র, রর ও ররর
৬। বাংলাদেশে শিশুপালন প্রতিষ্ঠানগুলোকে আখ্যায়িত করা হয়Ñ
র. বেবিহোম
রর. শিশু পরিবার
ররর. শিশু সদন
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) র ও রর খ) র ও ররর গ) রর ও ররর ঘ) র, রর ও ররর
৭। বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল কোনটির সাথে তুলনীয়?
ক) বায়তুলমাল খ) ধর্মগোলা গ) সদ্কা ঘ) যাকাত
খ. সৃজনশীল প্রশ্ন
১। দিলারা হোসেন অনেক সম্পত্তির মালিক। তিনি প্রতি বছর তার মোট সম্পত্তি হিসাব করে একটি নির্দিষ্ট অংশ মুসলিম
দরিদ্র ব্যক্তিদের ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী দান করেন। এটি ইসলাম ধর্মের বিধান অনুযায়ী তার একটি বাধ্যতামূলক
কাজ।
ক) দেবোত্তর কত প্রকার? ১
খ) এতিমখানার ধারণা দিন। ২
গ) উদ্দীপকে দিলারা হোসেনের কাজে সমাজকল্যাণ ব্যবস্থার কোন রূপ প্রকাশ পেয়েছে?Ñ ব্যাখ্যা করুন। ৩
ঘ) সমাজকর্মে উক্ত ব্যবস্থার গুরুত্ব বিশ্লেষণ করুন। ৪
২। জনাব রেজওয়ানুল হক তাদের এলাকায় বড় রাস্তার পাশে একটি বড় বাড়ি নির্মাণ করেন। নিজের প্রয়োজনে তিনি
এটি ব্যবহার করেন না। এই পথে চলাচলকারী পথিক মুসাফিরগণ এখানে বিনামূল্যে বিশ্রাম নিয়ে থাকেন। তাদের
জন্য বিনামূল্যে খাবার ও ঔষুধ তিনি সরবরাহ করেন।
ক) ওয়াক্ফ কত প্রকার? ১
খ) সরাইখানার ধারণা দিন। ২
গ) উদ্দীপকে রেজওয়ানুল হক সমাজকল্যাণ ব্যবস্থায় কোন অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েছেন? ব্যাখ্যা করুন। ৩
ঘ) সমাজকর্মে উক্ত ব্যবস্থা অনেক গুরুত্বপূর্ণÑ বিশ্লেষণ করুন। ৪