সমাজকর্ম ও অর্থনীতির মধ্যে সম্পর্ক
অর্থনীতি কী?
অর্থনৈতিক কর্মকাÐ নিঃসন্দেহে মানুষের জীবনযাত্রার এক অপরিহার্য ও অবিচ্ছেদ্য অংশ। সেই আদিমকাল
থেকেই অর্থনৈতিক কর্মকাÐের অস্তিত্ব লক্ষ্য করা যায় এবং বর্তমানে সামাজিক বিজ্ঞান হিসেবে অর্থনীতি সমাজ উন্নয়ন ও
মানবকল্যাণে প্রত্যাশী। মানুষের অর্থনৈতিক কর্মকাÐের পরিবর্তন এবং গতিশীলতার কারণেই সামাজিক পরিবর্তনের ধারায়
আজকের দিনের সমাজ ব্যবস্থার সৃষ্টি। আর সামাজিক পরিবর্তনের সাথে সামঞ্জস্যবিধানে এবং পরিকল্পিত সমাজ গঠনের
একটি বিশেষ রূপ অর্থনীতি। মূলত সামাজিক বিজ্ঞানের একটি শাখা হিসেবে অর্থনীতি সমাজস্থ মানুষের অর্থনৈতিক
কর্মকাÐ নিয়ে পর্যালোচনা করে।
মার্শাল এর মতে, অর্থনীতি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ কার্যাবলী পর্যালোচনা করে।
অধ্যাপক পিগু বলেন, সামাজিক কল্যাণের যে অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অর্থের দ্বারা পরিমাপ করা যায় তার আলোচনা
করাই অর্থনীতির কাজ।
এল. রবিনস এর মতে, অর্থনীতি এমন এক বিজ্ঞান, যা মানুষের অসীম অভাব এবং বিকল্প ব্যবহারযোগ্য সীমিত সম্পদের
মধ্যে সম্পর্ক বিষয়ক মানব আচরণ সম্বন্ধে আলোচনা করে।
সুতরাং, অর্থনীতি এমন একটি সামাজিক বিজ্ঞান, যা মানুষের কল্যাণ সাধনে অসীম অভাব এবং সীমিত সম্পদের বিকল্প
ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করে।
৬.৫.২ সমাজকর্ম ও অর্থনীতির সম্পর্ক
সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে অর্থনীতি মানুষকে উন্নত জীবন লাভে সহায়তা করে। সমাজকর্মও নিজস্ব
সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে সাহায্যার্থীকে সমস্যার সমাধানের সাহায্য করে উন্নত জীবনযাপনে সহায়তা করে
তাই সমাজকর্ম ও অর্থনীতি পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। যেমন :
১। উদ্দেশ্যগত দিক থেকে সমাজকর্ম ও অর্থনীতির মধ্যে গভীর সম্পর্ক বিদ্যমান। সমাজকর্ম ব্যক্তি, দল ও সমষ্টির সমস্যা
সমাধানে প্রয়াসী। এজন্য সমাজকর্ম সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ও সর্বোচ্চ ব্যবহারের উপর গুরুত্ব দেয় যাতে সমস্যার স্থায়ী
সমাধান হয়। অন্যদিকে অর্থনীতিও সীমিত সম্পদ ও অসীম চাহিদা নিয়ে আলোচনা করে যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আনয়নের
জন্য উপযোগী।
২। সমাজকর্ম ও অর্থনীতির লক্ষ্য হলো সুখী, সমৃদ্ধ ও উন্নত সমাজ গড়ে তোলা। এক্ষেত্রে সমাজকর্ম বিভিন্ন পদ্ধতি
ব্যবহার করে সমস্যা সমাধান ও প্রয়োজন পূরণে সচেষ্ট হয়। অন্যদিকে অর্থনীতিও মানুষের নিজস্ব সম্পদ দ্বারা আর্থ-
সামাজিক সমস্যা সমাধানে ভূমিকা পালন করে।
৩। মৌলিক ও মানবিক চাহিদা পূরণে সমাজকর্ম ও অর্থনীতি উভয়ই বিশেষ ভূমিকা পালন করে। মৌলিক ও মানবিক
চাহিদা থেকে অধিকাংশ সামাজিক সমস্যার জন্ম হয়। আর এই সমস্যা সমাধান অর্থনৈতিক প্রচেষ্টা ছাড়া সম্ভব নয়।
সমাজকর্মীরাও তাদের নিজস্ব কৌশল প্রয়োগ করে এ সমস্যা সমাধানে প্রয়াস চালায়।
৪। সমাজকর্ম ও অর্থনীতি উভয়ই স্বাবলম্বন নীতিতে বিশ্বাসী। সমাজকর্ম ও অর্থনীতি প্রাপ্ত বস্তুগত ও অবস্তুগত সম্পদের
সুষ্ঠু ব্যবহার ও সুষম বন্টনের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করে। সুতরাং নীতিগত দিক থেকে এই দুইয়ের সম্পর্ক রয়েছে।
৫। কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সমাজকর্ম ও অর্থনীতির সম্পর্ক গভীর। কেননা সমাজকর্ম ব্যক্তি, দল ও সমষ্টির প্রতিভার বিকাশ
সাধনে সহায়তা করে এবং স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলে। আর বেকারত্ব ও কর্মসংস্থান নিয়ে অর্থনীতির ব্যাপকভাবে আলোচনা করে।
৬। জীবনমান উন্নয়নে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রশিক্ষণ প্রভৃতি বিষয়ে নানা কর্মসূচি পরিচালনার মাধ্যমে উভয়ই মানুষের জীবনযাত্রা উন্নয়নে সাহায্য করে।
৭। কল্যাণমুখী ও বিকাশধর্মী অর্থনীতির আবির্ভাবের ফলে অর্থনীতি ও সমাজকর্মের সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে। বর্তমানে
অর্থনীতি একদিকে সমস্যা বিশ্লেষণ করে; অন্যদিকে মানবকল্যাণে অর্থনীতির সম্পৃক্ততার কারণে সমাজকর্মের সম্পর্ক
বেড়েই চলেছে।
সুতরাং বলা যায়, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অর্জনের ভিত্তিতে উভয়ই পরস্পর নির্ভরশীল। যে কোনো সমস্যা সমাধানে এবং
সামাজিক উন্নয়নে অর্থনীতি মূল নির্ধারক হিসেবে কাজ করে। তাই সমাজকর্ম অর্থনীতিকে বাদ দিয়ে অগ্রসর হতে পারে না।
অর্থনীতি ও সমাজকর্মের মধ্যে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে। যেমন :
১। সমাজকর্মের পরিধি অর্থনীতির পরিধির চেয়ে ব্যাপক।
২। অর্থনীতি মৌলিক বা তাত্তি¡ক সামাজিক বিজ্ঞান। সমাজকর্ম অনুশীলনধর্মী সামজিক বিজ্ঞান।
৩। অর্থনীতি বস্তুগত চাহিদা নিয়ে আলোচনা করে। অন্যদিকে সমাজকর্ম অবস্তুগত দিক নিয়েও আলোচনা করে।
৪। অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোন থেকেই অনেক ক্ষেত্রে অর্থনীতির আলোচনা সীমাবদ্ধ, কিন্তু সমাজকর্ম সমস্যা সমাধানে বহুমুখী
দৃষ্টিভঙ্গির অবতারণা করে।
৫। সমাজকর্ম যতটা কল্যাণমুখী অর্থনীতি সকল ক্ষেত্রে ততটা কল্যাণমুখী নাও হতে পারে।
সারসংক্ষেপ
সমাজকর্ম ও অর্থনীতির সুস্পষ্ট পার্থক্য থাকা সত্তে¡ও সমাজ ও মানুষের কল্যাণে উভয়ের ভূমিকা অত্যন্ত জোরালো।
সমাজকর্মের লক্ষ্য অর্জন অর্থনীতি ছাড়া সম্ভব নয়। অপরদিকে কল্যাণ অর্থনীতির চিন্তাধারা ছাড়া সমস্যা সমাধান সম্ভব
নয়। যেহেতু অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমেই সামাজিক উন্নয়ন সম্ভব তাই যে কোনো সমস্যা সমাধানে দুইয়ের মিশ্রণ অত্যাবশক।
সঠিক উত্তরের পাশে টিক (√) চিহ্ন দিন :
১। সমাজকর্ম ও অর্থনীতি সম্পর্কযুক্ত কেন?
ক) উভয়ই নাগরিকদের দায়িত্ব কতর্ব্য সম্পর্কে জ্ঞান দেয়
খ) উভয়ই সামাজিক বিজ্ঞান
গ) উভয়ই মানুষের মনো-সামাজিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা করে
ঘ) উভয়ই মানুষের উৎপত্তি ক্রমবিকাশ নিয়ে আলোচনা করে
২। অর্থনীতি ও সমাজকর্মকে একই সূত্রে আবদ্ধ করেছে কোনটি?
ক) কল্যাণমূলক অর্থনীতি খ) অর্থনৈতিক পরিকল্পনা
গ) ব্যষ্টিক অর্থনীতি ঘ) ইসলামিক অর্থনীতি
অর্থনৈতিক কর্মকাÐ নিঃসন্দেহে মানুষের জীবনযাত্রার এক অপরিহার্য ও অবিচ্ছেদ্য অংশ। সেই আদিমকাল
থেকেই অর্থনৈতিক কর্মকাÐের অস্তিত্ব লক্ষ্য করা যায় এবং বর্তমানে সামাজিক বিজ্ঞান হিসেবে অর্থনীতি সমাজ উন্নয়ন ও
মানবকল্যাণে প্রত্যাশী। মানুষের অর্থনৈতিক কর্মকাÐের পরিবর্তন এবং গতিশীলতার কারণেই সামাজিক পরিবর্তনের ধারায়
আজকের দিনের সমাজ ব্যবস্থার সৃষ্টি। আর সামাজিক পরিবর্তনের সাথে সামঞ্জস্যবিধানে এবং পরিকল্পিত সমাজ গঠনের
একটি বিশেষ রূপ অর্থনীতি। মূলত সামাজিক বিজ্ঞানের একটি শাখা হিসেবে অর্থনীতি সমাজস্থ মানুষের অর্থনৈতিক
কর্মকাÐ নিয়ে পর্যালোচনা করে।
মার্শাল এর মতে, অর্থনীতি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ কার্যাবলী পর্যালোচনা করে।
অধ্যাপক পিগু বলেন, সামাজিক কল্যাণের যে অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অর্থের দ্বারা পরিমাপ করা যায় তার আলোচনা
করাই অর্থনীতির কাজ।
এল. রবিনস এর মতে, অর্থনীতি এমন এক বিজ্ঞান, যা মানুষের অসীম অভাব এবং বিকল্প ব্যবহারযোগ্য সীমিত সম্পদের
মধ্যে সম্পর্ক বিষয়ক মানব আচরণ সম্বন্ধে আলোচনা করে।
সুতরাং, অর্থনীতি এমন একটি সামাজিক বিজ্ঞান, যা মানুষের কল্যাণ সাধনে অসীম অভাব এবং সীমিত সম্পদের বিকল্প
ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করে।
৬.৫.২ সমাজকর্ম ও অর্থনীতির সম্পর্ক
সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে অর্থনীতি মানুষকে উন্নত জীবন লাভে সহায়তা করে। সমাজকর্মও নিজস্ব
সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে সাহায্যার্থীকে সমস্যার সমাধানের সাহায্য করে উন্নত জীবনযাপনে সহায়তা করে
তাই সমাজকর্ম ও অর্থনীতি পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। যেমন :
১। উদ্দেশ্যগত দিক থেকে সমাজকর্ম ও অর্থনীতির মধ্যে গভীর সম্পর্ক বিদ্যমান। সমাজকর্ম ব্যক্তি, দল ও সমষ্টির সমস্যা
সমাধানে প্রয়াসী। এজন্য সমাজকর্ম সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ও সর্বোচ্চ ব্যবহারের উপর গুরুত্ব দেয় যাতে সমস্যার স্থায়ী
সমাধান হয়। অন্যদিকে অর্থনীতিও সীমিত সম্পদ ও অসীম চাহিদা নিয়ে আলোচনা করে যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আনয়নের
জন্য উপযোগী।
২। সমাজকর্ম ও অর্থনীতির লক্ষ্য হলো সুখী, সমৃদ্ধ ও উন্নত সমাজ গড়ে তোলা। এক্ষেত্রে সমাজকর্ম বিভিন্ন পদ্ধতি
ব্যবহার করে সমস্যা সমাধান ও প্রয়োজন পূরণে সচেষ্ট হয়। অন্যদিকে অর্থনীতিও মানুষের নিজস্ব সম্পদ দ্বারা আর্থ-
সামাজিক সমস্যা সমাধানে ভূমিকা পালন করে।
৩। মৌলিক ও মানবিক চাহিদা পূরণে সমাজকর্ম ও অর্থনীতি উভয়ই বিশেষ ভূমিকা পালন করে। মৌলিক ও মানবিক
চাহিদা থেকে অধিকাংশ সামাজিক সমস্যার জন্ম হয়। আর এই সমস্যা সমাধান অর্থনৈতিক প্রচেষ্টা ছাড়া সম্ভব নয়।
সমাজকর্মীরাও তাদের নিজস্ব কৌশল প্রয়োগ করে এ সমস্যা সমাধানে প্রয়াস চালায়।
৪। সমাজকর্ম ও অর্থনীতি উভয়ই স্বাবলম্বন নীতিতে বিশ্বাসী। সমাজকর্ম ও অর্থনীতি প্রাপ্ত বস্তুগত ও অবস্তুগত সম্পদের
সুষ্ঠু ব্যবহার ও সুষম বন্টনের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করে। সুতরাং নীতিগত দিক থেকে এই দুইয়ের সম্পর্ক রয়েছে।
৫। কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সমাজকর্ম ও অর্থনীতির সম্পর্ক গভীর। কেননা সমাজকর্ম ব্যক্তি, দল ও সমষ্টির প্রতিভার বিকাশ
সাধনে সহায়তা করে এবং স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলে। আর বেকারত্ব ও কর্মসংস্থান নিয়ে অর্থনীতির ব্যাপকভাবে আলোচনা করে।
৬। জীবনমান উন্নয়নে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রশিক্ষণ প্রভৃতি বিষয়ে নানা কর্মসূচি পরিচালনার মাধ্যমে উভয়ই মানুষের জীবনযাত্রা উন্নয়নে সাহায্য করে।
৭। কল্যাণমুখী ও বিকাশধর্মী অর্থনীতির আবির্ভাবের ফলে অর্থনীতি ও সমাজকর্মের সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে। বর্তমানে
অর্থনীতি একদিকে সমস্যা বিশ্লেষণ করে; অন্যদিকে মানবকল্যাণে অর্থনীতির সম্পৃক্ততার কারণে সমাজকর্মের সম্পর্ক
বেড়েই চলেছে।
সুতরাং বলা যায়, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অর্জনের ভিত্তিতে উভয়ই পরস্পর নির্ভরশীল। যে কোনো সমস্যা সমাধানে এবং
সামাজিক উন্নয়নে অর্থনীতি মূল নির্ধারক হিসেবে কাজ করে। তাই সমাজকর্ম অর্থনীতিকে বাদ দিয়ে অগ্রসর হতে পারে না।
অর্থনীতি ও সমাজকর্মের মধ্যে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে। যেমন :
১। সমাজকর্মের পরিধি অর্থনীতির পরিধির চেয়ে ব্যাপক।
২। অর্থনীতি মৌলিক বা তাত্তি¡ক সামাজিক বিজ্ঞান। সমাজকর্ম অনুশীলনধর্মী সামজিক বিজ্ঞান।
৩। অর্থনীতি বস্তুগত চাহিদা নিয়ে আলোচনা করে। অন্যদিকে সমাজকর্ম অবস্তুগত দিক নিয়েও আলোচনা করে।
৪। অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোন থেকেই অনেক ক্ষেত্রে অর্থনীতির আলোচনা সীমাবদ্ধ, কিন্তু সমাজকর্ম সমস্যা সমাধানে বহুমুখী
দৃষ্টিভঙ্গির অবতারণা করে।
৫। সমাজকর্ম যতটা কল্যাণমুখী অর্থনীতি সকল ক্ষেত্রে ততটা কল্যাণমুখী নাও হতে পারে।
সারসংক্ষেপ
সমাজকর্ম ও অর্থনীতির সুস্পষ্ট পার্থক্য থাকা সত্তে¡ও সমাজ ও মানুষের কল্যাণে উভয়ের ভূমিকা অত্যন্ত জোরালো।
সমাজকর্মের লক্ষ্য অর্জন অর্থনীতি ছাড়া সম্ভব নয়। অপরদিকে কল্যাণ অর্থনীতির চিন্তাধারা ছাড়া সমস্যা সমাধান সম্ভব
নয়। যেহেতু অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমেই সামাজিক উন্নয়ন সম্ভব তাই যে কোনো সমস্যা সমাধানে দুইয়ের মিশ্রণ অত্যাবশক।
সঠিক উত্তরের পাশে টিক (√) চিহ্ন দিন :
১। সমাজকর্ম ও অর্থনীতি সম্পর্কযুক্ত কেন?
ক) উভয়ই নাগরিকদের দায়িত্ব কতর্ব্য সম্পর্কে জ্ঞান দেয়
খ) উভয়ই সামাজিক বিজ্ঞান
গ) উভয়ই মানুষের মনো-সামাজিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা করে
ঘ) উভয়ই মানুষের উৎপত্তি ক্রমবিকাশ নিয়ে আলোচনা করে
২। অর্থনীতি ও সমাজকর্মকে একই সূত্রে আবদ্ধ করেছে কোনটি?
ক) কল্যাণমূলক অর্থনীতি খ) অর্থনৈতিক পরিকল্পনা
গ) ব্যষ্টিক অর্থনীতি ঘ) ইসলামিক অর্থনীতি