সমাজকর্মের গুরুত্ব
সমাজকর্মের গুরুত্ব
দ্রæত পরিবর্তনশীল ও জটিল সমাজের সমস্যা সমাধানে পেশাদার সমাজকর্মের গুরুত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে।
শিল্পবিপ্লবোত্তর সমাজের পারিবারিক বিশৃংখলা, সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা, সামাজিক বিচ্ছিন্নতা, অপরাধ, কিশোর
অপরাধসহ সৃষ্ট অন্যান্য সমস্যা কার্যকর মোকাবিলার লক্ষ্যে সমাজকর্ম পেশার উদ্ভব হয়েছিল। কালের পরিক্রমায়
সমাজকর্মের মাত্রা, গতি ও প্রকৃতিতে পরিলক্ষিত হয়েছে যুগোপযোগী ভিন্নতা। সমাজকর্মের পরিধি ও প্রয়োগমাত্রা
বিশ্লেষণ করলেই এর গুরুত্ব সম্পর্কে অনুধাবন করা যায়।
সমাজকর্ম মানুষ ও তার পরিবেশের মধ্যে আন্তঃক্রিয়ার উন্নয়নে পেশাগত সাহায্য প্রদানে প্রতিশ্রæতিবদ্ধ। এ লক্ষ্যে
পরিকল্পিত পরিবর্তন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যক্তি, দল ও সমষ্টিকে তাদের নিজস্ব সমস্যা নিজেদেরকেই সমাধানে সক্ষম
করে তোলা হয়। সমাজকর্ম অনুশীলনে পরিকল্পিত প্রতিনিধি হিসেবে সমাজকর্মীরা বিভিন্ন কৌশলের মাধ্যমে মানুষের
সমস্যার সমাধান দিয়ে থাকে, যা যেকোনো সমাজব্যবস্থার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।
সমাজকর্ম হচ্ছে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি, জ্ঞান ও কৌশলের সমন্বয়ে একটি আধুনিক সমন্বিত সামাজিক বিজ্ঞান, যা ব্যক্তি,
দল ও সমষ্টির বস্তুগত ও অবস্তুগত সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করে কাঙ্খিত সামাজিক ভূমিকা পালনে সক্ষম
করে তোলে। সুতরাং অসুবিধাগ্রস্ত দুস্থ তথা অনগ্রসর (নধপশধিৎফ) জনগোষ্ঠীর
সমস্যার দীর্ঘ স্থায়ী সমাধানে সমাজকর্ম পেশার আবশ্যকতা রয়েছে। সমাজের অবহেলিত, বঞ্চিত, দরিদ্র তথা পিছিয়ে
পড়া জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন, মানবাধিকার সুরক্ষা ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও সমাজকর্মের জ্ঞান ও
দক্ষতা ফলপ্রসূ।
সমাজকর্ম মানবতাবাদী ( পেশা হিসেবে জাতি-ধর্ম-বর্ণ-শ্রেণি নির্বিশেষে সকল মানুষকে মানুষ
হিসেবে মূল্য ও মর্যাদা দিয়ে থাকে। মানুষের অন্তর্নিহিত মূল্য ও মর্যাদার স্বীকৃতি, আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার, সম্পদের
সুষম বন্টন, সম্পদের যথাযথ ব্যবহার ও সকলের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণে সমাজকর্ম পেশা তাৎপর্যপূর্ণ।
সমাজকর্ম পেশা হিসেবে সমস্যাগ্রস্ত ব্যক্তি, দল ও সমষ্টিকে প্রাতিষ্ঠানিক ও পদ্ধতিনির্ভর সেবাদানে বিশ্বাসী। যার ফলে
সমাজকর্ম সনাতন ও বদন্যতানির্ভর সেবাদান প্রক্রিয়া থেকে সম্পূর্ণ পৃথক ও ভিন্নধর্মী। সমাজকর্ম পেশায় সমস্যাগ্রস্ত
ব্যক্তিকে পরনির্ভরশীল ও পরমুখাপেক্ষী না করে সাবলম্বী ও আত্মপ্রত্যয়ী হিসেবে তোলা হয়, যা প্রতিটি সমাজের জন্য
গুরুত্বপূর্ণ।
সমাজ প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল। ফলে সমস্যার গতি, প্রকৃতি ও মাত্রায় পরিবর্তন ও ভিন্নতা বিশেষভাবে লক্ষণীয়।
সুতরাং উন্নত বিশ্বের মনো-সামাজিক সমস্যার ন্যায় উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশের আর্থ-সামাজিক সমস্যার কার্যকর
মোকাবিলায় সমাজকর্মের জ্ঞান, দক্ষতা, কৌশল ও পদ্ধতি প্রয়োগের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। তাঁরা সমাজকর্ম পেশার কার্যাবলী
একটি চিত্রের সাহায্য তুলে ধরেছেন, যা থেকে ব্যক্তি, পরিবার, দল বা সংগঠন ও সমষ্টি বা সমাজ পর্যায়ে পরামর্শ,
সম্পদ ব্যবস্থাপনায় ও শিক্ষা কর্মকাÐের ক্ষেত্রে সমাজকর্মীর বহুমুখী ভূমিকা সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায়। নি¤েœ
দ্রæত পরিবর্তনশীল ও জটিল সমাজের সমস্যা সমাধানে পেশাদার সমাজকর্মের গুরুত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে।
শিল্পবিপ্লবোত্তর সমাজের পারিবারিক বিশৃংখলা, সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা, সামাজিক বিচ্ছিন্নতা, অপরাধ, কিশোর
অপরাধসহ সৃষ্ট অন্যান্য সমস্যা কার্যকর মোকাবিলার লক্ষ্যে সমাজকর্ম পেশার উদ্ভব হয়েছিল। কালের পরিক্রমায়
সমাজকর্মের মাত্রা, গতি ও প্রকৃতিতে পরিলক্ষিত হয়েছে যুগোপযোগী ভিন্নতা। সমাজকর্মের পরিধি ও প্রয়োগমাত্রা
বিশ্লেষণ করলেই এর গুরুত্ব সম্পর্কে অনুধাবন করা যায়।
সমাজকর্ম মানুষ ও তার পরিবেশের মধ্যে আন্তঃক্রিয়ার উন্নয়নে পেশাগত সাহায্য প্রদানে প্রতিশ্রæতিবদ্ধ। এ লক্ষ্যে
পরিকল্পিত পরিবর্তন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যক্তি, দল ও সমষ্টিকে তাদের নিজস্ব সমস্যা নিজেদেরকেই সমাধানে সক্ষম
করে তোলা হয়। সমাজকর্ম অনুশীলনে পরিকল্পিত প্রতিনিধি হিসেবে সমাজকর্মীরা বিভিন্ন কৌশলের মাধ্যমে মানুষের
সমস্যার সমাধান দিয়ে থাকে, যা যেকোনো সমাজব্যবস্থার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।
সমাজকর্ম হচ্ছে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি, জ্ঞান ও কৌশলের সমন্বয়ে একটি আধুনিক সমন্বিত সামাজিক বিজ্ঞান, যা ব্যক্তি,
দল ও সমষ্টির বস্তুগত ও অবস্তুগত সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করে কাঙ্খিত সামাজিক ভূমিকা পালনে সক্ষম
করে তোলে। সুতরাং অসুবিধাগ্রস্ত দুস্থ তথা অনগ্রসর (নধপশধিৎফ) জনগোষ্ঠীর
সমস্যার দীর্ঘ স্থায়ী সমাধানে সমাজকর্ম পেশার আবশ্যকতা রয়েছে। সমাজের অবহেলিত, বঞ্চিত, দরিদ্র তথা পিছিয়ে
পড়া জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন, মানবাধিকার সুরক্ষা ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও সমাজকর্মের জ্ঞান ও
দক্ষতা ফলপ্রসূ।
সমাজকর্ম মানবতাবাদী ( পেশা হিসেবে জাতি-ধর্ম-বর্ণ-শ্রেণি নির্বিশেষে সকল মানুষকে মানুষ
হিসেবে মূল্য ও মর্যাদা দিয়ে থাকে। মানুষের অন্তর্নিহিত মূল্য ও মর্যাদার স্বীকৃতি, আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার, সম্পদের
সুষম বন্টন, সম্পদের যথাযথ ব্যবহার ও সকলের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণে সমাজকর্ম পেশা তাৎপর্যপূর্ণ।
সমাজকর্ম পেশা হিসেবে সমস্যাগ্রস্ত ব্যক্তি, দল ও সমষ্টিকে প্রাতিষ্ঠানিক ও পদ্ধতিনির্ভর সেবাদানে বিশ্বাসী। যার ফলে
সমাজকর্ম সনাতন ও বদন্যতানির্ভর সেবাদান প্রক্রিয়া থেকে সম্পূর্ণ পৃথক ও ভিন্নধর্মী। সমাজকর্ম পেশায় সমস্যাগ্রস্ত
ব্যক্তিকে পরনির্ভরশীল ও পরমুখাপেক্ষী না করে সাবলম্বী ও আত্মপ্রত্যয়ী হিসেবে তোলা হয়, যা প্রতিটি সমাজের জন্য
গুরুত্বপূর্ণ।
সমাজ প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল। ফলে সমস্যার গতি, প্রকৃতি ও মাত্রায় পরিবর্তন ও ভিন্নতা বিশেষভাবে লক্ষণীয়।
সুতরাং উন্নত বিশ্বের মনো-সামাজিক সমস্যার ন্যায় উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশের আর্থ-সামাজিক সমস্যার কার্যকর
মোকাবিলায় সমাজকর্মের জ্ঞান, দক্ষতা, কৌশল ও পদ্ধতি প্রয়োগের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। তাঁরা সমাজকর্ম পেশার কার্যাবলী
একটি চিত্রের সাহায্য তুলে ধরেছেন, যা থেকে ব্যক্তি, পরিবার, দল বা সংগঠন ও সমষ্টি বা সমাজ পর্যায়ে পরামর্শ,
সম্পদ ব্যবস্থাপনায় ও শিক্ষা কর্মকাÐের ক্ষেত্রে সমাজকর্মীর বহুমুখী ভূমিকা সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায়। নি¤েœ