সমাজকর্ম পেশার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
আধুনিক সমাজকর্মের জন্মকালের ব্যাপ্তি বেশি দিনের না হলেও মানুষের মধ্যে কল্যাণ বা সেবার
মনোভাবের সূত্রপাত ঘটে সভ্যতার আদিলগ্ন থেকেই। মানব সভ্যতার প্রারম্ভেই পারস্পরিক সাহায্য,
সহযোগিতা ও সেবার সহজাত মনোবৃত্তি মানুষকে সংঘবদ্ধ জীবন যাপনে উদ্বুদ্ধ করে। আর এ ধরনের
কল্যাণমূলক প্রচেষ্টা থেকেই সমাজকল্যাণের যাত্রা শুরু। এই প্রচেষ্টাই পরিবর্তিত সামাজিক অবস্থার
সাথে সামঞ্জস্য রেখে ধাপে ধাপে বিভিন্ন পর্যায় অতিক্রম করে আধুনিক, বিজ্ঞানসম্মত ও সুসংগঠিত
পেশাদার সমাজকর্ম হিসেবে বিকশিত হয়েছে। তবে এর বীজ অংকুরিত হয় মূলত ইংল্যান্ডে। প্রাথমিক
পর্যায়ে দানশীলতা থেকে এর কার্যক্রম শুরু হয়, কিন্তু সময়ের আবর্তে মানুষের ধর্মীয়, সামাজিক ও
অর্থনৈতিক মূল্যবোধের পরিবর্তনের সাথে সাথে সেবামূলক কার্যক্রম ব্যক্তিগত, গোষ্ঠীগত ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায় অতিক্রম
করে সরকারের হস্তক্ষেপে আইন প্রণয়ন ও নিরাপত্তামূলক কর্মসূচির মাধ্যমে একটি স্থায়ী ও বৈজ্ঞানিক রূপরেখা লাভ করে।
আর এই সেবামূলক কর্মসূচি পরবর্তিতে আমেরিকায় আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক রূপ পরিগ্রহ করে পূর্ণাঙ্গ ও পরিপূর্ণতা অর্জনে
সক্ষম হয়।
মনোভাবের সূত্রপাত ঘটে সভ্যতার আদিলগ্ন থেকেই। মানব সভ্যতার প্রারম্ভেই পারস্পরিক সাহায্য,
সহযোগিতা ও সেবার সহজাত মনোবৃত্তি মানুষকে সংঘবদ্ধ জীবন যাপনে উদ্বুদ্ধ করে। আর এ ধরনের
কল্যাণমূলক প্রচেষ্টা থেকেই সমাজকল্যাণের যাত্রা শুরু। এই প্রচেষ্টাই পরিবর্তিত সামাজিক অবস্থার
সাথে সামঞ্জস্য রেখে ধাপে ধাপে বিভিন্ন পর্যায় অতিক্রম করে আধুনিক, বিজ্ঞানসম্মত ও সুসংগঠিত
পেশাদার সমাজকর্ম হিসেবে বিকশিত হয়েছে। তবে এর বীজ অংকুরিত হয় মূলত ইংল্যান্ডে। প্রাথমিক
পর্যায়ে দানশীলতা থেকে এর কার্যক্রম শুরু হয়, কিন্তু সময়ের আবর্তে মানুষের ধর্মীয়, সামাজিক ও
অর্থনৈতিক মূল্যবোধের পরিবর্তনের সাথে সাথে সেবামূলক কার্যক্রম ব্যক্তিগত, গোষ্ঠীগত ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায় অতিক্রম
করে সরকারের হস্তক্ষেপে আইন প্রণয়ন ও নিরাপত্তামূলক কর্মসূচির মাধ্যমে একটি স্থায়ী ও বৈজ্ঞানিক রূপরেখা লাভ করে।
আর এই সেবামূলক কর্মসূচি পরবর্তিতে আমেরিকায় আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক রূপ পরিগ্রহ করে পূর্ণাঙ্গ ও পরিপূর্ণতা অর্জনে
সক্ষম হয়।