ক্লিনিক্যাল সমাজকর্মের ধারণা ও ইতিহাস
‘ক্লিনিক্যাল সমাজকর্ম’ হচ্ছে সমাজকর্ম পেশার একটি বিশেষায়িত শাখা। প্রকৃতপক্ষে ‘ঈষরহরপধষ’ বা ক্লিনিক্যাল
শব্দটি গ্রীক কষরহব শব্দ থেকে উৎপত্তি হয়েছে যার অর্থ হচ্ছে কোনো কিছুর পাশে (ধঃ ঃযব নবংরফব)। অনেকে ক্লিনিক্যাল
সমাজকর্ম পরিভাষাটি ব্যক্তি সমাজকর্ম অথবা মনোচিকিৎসা সমাজকর্ম অর্থে ব্যবহার করলেও প্রকৃত অর্থে এগুলোর সঙ্গে
ক্লিনিক্যাল সমাজকর্মের কর্মপরিধিগত বেশ পার্থক্য রয়েছে। ক্লিনিক্যাল সমাজকর্মের প্রাথমিক ফোকাস হচ্ছে মানসিক,
আবেগীয়, মনো-সামাজিক ও আচরণগত কল্যাণ নিশ্চিত করা।
সাধারণ ভাষায়, ক্লিনিক্যাল সমাজকর্ম হচ্ছে সমাজকর্মের প্রত্যক্ষ অনুশীলনের এক বিশেষায়িত রূপ যার মাধ্যমে ব্যক্তি, দল,
পরিবার ও সমষ্টির মানসিক, আবেগীয় ও মনো-সামাজিক সামঞ্জস্যহীনতা দূর করে সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করা হয়।
জড়নবৎঃ খ. ইধৎশবৎ (২০০৩) প্রদত্ত সংজ্ঞা অনুযায়ী, “ক্লিনিক্যাল সমাজকর্ম হলো মানসিক ও সামাজিক সামঞ্জস্যহীনতা,
বিকলঙ্গতা অথবা আবেগীয় ও মানসিক ভারসাম্যহীনতার মতো অক্ষমতার প্রতিকার এবং প্রতিরোধে সমাজকর্মের তত্ত¡ ও
পদ্ধতির পেশাগত অনুশীলন
সুতরাং বলা যায়, ক্লিনিক্যাল সামজকর্ম হচ্ছে সমাজকর্মের সেই শাখা যা সমস্যাগ্রস্তদের শারীরিক, মানসিক, বুদ্ধিবৃত্তিক,
আবেগীয় ও মনো-সামাজিক সমস্যাদি সমাধানের লক্ষে সেবা প্রদান করে থাকে। এই সেবা কার্যক্রম সমস্যা মূল্যায়ন
২.৫.২ ক্লিনিক্যাল সমাজকর্মের ইতিহাস
প্রকৃতপক্ষে সমাজকর্মের পেশাগত বিকাশের সাথে সাথে এর বিভিন্ন বিশেষায়িত শাখাসমূহেরও বিকাশ হতে থাকে। ১৯৬১
সালে ঘঅঝড ক্লিনিক্যাল সমাজকর্মকে প্রাইভেট প্র্যাকটিসের জন্য অনুমোদন দেয় এবং ১৯৬৭ সালে ‘হ্যান্ডবুক অন দি
প্রাইভেট প্র্যাকটিস অব সোশ্যাল ওয়ার্ক’-এ এই সংক্রান্ত দিকনির্দেশনা প্রদান করে। পরবর্তীতে ১৯৭৮ সালে ঘঅঝড
ক্লিনিক্যাল সমাজকর্মকে আনুষ্ঠানিকভাবে সমাজকর্মের বিশেষায়িত শাখা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে এবং এ বিষয়ে একটি
টাস্কফোর্স গঠন করে। যার ফলাফল স্বরুপ ১৯৮২ সালে ‘প্রোভিশনাল কাউন্সিল অন ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্ক’ গঠিত
হয়, যা ক্লিনিক্যাল সমাজকর্মের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পরবর্তীতে বিশে^র বিভিন্ন দেশে ”ক্লিনিক্যাল সমাজকর্ম” সমাজকর্মের একটি বিশেষায়িত শাখা হিসেবে প্রতিষ্ঠা ও খ্যাতি লাভ করে।
সারসংক্ষেপ
ক্লিনিক্যাল সমাজকর্ম হচ্ছে সমাজকর্মের একটি বিশেষ শাখা যা মানসিক ও সামাজিক সামঞ্জস্যহীনতা, বিকলাঙ্গতা অথবা
আবেগীয় ভারসাম্যহীনতার মতো অক্ষমতার প্রতিকার ও প্রতিরোধে সমাজকর্মের তত্ত¡ ও পদ্ধতি প্রয়োগ করে। সর্বপ্রথম
১৯৬১ সালে ক্লিনিক্যাল সমাজকর্ম ধারণাটির সূত্রপাত ঘটে। পরবর্তীতে ১৯৭৮ সালে ঘঅঝড ক্লিনিক্যাল সমাজকর্মকে আনুষ্ঠানিকভাবে সমাজকর্মের বিশেষায়িত শাখা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।
শব্দটি গ্রীক কষরহব শব্দ থেকে উৎপত্তি হয়েছে যার অর্থ হচ্ছে কোনো কিছুর পাশে (ধঃ ঃযব নবংরফব)। অনেকে ক্লিনিক্যাল
সমাজকর্ম পরিভাষাটি ব্যক্তি সমাজকর্ম অথবা মনোচিকিৎসা সমাজকর্ম অর্থে ব্যবহার করলেও প্রকৃত অর্থে এগুলোর সঙ্গে
ক্লিনিক্যাল সমাজকর্মের কর্মপরিধিগত বেশ পার্থক্য রয়েছে। ক্লিনিক্যাল সমাজকর্মের প্রাথমিক ফোকাস হচ্ছে মানসিক,
আবেগীয়, মনো-সামাজিক ও আচরণগত কল্যাণ নিশ্চিত করা।
সাধারণ ভাষায়, ক্লিনিক্যাল সমাজকর্ম হচ্ছে সমাজকর্মের প্রত্যক্ষ অনুশীলনের এক বিশেষায়িত রূপ যার মাধ্যমে ব্যক্তি, দল,
পরিবার ও সমষ্টির মানসিক, আবেগীয় ও মনো-সামাজিক সামঞ্জস্যহীনতা দূর করে সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করা হয়।
জড়নবৎঃ খ. ইধৎশবৎ (২০০৩) প্রদত্ত সংজ্ঞা অনুযায়ী, “ক্লিনিক্যাল সমাজকর্ম হলো মানসিক ও সামাজিক সামঞ্জস্যহীনতা,
বিকলঙ্গতা অথবা আবেগীয় ও মানসিক ভারসাম্যহীনতার মতো অক্ষমতার প্রতিকার এবং প্রতিরোধে সমাজকর্মের তত্ত¡ ও
পদ্ধতির পেশাগত অনুশীলন
সুতরাং বলা যায়, ক্লিনিক্যাল সামজকর্ম হচ্ছে সমাজকর্মের সেই শাখা যা সমস্যাগ্রস্তদের শারীরিক, মানসিক, বুদ্ধিবৃত্তিক,
আবেগীয় ও মনো-সামাজিক সমস্যাদি সমাধানের লক্ষে সেবা প্রদান করে থাকে। এই সেবা কার্যক্রম সমস্যা মূল্যায়ন
২.৫.২ ক্লিনিক্যাল সমাজকর্মের ইতিহাস
প্রকৃতপক্ষে সমাজকর্মের পেশাগত বিকাশের সাথে সাথে এর বিভিন্ন বিশেষায়িত শাখাসমূহেরও বিকাশ হতে থাকে। ১৯৬১
সালে ঘঅঝড ক্লিনিক্যাল সমাজকর্মকে প্রাইভেট প্র্যাকটিসের জন্য অনুমোদন দেয় এবং ১৯৬৭ সালে ‘হ্যান্ডবুক অন দি
প্রাইভেট প্র্যাকটিস অব সোশ্যাল ওয়ার্ক’-এ এই সংক্রান্ত দিকনির্দেশনা প্রদান করে। পরবর্তীতে ১৯৭৮ সালে ঘঅঝড
ক্লিনিক্যাল সমাজকর্মকে আনুষ্ঠানিকভাবে সমাজকর্মের বিশেষায়িত শাখা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে এবং এ বিষয়ে একটি
টাস্কফোর্স গঠন করে। যার ফলাফল স্বরুপ ১৯৮২ সালে ‘প্রোভিশনাল কাউন্সিল অন ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্ক’ গঠিত
হয়, যা ক্লিনিক্যাল সমাজকর্মের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পরবর্তীতে বিশে^র বিভিন্ন দেশে ”ক্লিনিক্যাল সমাজকর্ম” সমাজকর্মের একটি বিশেষায়িত শাখা হিসেবে প্রতিষ্ঠা ও খ্যাতি লাভ করে।
সারসংক্ষেপ
ক্লিনিক্যাল সমাজকর্ম হচ্ছে সমাজকর্মের একটি বিশেষ শাখা যা মানসিক ও সামাজিক সামঞ্জস্যহীনতা, বিকলাঙ্গতা অথবা
আবেগীয় ভারসাম্যহীনতার মতো অক্ষমতার প্রতিকার ও প্রতিরোধে সমাজকর্মের তত্ত¡ ও পদ্ধতি প্রয়োগ করে। সর্বপ্রথম
১৯৬১ সালে ক্লিনিক্যাল সমাজকর্ম ধারণাটির সূত্রপাত ঘটে। পরবর্তীতে ১৯৭৮ সালে ঘঅঝড ক্লিনিক্যাল সমাজকর্মকে আনুষ্ঠানিকভাবে সমাজকর্মের বিশেষায়িত শাখা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।