সামাজিক সমস্যা ও সামাজিক আইন
মানুষ সমাজে কতগুলো স্থায়ী ব্যবস্থা বা সম্পর্কের ভিত্তিতে তাদের জৈবিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক
প্রয়োজনসমূহ মিটিয়ে নিরাপদ জীবনযাপনের চেষ্টা করে। কিন্তু কখনো কখনো এমন সব পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটে যার ফলে
সমাজের ব্যাপক অংশের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়, অনেক সময় বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে, তখন এ অবাঞ্ছিত পরিস্থিতিকে
সামাজিক সমস্যা হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান (২০০৩:৬২০) তাঁর সমাজবিজ্ঞান পরিচিতি গ্রন্থে বলেছেন, “সামাজিক সমস্যা বলতে এমন
একটি পরিস্থিতি বা অবস্থাকে বোঝায় যা সমাজের মানুষের দৃষ্টিতে সমাজের জন্য হুমকিস্বরুপ বলে অনুমিত হয়। আর
তাই স্বাভাবিকভাবে তার প্রতিকার একটা জরুরি কাজ বলে মনে করা হয়। সমাজের এই অনাকঙ্খিত ও অবাঞ্ছিত অবস্থা
থেকে উত্তরণের চুড়ান্ত উপায় হলো সামাজিক আইন।” সামাজিক সমস্যা মোকাবিলায় প্রণীত হয় সমাজিক আইন।
সামাজিক সমস্যা মানুষের সমাজজীবনকে বিপর্যস্ত ও বিপন্ন করে তোলে। সমাজের মানুষ এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে
চায়। এজন্য তারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে সমবেত প্রচেষ্টায় গড়ে তোলে সামাজিক আন্দোলন। সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে
জনমত গঠন করা হয়। অর্থাৎ সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে সমাজ থেকে সমস্যা দূরীকরণের জন্য মানুষের মধ্যে
সচেতনতাবোধ জাগিয়ে তোলা হয়।
সচেতন এসকল জনগণ সমাজ থেকে সমস্যা দূরীকরণের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
সরকার বিষয়টির যথার্থ গুরুত্ব দিয়ে এর সমাধানের জন্য সাংবিধানিক প্রক্রিয়া শুরু করে। অর্থাৎ একটি খসড়া আইন প্রণয়ন করে থাকে। নিচের ছকে বিষয়টি যথার্থভাবে তুলে ধরা হলো:
খসড়া আইনটি সংসদে উন্মুক্ত আলোচনার মাধ্যমে গৃহীত হয়। পরবর্তীতে রাষ্ট্র প্রধানের অনুমোদনের প্রেক্ষিতে আইনটি
পাস হয়। প্রণীত আইনটি পরবর্তীতে তার লক্ষ্য অর্জনে অর্থাৎ সামাজিক বিপর্যস্ত অবস্থা দূর করার জন্য প্রয়োগ করা হয়।
উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, সামাজিক আইন ও সামাজিক সমস্যা পরস্পর সম্পর্কিত। সামাজিক সমস্যা
সমাজ জীবনে অচলাবস্থার সৃষ্টি করে। সমাজের মানুষের জীবনকে করে তোলে অশান্ত ও বিশৃঙ্খল। সামাজিক বিভিন্ন
কাঠামো ও প্রতিষ্ঠান ভেঙে পড়ে। আর এ অবস্থা থেকে সমাজকে উত্তরণের জন্য প্রণীত হয় সামাজিক আইন।
সারসংক্ষেপ
সামাজিক সমস্যা বলতে এমন একটি পরিস্থিতি বা অবস্থা বোঝায় যা সমাজের মানুষের দৃষ্টিতে সমাজের জন্য
হুমকিস্বরুপ বলে অনুমিত হয়। আর তাই স্বাভাবিকভাবে তার প্রতিকার একটা জরুরি কাজ বলে মনে করা হয়।
সমাজের এই অনাকঙ্খিত ও অবাঞ্ছিত অবস্থা থেকে উত্তরণের চূড়ান্ত উপায় হলো সামাজিক আইন। সামাজিক সমস্যা
সমাজ জীবনে অচলাবস্থার সৃষ্টি করে। সমাজের মানুষের জীবনকে করে তোলে অশান্ত ও বিশৃঙ্খল। সামাজিক বিভিন্ন কাঠামো ও প্রতিষ্ঠান ভেঙে পড়ে। আর এ অবস্থা থেকে সমাজকে উত্তরণের জন্য প্রণীত হয় সামাজিক আইন।
পাঠোত্তর মূল্যায়ন-৫.২
সঠিক উত্তরের পাশে টিক (√) চিহ্ন দিন:
১। সচেতন জনগণ সমাজ থেকে সমস্যা দূরীকরণের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কার দৃষ্টি আকর্ষণ করে?
ক) রাষ্ট্র খ) রাজনৈতিক দল
গ) সরকার ঘ) সামাজিক প্রতিষ্ঠান
২। সামাজিক আইন প্রণয়নে যেসকল প্রক্রিয়া অনুসরন করা হয় তা হলোÑ
র. সামাজিক আন্দোলন
রর. জনমত গঠন
ররর. সামাজিক নীতি প্রণয়ন
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) র ও রর খ) র ও ররর
গ) রর ও ররর ঘ) র, রর ও ররর
প্রয়োজনসমূহ মিটিয়ে নিরাপদ জীবনযাপনের চেষ্টা করে। কিন্তু কখনো কখনো এমন সব পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটে যার ফলে
সমাজের ব্যাপক অংশের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়, অনেক সময় বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে, তখন এ অবাঞ্ছিত পরিস্থিতিকে
সামাজিক সমস্যা হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান (২০০৩:৬২০) তাঁর সমাজবিজ্ঞান পরিচিতি গ্রন্থে বলেছেন, “সামাজিক সমস্যা বলতে এমন
একটি পরিস্থিতি বা অবস্থাকে বোঝায় যা সমাজের মানুষের দৃষ্টিতে সমাজের জন্য হুমকিস্বরুপ বলে অনুমিত হয়। আর
তাই স্বাভাবিকভাবে তার প্রতিকার একটা জরুরি কাজ বলে মনে করা হয়। সমাজের এই অনাকঙ্খিত ও অবাঞ্ছিত অবস্থা
থেকে উত্তরণের চুড়ান্ত উপায় হলো সামাজিক আইন।” সামাজিক সমস্যা মোকাবিলায় প্রণীত হয় সমাজিক আইন।
সামাজিক সমস্যা মানুষের সমাজজীবনকে বিপর্যস্ত ও বিপন্ন করে তোলে। সমাজের মানুষ এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে
চায়। এজন্য তারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে সমবেত প্রচেষ্টায় গড়ে তোলে সামাজিক আন্দোলন। সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে
জনমত গঠন করা হয়। অর্থাৎ সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে সমাজ থেকে সমস্যা দূরীকরণের জন্য মানুষের মধ্যে
সচেতনতাবোধ জাগিয়ে তোলা হয়।
সচেতন এসকল জনগণ সমাজ থেকে সমস্যা দূরীকরণের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
সরকার বিষয়টির যথার্থ গুরুত্ব দিয়ে এর সমাধানের জন্য সাংবিধানিক প্রক্রিয়া শুরু করে। অর্থাৎ একটি খসড়া আইন প্রণয়ন করে থাকে। নিচের ছকে বিষয়টি যথার্থভাবে তুলে ধরা হলো:
খসড়া আইনটি সংসদে উন্মুক্ত আলোচনার মাধ্যমে গৃহীত হয়। পরবর্তীতে রাষ্ট্র প্রধানের অনুমোদনের প্রেক্ষিতে আইনটি
পাস হয়। প্রণীত আইনটি পরবর্তীতে তার লক্ষ্য অর্জনে অর্থাৎ সামাজিক বিপর্যস্ত অবস্থা দূর করার জন্য প্রয়োগ করা হয়।
উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, সামাজিক আইন ও সামাজিক সমস্যা পরস্পর সম্পর্কিত। সামাজিক সমস্যা
সমাজ জীবনে অচলাবস্থার সৃষ্টি করে। সমাজের মানুষের জীবনকে করে তোলে অশান্ত ও বিশৃঙ্খল। সামাজিক বিভিন্ন
কাঠামো ও প্রতিষ্ঠান ভেঙে পড়ে। আর এ অবস্থা থেকে সমাজকে উত্তরণের জন্য প্রণীত হয় সামাজিক আইন।
সারসংক্ষেপ
সামাজিক সমস্যা বলতে এমন একটি পরিস্থিতি বা অবস্থা বোঝায় যা সমাজের মানুষের দৃষ্টিতে সমাজের জন্য
হুমকিস্বরুপ বলে অনুমিত হয়। আর তাই স্বাভাবিকভাবে তার প্রতিকার একটা জরুরি কাজ বলে মনে করা হয়।
সমাজের এই অনাকঙ্খিত ও অবাঞ্ছিত অবস্থা থেকে উত্তরণের চূড়ান্ত উপায় হলো সামাজিক আইন। সামাজিক সমস্যা
সমাজ জীবনে অচলাবস্থার সৃষ্টি করে। সমাজের মানুষের জীবনকে করে তোলে অশান্ত ও বিশৃঙ্খল। সামাজিক বিভিন্ন কাঠামো ও প্রতিষ্ঠান ভেঙে পড়ে। আর এ অবস্থা থেকে সমাজকে উত্তরণের জন্য প্রণীত হয় সামাজিক আইন।
পাঠোত্তর মূল্যায়ন-৫.২
সঠিক উত্তরের পাশে টিক (√) চিহ্ন দিন:
১। সচেতন জনগণ সমাজ থেকে সমস্যা দূরীকরণের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কার দৃষ্টি আকর্ষণ করে?
ক) রাষ্ট্র খ) রাজনৈতিক দল
গ) সরকার ঘ) সামাজিক প্রতিষ্ঠান
২। সামাজিক আইন প্রণয়নে যেসকল প্রক্রিয়া অনুসরন করা হয় তা হলোÑ
র. সামাজিক আন্দোলন
রর. জনমত গঠন
ররর. সামাজিক নীতি প্রণয়ন
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) র ও রর খ) র ও ররর
গ) রর ও ররর ঘ) র, রর ও ররর