সেভ দ্য চিলড্রেন’র কার্যক্রমে সমাজকর্ম পদ্ধতির প্রয়োগ
বিশ্বব্যাপী শিশুদের জন্য সুস্থ, নিরাপদ, সামাজিক ও পারিবারিক পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে শিশুদের বিকাশ ও
আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এবং নারীদের ক্ষমতায়নে কাজ করে যাচ্ছে সেভ দ্য চিলড্রেন। সংস্থাটি তার অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনে
১২০ টি দেশে নিরলসভাবে বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বিশ্বের। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, এ্যাডভোকেসিসহ বিভিন্ন কার্যক্রম
পরিচালনা করে সেভ দ্য চিলড্রেন। এসব কার্যক্রমের ধরন, পরিধি, বিস্তৃতি ও উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করলে স্পষ্টত প্রতীয়মান হয়
সমাজকর্ম পদ্ধতির প্রয়োগ। সমাজকর্মের মৌলিক পদ্ধতি যথা ব্যক্তি সমাজকর্ম, দল সমাজকর্ম ও সমষ্টি উন্নয়ন এবং সমষ্টি
সংগঠনের তাৎপর্যপূর্ণ প্রয়োগ লক্ষণীয়।
দরিদ্র শিশুদের যথাযথ আত্মিক, মানসিক এবং শারীরিক উন্নয়নের জন্য সেভ দ্য চিলড্রেন, ‘শিশু দারিদ্র্য’ নামক কর্মসূচি
পরিচালনা করে, যার মূল উদ্দেশ্য হলো দরিদ্রপীড়িত শিশুদের উন্নয়ন নিশ্চিত করা এবং শিশুঅধিকার রক্ষা করা। এ
কর্মসূচির আওতায় সংস্থাটি কমিউনিটি ভিত্তিক প্রশিক্ষণ এর ব্যবস্থা করে। কমিউনিটি ভিত্তিক সচেতন দল তৈরি করে,
দলকে প্রশিক্ষণ দেয়, কর্মসংস্থানের উপকরণ সরবরাহ করে শিশুদের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব তৈরিতে জীবনমুখী শিক্ষার
ব্যবস্থা করে। এসব কার্যক্রমে সমষ্টি উন্নয়ন এবং দল সমাজকর্ম প্রয়োগ লক্ষণীয়। শিশুদের সকল প্রকার নির্যাতন,
অপব্যবহার, হয়রানি, ঝুঁিকপূর্ণ কাজ থেকে রক্ষার জন্য সেভ দ্য চিলড্রেন কাজ করে। নির্যাতিত শিশুদের পাশে দাঁড়িয়ে
আইনগত সহায়তার পাশাপাশি আশ্রয়, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং কাউন্সেলিং সেবা দিয়ে থাকে । বিশেষত অপহরণ বা
পাচারের শিকার শিশুদের ফিরিয়ে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে সংস্থাটি কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে। সুতরাং বলা যায়, ব্যক্তি
সমাজকর্মের নীতিমালার আলোকে মূল্যবোধ রক্ষা, ব্যক্তির মূল্য ও মর্যাদা স্বীকৃতি, শিশুকল্যাণ ও ক্ষমতার পুনরুদ্ধারে ব্যক্তি
সমাজকর্ম পদ্ধতির প্রয়োগ লক্ষ্য করা যায়।
এছাড়াও সেভ দ্য চিলড্রেন’র এর কার্যক্রমে সমাজকর্মের সমষ্টি উন্নয়ন ও সমষ্টি সংগঠন পদ্ধতি বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
শিশু ও মহিলাদের শিক্ষা, পুষ্টি, আনুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমে সমষ্টি উন্নয়ন পদ্ধতির প্রয়োগ ঘটানো যায়। সাধারণত অনুন্নত
বা উন্নয়নশীল দেশসমূহে সমষ্টির মানুষের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রসহ সার্বিক অবস্থার ইতিবাচক পরিবর্তনে সমষ্টি উন্নয়ন
পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। নিরাপত্তা ও যথাযথ কর্মসংস্থানের অভাবে অনেকসময় নারীরা সমাজের মূলস্রোত থেকে হারিয়ে
যায়। সেভ দ্য চিলড্রেন শিশুদের পাশাপাশি নারীদের উন্নয়নে বেশ কিছু কার্যক্রম পরিচালনা করে। পরিকল্পিত দল গঠন,
উৎপাদনমুখী কাজে উৎসাহী করা এবং কর্মসংস্থানে সহায়তা করার মাধ্যমে সেভ দ্য চিলড্রেন দল সমাজকর্মের নীতিমালাকে প্রয়োগ করে।
সারসংক্ষেপ
সেভ দ্য চিলড্রেন’র লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সাথে সমাজকর্মের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সাদৃশ্য রয়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিশু সুরক্ষা
সংগঠন, মানবিক কার্যক্রমসহ বেশ কিছু কার্যক্রমে সমাজকর্মের ব্যক্তি সমাজকর্ম, দল সমাজকর্ম এবং সমষ্টি উন্নয়ন ও সমষ্টি পদ্ধতির প্রয়োগ লক্ষ্য করা যায়।
পাঠোত্তর মূল্যায়ন-৮.৩
সঠিক উত্তরের পাশে টিক (√) চিহ্ন দিন:
১। ক্ষমতার পুনরুদ্ধারে সমাজকর্মের কোন পদ্ধতির প্রয়োগ করা হয়?
ক) ব্যক্তি সমাজকর্ম খ) দল সমাজকর্ম
গ) সমষ্টি উন্নয়ন ঘ) সমষ্টি সংগঠন
২। শিশুদের প্রতি ইতিবাচক মনোভার তৈরিতে সেভ দ্য চিলড্রেন কী করে?
ক) কারিগরী শিক্ষার ব্যবস্থা করে খ) আনুষ্ঠানিক শিক্ষার ব্যবস্থা করে
গ) জীবনমুখী শিক্ষার ব্যবস্থা করে ঘ) অনানুষ্ঠানিক শিক্ষার ব্যবস্থা করে
আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এবং নারীদের ক্ষমতায়নে কাজ করে যাচ্ছে সেভ দ্য চিলড্রেন। সংস্থাটি তার অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনে
১২০ টি দেশে নিরলসভাবে বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বিশ্বের। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, এ্যাডভোকেসিসহ বিভিন্ন কার্যক্রম
পরিচালনা করে সেভ দ্য চিলড্রেন। এসব কার্যক্রমের ধরন, পরিধি, বিস্তৃতি ও উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করলে স্পষ্টত প্রতীয়মান হয়
সমাজকর্ম পদ্ধতির প্রয়োগ। সমাজকর্মের মৌলিক পদ্ধতি যথা ব্যক্তি সমাজকর্ম, দল সমাজকর্ম ও সমষ্টি উন্নয়ন এবং সমষ্টি
সংগঠনের তাৎপর্যপূর্ণ প্রয়োগ লক্ষণীয়।
দরিদ্র শিশুদের যথাযথ আত্মিক, মানসিক এবং শারীরিক উন্নয়নের জন্য সেভ দ্য চিলড্রেন, ‘শিশু দারিদ্র্য’ নামক কর্মসূচি
পরিচালনা করে, যার মূল উদ্দেশ্য হলো দরিদ্রপীড়িত শিশুদের উন্নয়ন নিশ্চিত করা এবং শিশুঅধিকার রক্ষা করা। এ
কর্মসূচির আওতায় সংস্থাটি কমিউনিটি ভিত্তিক প্রশিক্ষণ এর ব্যবস্থা করে। কমিউনিটি ভিত্তিক সচেতন দল তৈরি করে,
দলকে প্রশিক্ষণ দেয়, কর্মসংস্থানের উপকরণ সরবরাহ করে শিশুদের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব তৈরিতে জীবনমুখী শিক্ষার
ব্যবস্থা করে। এসব কার্যক্রমে সমষ্টি উন্নয়ন এবং দল সমাজকর্ম প্রয়োগ লক্ষণীয়। শিশুদের সকল প্রকার নির্যাতন,
অপব্যবহার, হয়রানি, ঝুঁিকপূর্ণ কাজ থেকে রক্ষার জন্য সেভ দ্য চিলড্রেন কাজ করে। নির্যাতিত শিশুদের পাশে দাঁড়িয়ে
আইনগত সহায়তার পাশাপাশি আশ্রয়, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং কাউন্সেলিং সেবা দিয়ে থাকে । বিশেষত অপহরণ বা
পাচারের শিকার শিশুদের ফিরিয়ে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে সংস্থাটি কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে। সুতরাং বলা যায়, ব্যক্তি
সমাজকর্মের নীতিমালার আলোকে মূল্যবোধ রক্ষা, ব্যক্তির মূল্য ও মর্যাদা স্বীকৃতি, শিশুকল্যাণ ও ক্ষমতার পুনরুদ্ধারে ব্যক্তি
সমাজকর্ম পদ্ধতির প্রয়োগ লক্ষ্য করা যায়।
এছাড়াও সেভ দ্য চিলড্রেন’র এর কার্যক্রমে সমাজকর্মের সমষ্টি উন্নয়ন ও সমষ্টি সংগঠন পদ্ধতি বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
শিশু ও মহিলাদের শিক্ষা, পুষ্টি, আনুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমে সমষ্টি উন্নয়ন পদ্ধতির প্রয়োগ ঘটানো যায়। সাধারণত অনুন্নত
বা উন্নয়নশীল দেশসমূহে সমষ্টির মানুষের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রসহ সার্বিক অবস্থার ইতিবাচক পরিবর্তনে সমষ্টি উন্নয়ন
পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। নিরাপত্তা ও যথাযথ কর্মসংস্থানের অভাবে অনেকসময় নারীরা সমাজের মূলস্রোত থেকে হারিয়ে
যায়। সেভ দ্য চিলড্রেন শিশুদের পাশাপাশি নারীদের উন্নয়নে বেশ কিছু কার্যক্রম পরিচালনা করে। পরিকল্পিত দল গঠন,
উৎপাদনমুখী কাজে উৎসাহী করা এবং কর্মসংস্থানে সহায়তা করার মাধ্যমে সেভ দ্য চিলড্রেন দল সমাজকর্মের নীতিমালাকে প্রয়োগ করে।
সারসংক্ষেপ
সেভ দ্য চিলড্রেন’র লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সাথে সমাজকর্মের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সাদৃশ্য রয়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিশু সুরক্ষা
সংগঠন, মানবিক কার্যক্রমসহ বেশ কিছু কার্যক্রমে সমাজকর্মের ব্যক্তি সমাজকর্ম, দল সমাজকর্ম এবং সমষ্টি উন্নয়ন ও সমষ্টি পদ্ধতির প্রয়োগ লক্ষ্য করা যায়।
পাঠোত্তর মূল্যায়ন-৮.৩
সঠিক উত্তরের পাশে টিক (√) চিহ্ন দিন:
১। ক্ষমতার পুনরুদ্ধারে সমাজকর্মের কোন পদ্ধতির প্রয়োগ করা হয়?
ক) ব্যক্তি সমাজকর্ম খ) দল সমাজকর্ম
গ) সমষ্টি উন্নয়ন ঘ) সমষ্টি সংগঠন
২। শিশুদের প্রতি ইতিবাচক মনোভার তৈরিতে সেভ দ্য চিলড্রেন কী করে?
ক) কারিগরী শিক্ষার ব্যবস্থা করে খ) আনুষ্ঠানিক শিক্ষার ব্যবস্থা করে
গ) জীবনমুখী শিক্ষার ব্যবস্থা করে ঘ) অনানুষ্ঠানিক শিক্ষার ব্যবস্থা করে