ই-গভর্নেন্সের প্রধান প্রধান প্রতিবন্ধকতা সম্পর্কে জানতে পারবে

সার্ভার, ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ, অবকাঠামো, নীতিমালা, বাজেট।
ই-গর্ভনেন্সের সুবিধা অনেক, কিন্তু সম্পূর্ণভাবে এটি প্রচলন করা ব্যয়বহুল ও সময় সাপেক্ষ। উন্নয়নশীল ও
অনুন্নত দেশগুলো ই-গর্ভনেন্স চালু করতে গিয়ে নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। নীচে এ বাঁধাগুলো
আলোচনা করা হল।
১। দিম্পি শ্রীবাস্তব এবং কে শর্মা (২০১০), ই-গভর্নেন্স প্রতিষ্ঠার পথে সবচেয়ে বড় অন্তরায় হিসেবে ভৌগোলিক,
সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যাকে চিহ্নিত করেছেন। নিরক্ষরতা ও অবকাঠামোগত সংকটের কারণেও ই-গর্ভনেন্সের
সফলতার সম্ভাবনা কমে যায়।
২। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে নাগরিক বিপুল অংশের মধ্যে সচেতনতার অভাব থাকায়, তারা ই-গর্ভনেন্সের সুবিধা গ্রহণে
এখনো অক্ষম। অনেক সীমাবদ্ধতা সত্তে¡ও বাংলাদেশের সরকারি পোর্টালে এখন প্রায় ৬৫টি সেবার ফরম পাওয়া যায়।
কিন্তু সাধারণ জনগোষ্ঠীর অনেকেই এ সম্পর্কে অবগত নয়।
৩। জোসেফ বাউলিয়া (২০০৯) এর মতে, ই-গভর্নেন্সের ক্ষেত্রে অন্যতম প্রতিবন্ধক হচ্ছে বাজেট এবং প্রশিক্ষণের অভাব।
বাংলাদেশেও এ সমস্যাগুলো প্রকট। উল্লেখ্য ২০১৫-১৬ অর্থবছরে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ দুই হাজার কোটি
টাকার অধিক অর্থ প্রস্তাব করলেও, অর্থ মন্ত্রণালয় তার অর্ধেক বরাদ্দ করতে পেরেছে।
৪। বাংলাদেশের মত অনেক দেশে ই-গভর্নেন্স যথাযথভাবে কার্যকর করার পথে একটি প্রধান অন্তরায় বিদ্যুৎ সংযোগ ও
বিদ্যুৎ ঘাটতি। বর্তমানে তিন-চতুর্থাংশ জনগোষ্ঠী বিদ্যুৎ সুবিধা ভোগ করলেও এখন অবধি বিপুল জনগোষ্ঠী এই
আওতার বাহিরে। তাছাড়া পল্লী অঞ্চলে ঘনঘন লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ সরবরাহের ভোল্টেজ কম হবার কারণে
কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহার বাধাগ্রস্ত হয়।
৫। বাংলাদেশের মত দেশে ই-গভর্নেন্সের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আরেকটি বাঁধা হচ্ছে ইন্টারনেটের ধীর গতি ও উচ্চমূল্য।
বাংলাদেশে ১০ ভাগের বেশি সংখ্যক মানুষের ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে।
৬। ব্যক্তি পর্যায়ে ই-গভর্নেন্সের সুবিধা পেতে হলে নিজস্ব কম্পিউটার থাকা জরুরী, যা দরিদ্র জনগণের পক্ষে সম্ভবপর হয়
না।
৭। কম্পিউটারের সার্ভার তথ্য ভাÐার হিসেবে কাজ করে বিধায়, প্রযুক্তিগত কারণে এ সার্ভারের কার্যক্রমে ত্রæটি দেখা দিলে
রাষ্ট্রীয়, সরকারি ও ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হবার আশঙ্কা থাকে, যা ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষার অধিকারের
পরিপন্থী।
৮। প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনী কাঠামোর অভাবে অনেক সময় ই-গর্ভনেন্স চালুকরণের উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত হয়।
সার-সংক্ষেপ
ই-গর্ভনেন্স যথাযথভাবে প্রচলনের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ও নীতি-নির্ধারণ এবং অবকাঠামোর উন্নয়ন জরুরি।
বাংলাদেশের মতো দেশে দক্ষ জনবলের অভাব, সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থা না থাকা, সর্বোপরি ডিজিটাল উপকরণের
সহজলভ্যতা না থাকা এবং বিনিয়োগের অভাব ই-গর্ভনেন্স প্রতিষ্ঠায় বিঘœ ঘটায়।
পাঠোত্তর মূল্যায়ন-৪.৫
সঠিক উত্তরের পাশে টিক (√) চিহ্ন দিন
১। বাংলাদেশে ই-গভর্নেন্স প্রতিষ্ঠার একটি অন্যতম প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে-
(ক) জনসচেতনতার অভাব (খ) অর্থনৈতিক বৈষম্য
(গ) উপরের কোনটিই না (ঘ) ক ও খ
২। বিদ্যুতের অভাব ই-গভর্নেন্স প্রতিষ্ঠার জন্য-
(ক) সহায়ক (খ) অন্তরায়
(গ) বিবেচ্য নয় (ঘ) কোনটি নয়

FOR MORE CLICK HERE
এইচএসসি বাংলা নোট ১ম পত্র ও ২য় পত্র
ENGLISH 1ST & SECOND PAPER
এইচএসসি আইসিটি নোট
এইচএসসি অর্থনীতি নোট ১ম পত্র ও ২য় পত্র
এইচএসসি পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র
এইচএসসি পৌরনীতি নোট ২য় পত্র
এইচএসসি সমাজকর্ম নোট ১ম পত্র
এইচএসসি সমাজকর্ম নোট ২য় পত্র
এইচএসসি সমাজবিজ্ঞান নোট ১ম পত্র ও ২য় পত্র
এইচএসসি ইতিহাস নোট ১ম পত্র
এইচএসসি ইতিহাস নোট ২য় পত্র
এইচএসসি ইসলামের ইতি. ও সংস্কৃতি নোট ১ম পত্র
এইচএসসি ইসলামের ইতি. ও সংস্কৃতি নোট ২য় পত্র
এইচএসসি যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র ও ২য় পত্র
এইচএসসি ভূগোল ও পরিবেশ নোট ১ম পত্র ও ২য় পত্র
এইচএসসি ইসলামিক স্টাডিজ ১ম ও ২য় পত্র

Copyright © Quality Can Do Soft.
Designed and developed by Sohel Rana, Assistant Professor, Kumudini Government College, Tangail. Email: [email protected]