Heart disease বা হৃদরোগে নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আজওয়া খেজুর খাবার ব্যবস্থাপত্র দিতেন। হযরত সা'দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “একদা আমি অসুস্থ হয়ে পড়লে নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দেখতে তশরীফ আনেন । তিনি স্বীয় হস্ত মুবারক আমার বুকের উপর রাখলেন। তাঁর পবিত্র হস্তের শীতলতা আমার অন্তর পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিল । অতঃপর নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন, তুমি অন্তরে কষ্ট অনুভব করছো। (তুমি হার্টের রোগী) কাজেই তুমি সাকীফ গোত্রের অধিবাসী হারিস ইবনে কালাদাহর নিকট যাও। কারণ সে একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসক। আর সে যেন মদীনার ৭টি আজওয়া খেজুর নিয়ে বিচিসহ পিষে তোমার জন্য তা দিয়ে সাতটি ট্যাবলেট তৈরি করে দেয়।" (আবূ দাউদ) ২
হযরত সা'দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি প্রতিদিন সকালে সাতটি উৎকৃষ্ট মানের (আজওয়া) খেজুর খাবে, সেদিন বিষ বা যাদু তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।” (সহীহ আল বুখারী ও মুসলিম) ৬৫৩
পাঠাতেন না। নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের advice was for temporary relief, not for permanent cure.
দর্শক-পাঠকবৃন্দ! আমি আশা করব Ajwah খেজুরের বিচি নিয়ে আধুনিক বিজ্ঞানাগারে গবেষণা হওয়া উচিত যে whether it has any chest pain (angina pectoris) killing property or not.
বরনি খেজুর সর্বোত্তম
হযরত আনাস ইবনে মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরবারে হিজর এলাকার আব্দুল কায়েসের প্রতিনিধি দল আগমন করলে তিনি বলেন, “তোমাদের খেজুরগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম হচ্ছে বরনি খেজুর। এটা অসুস্থতা দূর করে এবং এর কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই।” (আল-মু'জামুল আওসাত, মুসতাদরাক ও আবূ নুয়াইম)। ৬৫৬ হাদীসটি হাসান।