Chicory-এর ইউনানি, হিন্দি, উর্দু ও Persian নাম হচ্ছে কানী। আরবি নাম হান্দাবা। বৈজ্ঞানিক নাম হচ্ছে Cichorium intybus L. এটি Wild Endive নামেও পরিচিত। এটি একটি বারোমেসে গাছ (perennial herb) এবং এটি Asteraceae family-এর অন্তর্ভুক্ত।
কাসনী সম্পর্কে তিনটি হাদীস রয়েছে। কিন্তু এগুলো যে নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র মুখ থেকে নিঃসৃত তা সঠিকভাবে জানা যায় না, যদিও সবগুলো হাদীসই নিরবচ্ছিন্ন সনদের মাধ্যমে সংগৃহীত হয়েছে। কানী সম্পর্কে প্রথম হাদীসটি বর্ণনা করেন হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু । তিনি বর্ণনা করেন যে নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমরা কাসনী খাও। এটা শক্তভাবে ঝাঁকি দিওনা বা ধুয়ে ফেলো না। কারণ এমন কোনো দিন নেই যেদিন বেহেশতের পানি এ গাছের ওপর পতিত হয় না।” (আবূ নু'য়াইম) ৭৬২
নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেছেন, “তোমরা কাসনী খাও। এটাকে ফেলে
দিবেনা। কেননা প্রত্যেকটি কাসনী পাতার ওপর বেহেশত থেকে পানির ফোঁটা পতিত হয়ে থাকে।” (আবূ নু'য়াইম) ৭৬৩ এ হাদীস দু'টো ছাড়া নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এ সম্পর্কিত আর কোনো বক্তব্য আমি খুঁজে পাইনি। যাহোক, কাসনী মানুষের নিকট খুবই প্রিয়। ইউরোপীয় বাজারে এটি wild cherry syrup হিসেবে সুপরিচিত।
প্রাচীনকাল থেকে তা খাদ্য ও ওষুধ উভয় হিসেবেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ইউনানি চিকিৎসকগণ কাসনীর উপর বেশ গবেষণা করেছেন। Laboratory-তে গবেষণায় জানা যায় যে শিশুদের কফ নিরাময়ে এটি বেশ কার্যকর। It has been reported that aqueous extract of roots is a good remedy for eye troubles. তাছাড়া এটি GIT infammation এবং digestive problems-এ বেশ উপকারী। গাছটির প্রায় সকল অংশই বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে ফলপ্রদ। গাছটির ব্যাপক রোগ নিরাময় গুণাগুণের জন্য একে 'plant of life' নামে অভিহিত করা হয়ে থাকে। গাছটির এসব গুণাগুণই প্রমাণ করে যে হাদীসসমূহের বক্তব্য যে 'এ গাছের ওপর প্রতিদিন জান্নাত থেকে পানি ঝরে থাকে', তা সঠিক।