তাদের নৈতিক ও দীনি বিভ্রান্তির ধরন
আল্লাহর সম্পর্কে ধারণা এবং আখিরাত সম্পর্কে বিভ্রান্তিই তাদের অধঃপতনের মূল কারণ। এরপরে আর কোনো জিনিস তাদের চোখ খুলতে পারেনি। তারা তাদের নিজেদের ইতিহাস থেকে কোনো শিক্ষা গ্রহণ করেনি । দুনিয়ার পূজায় তারা নিজেরা নিজেদেরকে হারিয়ে ফেলেছে।
এ সম্পর্কে আল্লাহ কুরআনে বলছেন ঃ
وَقَطَّعْنَهُمْ فِي الْأَرْضِ أَمَمًا ، مِنْهُمُ الصَّالِحُونَ وَمِنْهُمْ دُونَ ذَلِكَ ، وَيَلَوْنَهُمْ بِالْحَسَنتِ وَالسَّيَاتِ لَعَلَّهُمْ يَرْجِعُونَه فَخَلَفَ مِنْ بَعْدِهِمْ خَلْفٌ ورِثُوا الكتب يَأْخُنُونَ عَرَضَ هَذَا الأدنى وَيَقُولُونَ سَيُغْفَرُ لَنَا ، وَإِنْ يَأْتِهِمْ عَرَضُ مثْلُهُ يَأخُذُوهُ - اَلَم يُؤْخَذْ عَلَيْهِمْ مِيثَاقَ الْكِتَبِ أنْ لايَقُولُوا عَلَى اللهِ إِلا الْحَقَّ وَدَرَسُوا مَا فِيهِ ، وَالدَّارُ الْآخِرَةُ خَيْرٌ لِّلَّذِينَ يَتَّقُونَ ، أَفَلَا تَعْقِلُونَ
“আর আমি তাদেরকে দুনিয়ায় খণ্ড খণ্ড করে অসংখ্য জাতির মধ্যে বিভক্ত করে দিয়েছি। তাদের মধ্যে কিছু লোক ভালো ছিলো। আর কিছু লোক ছিলো অন্যরকম। আর আমরা তাদেরকে ভালো মন্দ অবস্থায় ফেলে পরীক্ষা করতে থাকি । এ আশায় হয়তো তারা ফিরে আসবে। কিন্তু তাদের পরে এমন সব অযোগ্য লোক তাদের স্থলাভিষিক্ত হয়, যারা আল্লাহর কিতাবের উত্তরাধিকারী হয়ে এ নিকৃষ্ট দুনিয়ার স্বার্থাবলী লাভে লিপ্ত থাকে আর বলে “আশা করা যায় যে, আমাদেরকে মাফ করে দেয়া হবে।” সেই বৈষয়িক স্বার্থই আবার যদি তাদের সামনে এসে পড়ে, তাহলে অমনি টপ করে তারা হস্তগত করে। তাদের নিকট হতে কিতাবের প্রতিশ্রুতি কি আগে গ্রহণ করা হয়নি যে, আল্লাহর নামে তারা কেবল সে কথাই বলবে, যা সত্য ? আর কিতাবে যা কিছু লিখা হয়েছে তা তারা নিজেরা পড়েছে । পরকালের বাসস্থান তো খোদাভীরু লোকদের জন্যই হবে উত্তম । এতটুকুন কথাও কি তোমরা বুঝতে পারো না।”-সূরা আল আরাফ : ১৬৮-১৬৯
তাদের দুনিয়া প্রীতি সম্পর্কে আল্লাহ আরো বলেন : *.. وَلَتَجِدَنَّهُمْ أَحْرَصَ النَّاسِ عَلَى حَيوةٍ ، وَمِنَ الَّذِينَ أَشْرَكُوا ، يَوَدُّ أَحَدُهُمْ لَوْ يُعَمَّرُ أَلْفَ سَنَةٍ وَمَا هُوَ بِمُزَحْزِجِهِ مِنَ الْعَذَابِ أَنْ يُعَمَّرَ ، وَاللَّهُ بَصِيرٌ بِمَا ط ، ط -
“তোমরা তাদেরকে বেঁচে থাকার জন্য লোকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশী লোভী দেখতে পাবে। এমন কি এ ব্যাপারে তারা মুশরিকদের অপেক্ষাও অধিক অগ্রসর। তাদের প্রত্যেক ব্যক্তিই কোনো না কোনো ভাবে হাজার বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকতে চায় কিন্তু এত দীর্ঘ জীবনও তাদেরকে আযাব হতে দূরে সরিয়ে রাখতে পারবে না, তারা যেসব কাজকর্ম করছে তা সবই আল্লাহ দেখছেন।”-সূরা আল বাকারা : ৯৬
এ সম্পর্কে আল্লাহ কুরআনে বলছেন ঃ
وَقَطَّعْنَهُمْ فِي الْأَرْضِ أَمَمًا ، مِنْهُمُ الصَّالِحُونَ وَمِنْهُمْ دُونَ ذَلِكَ ، وَيَلَوْنَهُمْ بِالْحَسَنتِ وَالسَّيَاتِ لَعَلَّهُمْ يَرْجِعُونَه فَخَلَفَ مِنْ بَعْدِهِمْ خَلْفٌ ورِثُوا الكتب يَأْخُنُونَ عَرَضَ هَذَا الأدنى وَيَقُولُونَ سَيُغْفَرُ لَنَا ، وَإِنْ يَأْتِهِمْ عَرَضُ مثْلُهُ يَأخُذُوهُ - اَلَم يُؤْخَذْ عَلَيْهِمْ مِيثَاقَ الْكِتَبِ أنْ لايَقُولُوا عَلَى اللهِ إِلا الْحَقَّ وَدَرَسُوا مَا فِيهِ ، وَالدَّارُ الْآخِرَةُ خَيْرٌ لِّلَّذِينَ يَتَّقُونَ ، أَفَلَا تَعْقِلُونَ
“আর আমি তাদেরকে দুনিয়ায় খণ্ড খণ্ড করে অসংখ্য জাতির মধ্যে বিভক্ত করে দিয়েছি। তাদের মধ্যে কিছু লোক ভালো ছিলো। আর কিছু লোক ছিলো অন্যরকম। আর আমরা তাদেরকে ভালো মন্দ অবস্থায় ফেলে পরীক্ষা করতে থাকি । এ আশায় হয়তো তারা ফিরে আসবে। কিন্তু তাদের পরে এমন সব অযোগ্য লোক তাদের স্থলাভিষিক্ত হয়, যারা আল্লাহর কিতাবের উত্তরাধিকারী হয়ে এ নিকৃষ্ট দুনিয়ার স্বার্থাবলী লাভে লিপ্ত থাকে আর বলে “আশা করা যায় যে, আমাদেরকে মাফ করে দেয়া হবে।” সেই বৈষয়িক স্বার্থই আবার যদি তাদের সামনে এসে পড়ে, তাহলে অমনি টপ করে তারা হস্তগত করে। তাদের নিকট হতে কিতাবের প্রতিশ্রুতি কি আগে গ্রহণ করা হয়নি যে, আল্লাহর নামে তারা কেবল সে কথাই বলবে, যা সত্য ? আর কিতাবে যা কিছু লিখা হয়েছে তা তারা নিজেরা পড়েছে । পরকালের বাসস্থান তো খোদাভীরু লোকদের জন্যই হবে উত্তম । এতটুকুন কথাও কি তোমরা বুঝতে পারো না।”-সূরা আল আরাফ : ১৬৮-১৬৯
তাদের দুনিয়া প্রীতি সম্পর্কে আল্লাহ আরো বলেন : *.. وَلَتَجِدَنَّهُمْ أَحْرَصَ النَّاسِ عَلَى حَيوةٍ ، وَمِنَ الَّذِينَ أَشْرَكُوا ، يَوَدُّ أَحَدُهُمْ لَوْ يُعَمَّرُ أَلْفَ سَنَةٍ وَمَا هُوَ بِمُزَحْزِجِهِ مِنَ الْعَذَابِ أَنْ يُعَمَّرَ ، وَاللَّهُ بَصِيرٌ بِمَا ط ، ط -
“তোমরা তাদেরকে বেঁচে থাকার জন্য লোকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশী লোভী দেখতে পাবে। এমন কি এ ব্যাপারে তারা মুশরিকদের অপেক্ষাও অধিক অগ্রসর। তাদের প্রত্যেক ব্যক্তিই কোনো না কোনো ভাবে হাজার বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকতে চায় কিন্তু এত দীর্ঘ জীবনও তাদেরকে আযাব হতে দূরে সরিয়ে রাখতে পারবে না, তারা যেসব কাজকর্ম করছে তা সবই আল্লাহ দেখছেন।”-সূরা আল বাকারা : ৯৬