ব্রিটিশ সংবিধানে প্রথার গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর
প্রথা ঃ
সাধারণত প্রথা বলতে শাসন ব্যবস্থা সংক্রান্তকতগুলো অভ্যাস, ঐতিহ্য ও বুঝাপড়াকেই বুঝায়। প্রথাগুলো
(ঈড়হাবহঃরড়হং) আইন নয়, কিন্তু আইনের মতই তা মান্য করা হয়। আদালত কর্তৃক প্রথা প্রয়োগ করা
হয় না। কিন্তু যারা শাসন পদ্ধতির সাথে সংশ্লিষ্ট রয়েছেন, যারা রাজনৈতিক ক্ষমতা পরিচালনা করেন
অথবা যাঁরা সরকারের বিরোধিতা করেন, তাঁরা সকলেই প্রথাগুলো মেনে চলেন। জন স্টুয়ার্ট মিল প্রথা কে “সংবিধানের অলিখিত নীতি”
হিসাবে বর্ণনা করেন। মার্শাল ও মুডি ( প্রথার সংজ্ঞা নির্দেশ করতে গিয়ে বলেন,
“প্রথা হচ্ছ শাসনতন্ত্রের সকল বিধান যা শাসনব্যবস্থার পরিচালকগণকে অবশ্যই মান্য করতে হয়, কিন্তু
বিচারালয়ে প্রয়োগ করা হয় না, যদিও বিচারালয় তাদেরকে স্বীকৃতি দান করে।” জেনিংসের ভাষায়, “প্রথা
সংবিধানের শুকনো হাড়ের উপর মাংসের আচ্ছাদন প্রদান করেছে।” প্রথাগত বিধানগুলো ছাড়া লিখিত
সংবিধানের কাঠামো ভেঙ্গে পড়ত এবং শাসন ব্যবস্থার কার্যকারিতা অসম্ভব হয়ে পড়ত। প্রথা রাজপদ,
মন্ত্রী মন্ডলী, আইনপরিষদ এবং ব্যক্তিগতভাবে রাজার স্বেচ্ছাচারী ক্ষমতা প্রয়োগ প্রভৃতি নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
আইন ও প্রথার মধ্যে পার্থক্য
আইন ও প্রথার মধ্যে নি¤œলিখিত পার্থক্য বিদ্যমান ঃ
আইনকে আদালতের মাধ্যমে সরাসরি বলবৎ করা যায়, কিন্তু প্রথাকে আদালতের মাধ্যমে
প্রত্যক্ষভাবে বলবৎ করা যায় না।
আইনের স্বীকৃতি দেয়া হয় রাষ্ট্রের দ্বারা, কিন্তু প্রথার স্বীকৃতি দেয়া হয় জনসাধারণের দ্বারা।
প্রথা আইনের তুলনায় অনেক বেশী গতিশীল। কারণ, সংবিধানের সাথে খাপ খাওয়াতে বিচারবুদ্ধির
সাহায্যে সহজেই প্রথা উদ্ভাবন করা যায়।
পার্লামেন্ট কর্তৃক পাশকৃত আইন প্রথার চেয়ে বেশী মর্যাদা ভোগ করে। কারণ, পার্লামেন্টের আইন
প্রথাকে পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারে।
আইন সাধারণতঃ আইন পরিষদ কর্তৃক বিধিবদ্ধ হয়, কিন্তু প্রথা সেরূপ কোন সংস্থা কর্তৃক কোন
নির্দিষ্ট সময়ে বিধিবদ্ধ হয় না, বরং প্রথা ধীরে ধীরে গড়ে উঠে।
আইন স্থিতিশীল কিন্তু প্রথা গতিশীল
গ্রেট ব্রিটেনে প্রথাকে আইনের মতই সমাদর ও মান্য করা হয়। ব্রিটেনের ক্ষেত্রে আইন ও প্রথা একে
অপরের পরিপন্থী নয়, বরং পরস্পরের পরিপূরক। অনেক প্রথাকেই পার্লামেন্টে শেষ পর্যন্তআইনের
রূপ দেয়া হয়।
প্রথা কেন মান্য করা হয়?
মন্ত্রী মন্ডলী,
আইনপরিষদ এবং
ব্যক্তিগতভাবে
রাজার স্বোচ্ছাচারী
ক্ষমতা প্রয়োগ
প্রভৃতি নিয়ন্ত্রণ
করে থাকে
সাধারণত প্রথা বলতে শাসন ব্যবস্থা সংক্রান্তকতগুলো অভ্যাস, ঐতিহ্য ও বুঝাপড়াকেই বুঝায়। প্রথাগুলো
(ঈড়হাবহঃরড়হং) আইন নয়, কিন্তু আইনের মতই তা মান্য করা হয়। আদালত কর্তৃক প্রথা প্রয়োগ করা
হয় না। কিন্তু যারা শাসন পদ্ধতির সাথে সংশ্লিষ্ট রয়েছেন, যারা রাজনৈতিক ক্ষমতা পরিচালনা করেন
অথবা যাঁরা সরকারের বিরোধিতা করেন, তাঁরা সকলেই প্রথাগুলো মেনে চলেন। জন স্টুয়ার্ট মিল প্রথা কে “সংবিধানের অলিখিত নীতি”
হিসাবে বর্ণনা করেন। মার্শাল ও মুডি ( প্রথার সংজ্ঞা নির্দেশ করতে গিয়ে বলেন,
“প্রথা হচ্ছ শাসনতন্ত্রের সকল বিধান যা শাসনব্যবস্থার পরিচালকগণকে অবশ্যই মান্য করতে হয়, কিন্তু
বিচারালয়ে প্রয়োগ করা হয় না, যদিও বিচারালয় তাদেরকে স্বীকৃতি দান করে।” জেনিংসের ভাষায়, “প্রথা
সংবিধানের শুকনো হাড়ের উপর মাংসের আচ্ছাদন প্রদান করেছে।” প্রথাগত বিধানগুলো ছাড়া লিখিত
সংবিধানের কাঠামো ভেঙ্গে পড়ত এবং শাসন ব্যবস্থার কার্যকারিতা অসম্ভব হয়ে পড়ত। প্রথা রাজপদ,
মন্ত্রী মন্ডলী, আইনপরিষদ এবং ব্যক্তিগতভাবে রাজার স্বেচ্ছাচারী ক্ষমতা প্রয়োগ প্রভৃতি নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
আইন ও প্রথার মধ্যে পার্থক্য
আইন ও প্রথার মধ্যে নি¤œলিখিত পার্থক্য বিদ্যমান ঃ
আইনকে আদালতের মাধ্যমে সরাসরি বলবৎ করা যায়, কিন্তু প্রথাকে আদালতের মাধ্যমে
প্রত্যক্ষভাবে বলবৎ করা যায় না।
আইনের স্বীকৃতি দেয়া হয় রাষ্ট্রের দ্বারা, কিন্তু প্রথার স্বীকৃতি দেয়া হয় জনসাধারণের দ্বারা।
প্রথা আইনের তুলনায় অনেক বেশী গতিশীল। কারণ, সংবিধানের সাথে খাপ খাওয়াতে বিচারবুদ্ধির
সাহায্যে সহজেই প্রথা উদ্ভাবন করা যায়।
পার্লামেন্ট কর্তৃক পাশকৃত আইন প্রথার চেয়ে বেশী মর্যাদা ভোগ করে। কারণ, পার্লামেন্টের আইন
প্রথাকে পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারে।
আইন সাধারণতঃ আইন পরিষদ কর্তৃক বিধিবদ্ধ হয়, কিন্তু প্রথা সেরূপ কোন সংস্থা কর্তৃক কোন
নির্দিষ্ট সময়ে বিধিবদ্ধ হয় না, বরং প্রথা ধীরে ধীরে গড়ে উঠে।
আইন স্থিতিশীল কিন্তু প্রথা গতিশীল
গ্রেট ব্রিটেনে প্রথাকে আইনের মতই সমাদর ও মান্য করা হয়। ব্রিটেনের ক্ষেত্রে আইন ও প্রথা একে
অপরের পরিপন্থী নয়, বরং পরস্পরের পরিপূরক। অনেক প্রথাকেই পার্লামেন্টে শেষ পর্যন্তআইনের
রূপ দেয়া হয়।
প্রথা কেন মান্য করা হয়?
মন্ত্রী মন্ডলী,
আইনপরিষদ এবং
ব্যক্তিগতভাবে
রাজার স্বোচ্ছাচারী
ক্ষমতা প্রয়োগ
প্রভৃতি নিয়ন্ত্রণ
করে থাকে