SEO কত প্রকারঃ- এসইও কত প্রকার ও কি কি ? Types of SEO is Bangla
SEO কত প্রকারঃ-
>সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন কি সেটা তো জানলাম।এবার আসুন দেখে নেওয়া যাক seo কত প্রকার এবং কি কি?
প্রধানত সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন কে দুই প্রকার বলা হয়, অন পেজ এসইও ও অফ পেজ এসইও।
কিন্তু একটি সাইটকে এসইও উপযোগী করে তুলতে টেকনিক্যাল এসইও এর গুরুত্ব অনেক বেশী।তাই আমরা এসইও কে তিন ভাগে ভাগ করবো।
অন পেজ SEO এর গুরুত্বঃ
অনপেজ পেজ হলো সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশনের মধ্যমনি। সার্চ ইঞ্জিনে র্যাঙ্কিং এর ক্ষেত্রে অন্যতম বড় ফ্যাক্টর। তাই এর গুরুত্ব অপরিসীম।
এই প্রক্রিয়ার কাজ গুলো সব ওয়েবসাইটের ভিতরেই করা হয়ে থাকে।অনপেজ এসইও তে সর্বাধিক বিবেচ্য বিষয়গুলো হলো নিম্নরুপঃ
অফ পেজ এসইওঃ
যে প্রক্রিয়ায় নিজের ওয়েব সাইটের বাহিরে কাজ করে সাইটের ট্রাফিক বাড়ানো যায় তাকেই অফ পেজ এসইও বলে। এক কথায় অফপেজ এসইও হলো সাইটের প্রচারনা বা মার্কেটিং কৌশল।
কিন্তু নিশ্চিতভাবেই এটি র্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর হিসাবে কাজ করে থাকে।যার পরিপূর্ণ ব্যবহার করে সাইটের ভালো র্যাংক পাওয়া সম্ভব।
অফ পেজ seo এর গুরুত্বঃ
তাই সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশনের ক্ষেত্রে অফপেজ এসইও খুবই গুরত্বপূরন এবং দীর্ঘ মেয়াদী প্রক্রিয়া। নিজের সাইটের কন্ট্রোল প্যানেল এবং সার্চ ইঞ্জিনের বাহিরে থেকে অফপেজ এসইও কাজ করা হয়।
কোন জনপ্রিয় সাইটে নিজের সাইটের লিংক শেয়ার করা,সোশাল মিডিয়ায় বুক মারকিং,ডিরেক্টরী সাবমিশন,ইমেইল মার্কেটিং ইত্যাদি অফ পেজ এসইও এর আওতায় পড়ে।
ব্যাকলিংক তৈরি করা এবং রেফার সংগ্রহ করা এর মধ্যে অন্যতম কাজ।যার রেফার যত শক্তিশালী হবে তার র্যাংকিং তত ভালো হবে।
অফপেজ এসইও কোন নির্দিষ্ট পেজ নিয়ে নয় বরং পুরো ব্লগ বা ওয়েবসাইটে এর প্রভাব পড়ে।তাই সুনির্দিষ্ট পন্থায় অফ পেজ এসইও করতে পারলে অবশ্যই কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া যাবে।
কিভাবে অফ পেজ এসইও করতে হয়ঃ
অফপেজ এসইও এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিম্নে তুলে ধরা হলোঃ
১। ব্যাকলিংক তৈরি
২। Q/A ফোরাম পোষ্টিং
৩। সোশাল মিডিয়া এনগেজমেন্ট
৪। ডিরেক্টরী সাবমিশন
৫। ইমেইল মার্কেটিং
টেকনিক্যাল এসইওঃ
টেকনিক্যাল seo হলো সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশনের গোড়া।যেহেতু পুরা এসইও প্রক্রিয়া চলে একটি ওয়েবসাইটকে ঘিরে সেহেতু এর গুরুত্ব অবশ্যই অনেক বেশী।
একটি সাইটকে র্যাঙ্ক করার আগে সার্চ ইঞ্জিন প্রথমে দেখে যে সাইটটির লোড টাইম কত। অর্থাৎ সাইট টি ঠিক কত সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণ লোড হচ্ছে।
যদি লোড টাইম অনেক বেশী হয় তাহলে সার্চ ইঞ্জিন উক্ত সাইটকে নেগেটিভ ভাবে দেখে। যার প্রভাব সাইটের র্যাঙ্কিং এর উপরে পড়ে থাকে।
সুতরাং এসইও এর ক্ষেত্রে টেকনিক্যাল এসইও এর গুরুত্ব কোন অংশেই কম নয়।বরং টেকনিক্যাল এসইও এর দিকে নজড় দিলে শুরু থেকেই একটি সাইট এসইও ফ্রেন্ডলী হিসাবে গড়ে তোলা সম্ভব।
এছাড়াও টেকনিক্যাল এসইও তে আরোও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর রয়েছে ,যা র্যাঙ্কিং এ প্রভাব বিস্তার করে ।আসুন জেনে নেওয়া যাক
টেকনিক্যাল এসইও এর গুরুত্বঃ
একটি ওয়েবসাইটকে কেন্দ্র করেই এসইও এর সকল কার্যক্রম করা হয়ে থাকে।সুতরাং এসইও শুরু করার জন্য একটি ওয়েবসাইট অপরিহার্য বিষয়।
হাতে একটা ওয়েবসাইট থাকলে তারপরেই তো অনপেজ এসইও বা অফপেজ এসইও এর কাজ শুরু করা সম্ভব হবে।
ওয়ার্ড প্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরির সম্পর্কে জেনে নিন।
তাছাড়াও এসইও এর ক্ষেত্রে ওয়েবসাইটের টেকনিক্যাল কিছু বিষয় সরাসরি প্রভাব বিস্তার করে থাকে।
সাইট স্ট্রাকচার,ডিজাইন,পেজ লোড স্প্রিড টাইম,মোবাইল ইউজেবিলিটিএসবকিছুই এসইও এর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
কারন কেউ চাইলেই যেকোন একটা ওয়েবসাইটে এসইও কার্যকর করতে পারবে না তারজন্য পুরা সাইট টা এসইও ফ্রেন্ডলী হতে হবে্ড
SEO কি তা আমরা খুব সাধারন ভাষায় বুঝার চেষ্টা করেছি। ছোট বড় অনেক গুলো বিষয়ের সম্বনয়ে পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়ে থাকে।যার মধ্যে কোনটির গুরুত্ব ছোট করে দেখা যাবে না।তবে সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন এর কাজ করার প্রক্রিয়াটি বুঝতে পারলে SEO এর রহস্য উম্মোচন করা যাবে।
>সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন কি সেটা তো জানলাম।এবার আসুন দেখে নেওয়া যাক seo কত প্রকার এবং কি কি?
প্রধানত সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন কে দুই প্রকার বলা হয়, অন পেজ এসইও ও অফ পেজ এসইও।
SEO এর প্রকারভেদ
কিন্তু একটি সাইটকে এসইও উপযোগী করে তুলতে টেকনিক্যাল এসইও এর গুরুত্ব অনেক বেশী।তাই আমরা এসইও কে তিন ভাগে ভাগ করবো।
যথাঃ-
অন পেজ এসইও
অফ পেজ এসইও
টেকনিক্যাল এসইও
ওয়েবসাইট বা ওয়েবপেজ কে সার্চ ইঞ্জিনের উপযোগী করে তোলার জন্য যে প্রক্রিয়া ব্যবহার করা হয় সেটিই হলো অন পেজ এসইও।
আদতে অন পেজ এসইও হলো ওয়েব সাইটের ভিতরের কাজ। সার্চ ইঞ্জিন উপযোগী করে গড়ে তুলতে যে পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করা হয় সেগুলোই হলো অন পেজ এসইও।
অন পেজ এসইও
অফ পেজ এসইও
টেকনিক্যাল এসইও
অনপেজ SEO
অন পেজ SEO এর গুরুত্বঃ
অনপেজ পেজ হলো সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশনের মধ্যমনি। সার্চ ইঞ্জিনে র্যাঙ্কিং এর ক্ষেত্রে অন্যতম বড় ফ্যাক্টর। তাই এর গুরুত্ব অপরিসীম।
এই প্রক্রিয়ার কাজ গুলো সব ওয়েবসাইটের ভিতরেই করা হয়ে থাকে।অনপেজ এসইও তে সর্বাধিক বিবেচ্য বিষয়গুলো হলো নিম্নরুপঃ
১। কীওয়ার্ড
২। ইউ আর এল
৩। মেটা ডিসক্রিকশন
৪। ইন্টারনাল/এক্সটারনাল লিংক
৫। অল্টার ট্যাগ
৬। আর্টিকেল/কনটেন্ট
৭। এইচ ট্যাগের ব্যবহার
৮। রিডেবিলিটি
মোটামুটি এই কয়েকটি বিষয় কে সামনে রেখে একটি পেজ অপ্টিমাইজেশনের কাজ করা হয়ে থাকে।
২। ইউ আর এল
৩। মেটা ডিসক্রিকশন
৪। ইন্টারনাল/এক্সটারনাল লিংক
৫। অল্টার ট্যাগ
৬। আর্টিকেল/কনটেন্ট
৭। এইচ ট্যাগের ব্যবহার
৮। রিডেবিলিটি
অফ পেজ এসইওঃ
যে প্রক্রিয়ায় নিজের ওয়েব সাইটের বাহিরে কাজ করে সাইটের ট্রাফিক বাড়ানো যায় তাকেই অফ পেজ এসইও বলে। এক কথায় অফপেজ এসইও হলো সাইটের প্রচারনা বা মার্কেটিং কৌশল।
কিন্তু নিশ্চিতভাবেই এটি র্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর হিসাবে কাজ করে থাকে।যার পরিপূর্ণ ব্যবহার করে সাইটের ভালো র্যাংক পাওয়া সম্ভব।
অফপেজ SEO
অফ পেজ seo এর গুরুত্বঃ
তাই সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশনের ক্ষেত্রে অফপেজ এসইও খুবই গুরত্বপূরন এবং দীর্ঘ মেয়াদী প্রক্রিয়া। নিজের সাইটের কন্ট্রোল প্যানেল এবং সার্চ ইঞ্জিনের বাহিরে থেকে অফপেজ এসইও কাজ করা হয়।
কোন জনপ্রিয় সাইটে নিজের সাইটের লিংক শেয়ার করা,সোশাল মিডিয়ায় বুক মারকিং,ডিরেক্টরী সাবমিশন,ইমেইল মার্কেটিং ইত্যাদি অফ পেজ এসইও এর আওতায় পড়ে।
ব্যাকলিংক তৈরি করা এবং রেফার সংগ্রহ করা এর মধ্যে অন্যতম কাজ।যার রেফার যত শক্তিশালী হবে তার র্যাংকিং তত ভালো হবে।
অফপেজ এসইও কোন নির্দিষ্ট পেজ নিয়ে নয় বরং পুরো ব্লগ বা ওয়েবসাইটে এর প্রভাব পড়ে।তাই সুনির্দিষ্ট পন্থায় অফ পেজ এসইও করতে পারলে অবশ্যই কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া যাবে।
কিভাবে অফ পেজ এসইও করতে হয়ঃ
অফপেজ এসইও এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিম্নে তুলে ধরা হলোঃ
১। ব্যাকলিংক তৈরি
২। Q/A ফোরাম পোষ্টিং
৩। সোশাল মিডিয়া এনগেজমেন্ট
৪। ডিরেক্টরী সাবমিশন
৫। ইমেইল মার্কেটিং
টেকনিক্যাল এসইওঃ
টেকনিক্যাল seo হলো সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশনের গোড়া।যেহেতু পুরা এসইও প্রক্রিয়া চলে একটি ওয়েবসাইটকে ঘিরে সেহেতু এর গুরুত্ব অবশ্যই অনেক বেশী।
একটি সাইটকে র্যাঙ্ক করার আগে সার্চ ইঞ্জিন প্রথমে দেখে যে সাইটটির লোড টাইম কত। অর্থাৎ সাইট টি ঠিক কত সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণ লোড হচ্ছে।
যদি লোড টাইম অনেক বেশী হয় তাহলে সার্চ ইঞ্জিন উক্ত সাইটকে নেগেটিভ ভাবে দেখে। যার প্রভাব সাইটের র্যাঙ্কিং এর উপরে পড়ে থাকে।
সুতরাং এসইও এর ক্ষেত্রে টেকনিক্যাল এসইও এর গুরুত্ব কোন অংশেই কম নয়।বরং টেকনিক্যাল এসইও এর দিকে নজড় দিলে শুরু থেকেই একটি সাইট এসইও ফ্রেন্ডলী হিসাবে গড়ে তোলা সম্ভব।
এছাড়াও টেকনিক্যাল এসইও তে আরোও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর রয়েছে ,যা র্যাঙ্কিং এ প্রভাব বিস্তার করে ।আসুন জেনে নেওয়া যাক
টেকনিক্যাল SEO
টেকনিক্যাল এসইও এর গুরুত্বঃ
একটি ওয়েবসাইটকে কেন্দ্র করেই এসইও এর সকল কার্যক্রম করা হয়ে থাকে।সুতরাং এসইও শুরু করার জন্য একটি ওয়েবসাইট অপরিহার্য বিষয়।
হাতে একটা ওয়েবসাইট থাকলে তারপরেই তো অনপেজ এসইও বা অফপেজ এসইও এর কাজ শুরু করা সম্ভব হবে।
ওয়ার্ড প্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরির সম্পর্কে জেনে নিন।
তাছাড়াও এসইও এর ক্ষেত্রে ওয়েবসাইটের টেকনিক্যাল কিছু বিষয় সরাসরি প্রভাব বিস্তার করে থাকে।
সাইট স্ট্রাকচার,ডিজাইন,পেজ লোড স্প্রিড টাইম,মোবাইল ইউজেবিলিটিএসবকিছুই এসইও এর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
কারন কেউ চাইলেই যেকোন একটা ওয়েবসাইটে এসইও কার্যকর করতে পারবে না তারজন্য পুরা সাইট টা এসইও ফ্রেন্ডলী হতে হবে্ড
প্রথমে সাইটের প্রতিটি বিষয় এসইও উপযোগী করে তৈরি করতে হবে এবং পর্যায়ক্রমে এসইও এর পরবর্তী ধাপ গুলো এপ্লাই করতে হবে।
টেকনিক্যাল SEO এর ফ্যাক্টরসমূহঃ
এবার দেখে নেওয়া যাক টেকনিক্যাল এসইও এর মূল বিবেচ্য বিষয়সমূহঃ
১। সাইট স্ট্রাকচার ও ডিজাইন
২। পেজ লোড স্প্রিড টাইম
৩। মোবাইল ইউজেবিলিটি
৪। সাইট্ম্যাপ ও রোবট টেক্সট
৫। এস এস এল সার্টিফিকেট
৬। ব্রোকেন লিংক ফিক্স
৭। Crawl এররমুক্ত রাখা
৮। ৪০৪ (পেজ নট ফান্ড) এরর ফিক্স
মোটামুটি এই কয়েকটি বিষয় মাথায় রেখে ওয়েবসাইট ডেভলোপমেণ্ট এর কাজ করলে আশা করা যায় সাইটটি এসইও ফ্রেন্ডলী বলে গন্য হবে।
seo এর সম্পর্কে আরোও বিশদভাবে জানতে গুগলের SEO starter গাইডটি পড়ে দেখুন।
SEO কি তা আমরা খুব সাধারন ভাষায় বুঝার চেষ্টা করেছি। ছোট বড় অনেক গুলো বিষয়ের সম্বনয়ে পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়ে থাকে।যার মধ্যে কোনটির গুরুত্ব ছোট করে দেখা যাবে না।তবে সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন এর কাজ করার প্রক্রিয়াটি বুঝতে পারলে SEO এর রহস্য উম্মোচন করা যাবে।