ব্যাকলিংক (backlink) কি ? কিভাবে ব্যাকলিংক তৈরি করবেন (SEO
১। ব্যাকলিংক তৈরিঃব্যাকলিংক এর মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিন টার্গেট পেজ এবং তার কিওয়ার্ড সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারে।ব্যাকলিংক থেকে অনেক ভিজিটর পাওয়া যায় এবং ভালো র্যাংক পেতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে।
ব্যাকলিংক কিঃ
নিজের ওয়েবসাইটের সাথে সামজস্যপূর্ণ ওয়েবসাইটে নিজের সাইটের লিংক রেখে আসাকে ব্যাকলিংক বলে।এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কেটিং কৌশল।
আরোও সহজ করে বললে,অন্য একটা সাইটে আপনার সাইট বা কোন পোষ্টের এক্সটারনাল লিংকিং করাটাই হচ্ছে আপনার সাইটের ব্যাকলিংক।এক অর্থ ব্যাক লিংক মানে হচ্ছে রেফার করা।
একটা সাইটের যত বেশী ব্যাক লিংক থাকবে সার্চ ইঞ্জিনের কাছে সেই সাইটের বিশ্বস্ততা তত বেশী হবে অর্থ সেই পরিমান সাইট আপনার সাইটকে রেফার করেছে এটাই আপনার ব্যাকলিংকের কার্যকারিতা।
তবে, রিলেভেন্ট ব্যাকলিংক হওয়া বাহ্ননীয় তথাপি কিছু ক্ষেত্রে ইরিলেভেন্ট ব্যাকলিংক করতে হয়।যেমন,সোশাল ব্যাকলিংক,লোকাল সাইটেশন,ওয়েবসাইট লিষ্টিং ইত্যাদি।
ধরুন,আপনার সাইট বিজ্ঞান সম্পর্কীয় কিন্তু আপনি ভুগোল সম্পর্কিত সাইটে ব্যাকলিংক করলেন ,তাতে কিন্তু হিতে বিপরীত হওয়ার চান্স থাকে।
এসইও তে ব্যাকলিংক এর ভুমিকা খুবই গুরুত্বপূরন।এটি সার্চ ইঞ্জিনের কাছে বড় একটা র্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর।সেজন্যেই ব্যাকলিংক করার আগে অবশ্যই সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী ভেবে চিন্তে শুরু করা উচিত।
বিশেষ করে কোয়ালিটি ব্যাকলিংক, কিওয়ার্ড রেশিও,এঙ্কর রেশিও অনুযায়ী ব্যবহার করার ব্যাপারে সর্তক থাকতে হবে।
ব্যাকলিংক কত প্রকারঃ-
সাধারনত কার্যকারিতার দিক থেকে ব্যাকলিংক ২ প্রকার।
১) ডু ফলো ব্যাকলিংক
২) নো ফলো ব্যাকলিংক
১) ডু ফলো ব্যাকলিংকঃ
এই ধরনের লিংক এক পেজ থেকে অন্য পেজ কে অথরিটি দিয়ে থাকে।এই অথরিটি আবার লিংক জুস পাস করে থাকে।
অর্থাৎ এই ধরনের এক্সটারনাল লিংক করার সময় ক্রোলারকে লিংকটি ক্রল করার অনুমতি দেওয়া।যাতে সে সহজেই লিংকটি ক্রল করতে পারে।
২) নো ফলো ব্যাকলিংকঃ
এই ধরনের লিংক কোন অথরিটি দেয় না এবং কোন লিংক জুস পাস করে না।সরাসরি ক্রোলারকে লিংকটি ক্রল না করার নির্দেশনা দিয়ে রাখা।
যাতে ক্রোলার লিংকটি ক্রল না করে।
এছাড়াও সার্চ ইঞ্জিন সমূহ বিভিন্ন দৃষ্টি ভঙ্গি থেকে রেফারিং ডোমেইনের কোয়ালিটি বিবেচনা করে থাকে।যেমনঃ ডোমেইন অথরিটি (DA),পেজ অথরিটি (PA),লিংক প্রোফাইল ম্যাটিক্স (PF,CF) ইত্যাদি।
যেসব সাইটে ব্যাকলিংক রেখে আসতে আসতে চান সে সাইটগুলি সম্পর্কে আগে জেনে নিতে হবে।অন্তত আপনার সাইটের থেকে যেন সেই সাইট গুলোর ডিএ কম না হয়।
সম্ভব হলে ৩০ এর অধিক ডিএ সম্পন্ন সাইটে আপনার সাইটের ব্যাকলিংক তৈরি করা ভালো।যেকোন সাইটের ডিএ/পিএ জানার জন্য DA/PA Checker টুলসটি ব্যবহার করতে পারেন।
সুতরাং যেসব সাইটের ডোমেইন অথরিটি এবং পেজ অথরিটি বেশী সেসব সাইটে আপনার সাইটের লিংক রাখতে পারলে অতি অবশ্যই আপনার সাইটের ডিএ/পিএ বেড়ে যাবে এবং সার্চ ইঞ্জিনের কাছে ভালো র্যাংক পাওয়া সম্ভব হবে।
ব্যাক লিংক তৈরির উপায়ঃ-
আগেই বলেছি অফপেজ এসইও এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে লিংক বিল্ডিং।যেকোন সাইটে লিংক দেওয়ার পূর্বে একটা বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখতেই হবে।
যে সাইটে লিংক দিচ্ছেন সেটার ডিএ/পিএ যেন আপনার সাইটের চেয়ে বেশী হয় আর আপনার সাইটের বিষয়বস্তুর সাথে সামজস্য পূর্ণ হয়।
এবার আমরা ব্যাকলিংক তৈরি করার উপায় সমূহ জানবো।
১) গাষ্ট পোষ্টিংঃ
জনপ্রিয় ব্লগ সমূহে গাষ্ট পোষ্টিং এর সুযোগ থাকে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আপনি সেই ব্লগের জন্য একটি পোষ্ট করলেন।
সেই পোষ্টের কোন এক ফাঁকে প্রসঙ্গ ক্রমে আপনার একটা ব্লগ পোষ্টের লিংক দিয়ে দিলেন। মানসম্মত তথ্যবহুল লেখা হলে আপনার একটি লিংকসহ পোষ্টটি পাবলিশ হওয়ার সুযোগ থাকে।
যা থেকে আপনি নিজের সাইটের একটি ব্যাকলিংক পেয়ে যেতে পারেন। ভাল মানের ওয়েবসাইট থেকে সহজে ব্যাকলিংক পাওয়ার এটাই সহজ ও অন্যতম উপায়।
ব্যাকলিংক কিঃ
নিজের ওয়েবসাইটের সাথে সামজস্যপূর্ণ ওয়েবসাইটে নিজের সাইটের লিংক রেখে আসাকে ব্যাকলিংক বলে।এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কেটিং কৌশল।
আরোও সহজ করে বললে,অন্য একটা সাইটে আপনার সাইট বা কোন পোষ্টের এক্সটারনাল লিংকিং করাটাই হচ্ছে আপনার সাইটের ব্যাকলিংক।এক অর্থ ব্যাক লিংক মানে হচ্ছে রেফার করা।
একটা সাইটের যত বেশী ব্যাক লিংক থাকবে সার্চ ইঞ্জিনের কাছে সেই সাইটের বিশ্বস্ততা তত বেশী হবে অর্থ সেই পরিমান সাইট আপনার সাইটকে রেফার করেছে এটাই আপনার ব্যাকলিংকের কার্যকারিতা।
তবে, রিলেভেন্ট ব্যাকলিংক হওয়া বাহ্ননীয় তথাপি কিছু ক্ষেত্রে ইরিলেভেন্ট ব্যাকলিংক করতে হয়।যেমন,সোশাল ব্যাকলিংক,লোকাল সাইটেশন,ওয়েবসাইট লিষ্টিং ইত্যাদি।
ধরুন,আপনার সাইট বিজ্ঞান সম্পর্কীয় কিন্তু আপনি ভুগোল সম্পর্কিত সাইটে ব্যাকলিংক করলেন ,তাতে কিন্তু হিতে বিপরীত হওয়ার চান্স থাকে।
এসইও তে ব্যাকলিংক এর ভুমিকা খুবই গুরুত্বপূরন।এটি সার্চ ইঞ্জিনের কাছে বড় একটা র্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর।সেজন্যেই ব্যাকলিংক করার আগে অবশ্যই সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী ভেবে চিন্তে শুরু করা উচিত।
বিশেষ করে কোয়ালিটি ব্যাকলিংক, কিওয়ার্ড রেশিও,এঙ্কর রেশিও অনুযায়ী ব্যবহার করার ব্যাপারে সর্তক থাকতে হবে।
ব্যাকলিংক কত প্রকারঃ-
সাধারনত কার্যকারিতার দিক থেকে ব্যাকলিংক ২ প্রকার।
১) ডু ফলো ব্যাকলিংক
২) নো ফলো ব্যাকলিংক
১) ডু ফলো ব্যাকলিংকঃ
এই ধরনের লিংক এক পেজ থেকে অন্য পেজ কে অথরিটি দিয়ে থাকে।এই অথরিটি আবার লিংক জুস পাস করে থাকে।
অর্থাৎ এই ধরনের এক্সটারনাল লিংক করার সময় ক্রোলারকে লিংকটি ক্রল করার অনুমতি দেওয়া।যাতে সে সহজেই লিংকটি ক্রল করতে পারে।
২) নো ফলো ব্যাকলিংকঃ
এই ধরনের লিংক কোন অথরিটি দেয় না এবং কোন লিংক জুস পাস করে না।সরাসরি ক্রোলারকে লিংকটি ক্রল না করার নির্দেশনা দিয়ে রাখা।
যাতে ক্রোলার লিংকটি ক্রল না করে।
এছাড়াও সার্চ ইঞ্জিন সমূহ বিভিন্ন দৃষ্টি ভঙ্গি থেকে রেফারিং ডোমেইনের কোয়ালিটি বিবেচনা করে থাকে।যেমনঃ ডোমেইন অথরিটি (DA),পেজ অথরিটি (PA),লিংক প্রোফাইল ম্যাটিক্স (PF,CF) ইত্যাদি।
যেসব সাইটে ব্যাকলিংক রেখে আসতে আসতে চান সে সাইটগুলি সম্পর্কে আগে জেনে নিতে হবে।অন্তত আপনার সাইটের থেকে যেন সেই সাইট গুলোর ডিএ কম না হয়।
সম্ভব হলে ৩০ এর অধিক ডিএ সম্পন্ন সাইটে আপনার সাইটের ব্যাকলিংক তৈরি করা ভালো।যেকোন সাইটের ডিএ/পিএ জানার জন্য DA/PA Checker টুলসটি ব্যবহার করতে পারেন।
সুতরাং যেসব সাইটের ডোমেইন অথরিটি এবং পেজ অথরিটি বেশী সেসব সাইটে আপনার সাইটের লিংক রাখতে পারলে অতি অবশ্যই আপনার সাইটের ডিএ/পিএ বেড়ে যাবে এবং সার্চ ইঞ্জিনের কাছে ভালো র্যাংক পাওয়া সম্ভব হবে।
ব্যাক লিংক তৈরির উপায়ঃ-
আগেই বলেছি অফপেজ এসইও এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে লিংক বিল্ডিং।যেকোন সাইটে লিংক দেওয়ার পূর্বে একটা বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখতেই হবে।
যে সাইটে লিংক দিচ্ছেন সেটার ডিএ/পিএ যেন আপনার সাইটের চেয়ে বেশী হয় আর আপনার সাইটের বিষয়বস্তুর সাথে সামজস্য পূর্ণ হয়।
এবার আমরা ব্যাকলিংক তৈরি করার উপায় সমূহ জানবো।
১) গাষ্ট পোষ্টিংঃ
জনপ্রিয় ব্লগ সমূহে গাষ্ট পোষ্টিং এর সুযোগ থাকে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আপনি সেই ব্লগের জন্য একটি পোষ্ট করলেন।
সেই পোষ্টের কোন এক ফাঁকে প্রসঙ্গ ক্রমে আপনার একটা ব্লগ পোষ্টের লিংক দিয়ে দিলেন। মানসম্মত তথ্যবহুল লেখা হলে আপনার একটি লিংকসহ পোষ্টটি পাবলিশ হওয়ার সুযোগ থাকে।
যা থেকে আপনি নিজের সাইটের একটি ব্যাকলিংক পেয়ে যেতে পারেন। ভাল মানের ওয়েবসাইট থেকে সহজে ব্যাকলিংক পাওয়ার এটাই সহজ ও অন্যতম উপায়।