জাতীয় সংসদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার ও চীপ হুইপ

জাতীয় সংসদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার ও চীপ হুইপ

স্পীকার সংসদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। জাতীয় সংসদের বৈঠকে স্পীকার সভাপতিত্ব করেন। কোনো সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকে সংসদ-সদস্যদের মধ্য থেকে একজন স্পীকার ও একজন ডেপুটি স্পীকার নির্বাচন করা হয়।  স্পীকারের প্রধান দায়িত্ব সংসদে নিয়ম-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং এর  মর্যাদা সংরক্ষণ করা। স্পীকারকে নিরপেক্ষ হতে হয় এবং সংসদে সংখ্যালঘিষ্ঠ দলের সদস্যদের অধিকার সংরক্ষণের দায়িত্ব পালন করতে হয়। সংসদের অধিবেশন চলাকালে স্পীকারের সিদ্ধান্ত ও রুলিং অবশ্য পালনীয়। সংসদে শৃঙ্খলা রক্ষার প্রয়োজনে স্পীকার যেকোন সদস্যকে বহিষ্কার করতে পারেন। স্পীকার সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রণ করেন। সংসদ-সদস্যদের স্পীকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে হয়। বাংলাদেশের সংবিধানে বর্ণিত আছে, রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতি বা তাঁর অসামর্থ্যের ক্ষেত্রে স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন (৫৪ অনুচ্ছেদ)। স্পীকারের অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পীকার সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব এবং অন্যান্য দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া সকল কাজে তিনি স্পীকারকে সহায়তা করে থাকেন। সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে গৃহীত প্রস্তাব দ্বারা স্পীকারকে তাঁর পদ থেকে অপসারণ করা  যায়। স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের পদ শূণ্য হলে সংসদ অধিবেশনরত থাকলে সাত দিনের মধ্যে কিংবা অধিবেশন না থাকলে পরবর্তী প্রথম বৈঠকে উক্ত পদ পূরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয়। কোনো কারণে সংসদ ভেঙে গেলে স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকার তাঁদের উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যমত স্ব স্ব পদে বহাল রয়েছেন বলে গণ্য হন। সংসদ-সদস্যদের শপথ গ্রহণ এবং স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার নির্বাচনের পরবর্তী পর্যায়ে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়।

বিস্তারিত