উত্তর : সিগারেট বা তামাকে প্রায় ৪০০০ chemicals বা বিষময় পদার্থ রয়েছে, যার মধ্যে অনেক chemicals হচ্ছে carcinogenic. That is cancer সৃষ্টিকারী। উল্লেখ্যযোগ্য কেমিকেলগুলো হচ্ছে নিকোটিন, অ্যামোনিয়া, কার্বন মনোক্সাইড, মিথেন, বিউটেন, ক্যাডমিয়াম, ফরমালডিহাইড, হাইড্রোজেন সায়ানাইড, আরসেনিক, টার ও বেনজোপাইরিন। এ সকল পদার্থ একজন ধূমপায়ী ধীরে ধীরে, অল্প অল্প করে গলাধঃকরণ করে থাকে। ফলে দীর্ঘদিন ধূমপানের ফলে তা আস্তে আস্তে মানবদেহের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ টিস্যু ও অঙ্গসমূহের স্বাভাবিক মৃত্যু ঘটায় ।
এবার বলি, এসব কেমিকেলের স্বাভাবিক ব্যবহার সম্পর্কে। নিকোটিন ইঁদুরের বিষ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। HCN গ্যাস চেম্বার-এর poison হিসেবে, আরসেনিক ইঁদুরের বিষ হিসেবে, মিথেন রকেটের জ্বালানি হিসেবে, CO গাড়ির exhaust যা silencer থেকে নির্গত ধোঁয়া, বিউটেন হালকা জ্বালানি গ্যাস হিসেবে, ক্যাডমিয়াম ব্যাটারিতে আর ফরমালডিহাইড ল্যাবরেটরিতে মানুষের টিস্যু ও অঙ্গ- প্রত্যঙ্গসমূহকে সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়। এসব পদার্থই আমরা ধূমপানের সময় আস্তে আস্তে শরীরে নিয়ে থাকি। এসব পদার্থের ভেতর কি কোনো ভিটামিন, কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, মিনারেলস, নিউট্রিয়ান্টস, ফাইবার্স, আমিষ ও পানি জাতীয় পদার্থ আছে, যা আমাদের খাদ্যদ্রব্যের আওতাভুক্ত? এক কথায় যেসব পদার্থ খেলে মানুষ বেঁচে থাকে তার কোনোটিই সিগারেট বা তামাকে নেই। অন্তত বিজ্ঞান আমাদের এটাই বলে ।