বৈজ্ঞানিক গবেষণায় যমযমের পানিতে কী কী উপাদান আছে বলে প্রমাণিত হয়েছে?

আধুনিক বিজ্ঞান আমাদের জানায় যে যমযমের পানি তার স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্যে অনন্য । এ পানিতে প্রতি লিটারে প্রায় ২০০০ মিঃ গ্রাঃ পরিমাণ উপকারী এলিমেন্টস রয়েছে। এ পানিতে প্রতি লিটারে ২৫০ মিঃ গ্রাঃ সোডিয়াম, ২০০ মিঃ গ্রাঃ ক্যালসিয়াম, ২০ মিঃ গ্রাঃ পটাসিয়াম এবং ৫০ মিঃ গ্রাঃ ম্যাগনেসিয়াম আয়ন আছে, যা অন্যান্য পানির তুলনায় অনেক বেশি। নেগেটিভ আয়নগুলোর মধ্যে সালফেট, বাইকারবনেট, নাইট্রেট, ফসফেট ও অ্যামোনিয়া পরিমাণমতো রয়েছে। যমযম পানিতে উপরোক্ত যেসব মিনারেল আছে তা মানুষের পাকস্থলী, লিভার, কিডনি ও ইনটেটিনের জন্যে খুবই উপকারী। গবেষণায় আরো প্রমাণিত হয়েছে যে যমযমের পানিতে কোনো জীবাণু বা ক্ষতিকর কোন পদার্থ নেই। যে সমস্ত microbes আশপাশের মাটিতে বিদ্যমান, তা যমযমের পানিতে অনুপস্থিত। তাছাড়া এ পানিতে প্রচুর পরিমাণে ফ্লোরাইড বিদ্যমান। এসবের জন্য দীর্ঘদিন এ পানি সংরক্ষণ করলেও এতে কোনো শেওলা বা জলজ জীবাণু জন্মাতে পারেনা ।

সবচেয়ে আশ্চর্যের ব্যাপার হলো নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সময় থেকে আজ অবধি বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ এ পানি ব্যবহার করে আসছে এবং স্বদেশে নিয়ে যাচ্ছে। অথচ এ পানির পরিমাণ কূপের উৎসে একটুও কমেনি। এ পানি কখনো নিঃশেষ হবার নয়। বর্তমানে যমযমের পানির প্রবাহ প্রতি সেকেন্ডে ১১-২০ লিটার পর্যন্ত। এ পানির উৎস কোথায় তা এখন জানা কঠিন। আনুমানিক তিন হাজার বছর যাবৎ এভাবে পানি প্রবাহিত হয়ে আসছে। আল্লাহই জানেন কত বছর এ পানির প্রবাহ থাকবে।