: হযরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন যে “নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাবার পানির মধ্যে নিঃশ্বাস ফেলতে নিষেধ করেছেন।” (মুসতাদরাক) ৭৭৩
গরম পানীয়তে বা খাবার পাত্রে নিঃশ্বাস ফেলা ও ফুঁক দেয়া নিষেধ।
CO, যা মানুষ নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের সময় বের করে দেয়। তাই কেউ পাত্রে নিঃশ্বাস ফেললে বা ফুঁক দিলে সে খাবার বা পানি কার্বন-ডাইঅক্সাইড গ্যাসের মাধ্যমে দূষিত হয়ে যায় ।
দ্বিতীয় দিকটি হচ্ছে পানীয়তে নিঃশ্বাস ফেললে নিঃশ্বাসের সাথে water droplet বা বাষ্পকণা পানিতে প্রবেশ করে তা দূষিত করে। যাদের ইনফ্লুয়েঞ্জা, ঠাণ্ডালাগা, Herpes Simplex, Rubela polymyetitis এবং Streptococcal infections থাকে, তাদের বেলায় উক্ত নিঃশ্বাসযুক্ত পানীয় কিছুতেই পান করা উচিত নয়। তৃতীয়ত, পানীয়তে কোনো ভাসমান খড়-কুটো বা ময়লা থাকলে তা ফেলে দেয়া উচিত। তাই নবী করীম সল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা ফেলে দিতে বলেছেন। তবুও ফুঁক দিতে নিষেধ করেছেন।
অপর দিকে হযরত আবূ কাতাদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের কেউ পানি পান করার সময় পানপাত্রে নিশ্বাস ফেলবেনা।” (সহীহ আল বুখারী) ৭৭৪
আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুও এ একই ধরনের হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, “নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পানির মধ্যে নিঃশ্বাস ফেলতে এবং কোনো খাবার পাত্রে ফুঁক দিতে নিষেধ করেছেন।” (আবূ দাউদ ও আত-তিরমিযী) ৭৭৫
তখন জনৈক সাহাবী আরয করলেন, “যদি পানির পাত্রের ভেতর কোনো ময়লা দেখি, তখন কি করবো? নবী করীম সল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন বললেন, সে পানি ফেলে দাও। সাহাবী পুনরায় যখন বললেন, আমি এক নিঃশ্বাসে পরিমাণমতো পানি পান করতে পারিনা। তখন নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যদি শ্বাস নেয়ার প্রয়োজন হয় তখন পাত্র সরিয়ে নাও যাতে তুমি বাইরে প্রশ্বাস ফেলতে পারো। পরে পুনরায় পানি পান করো। প্রয়োজন হলে পুনরায় পাত্রটি সরিয়ে আবার তৃতীয় চুমুকে পানি পান শেষ করবে।" (আত-তিরমিযী) ৭৭৬
হযরত আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুও এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। যাহোক, এই হাদীস তিনটি থেকে আমরা জানতে পারি যে পানীয়তে ফুঁক দিলে তা দূষিত হয়ে যায়। কারণ exhaled air contains