উত্তর : হযরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুস্থতা ও পবিত্রতার দশটি নীতি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি এই দশটি বিষয়কে স্বভাবসুলভ
সুন্নাহ বা দ্বীনে হানীফের অংশ বলেছেন। এগুলো সকল পুরুষ মানুষের জন্য প্রয়োজনীয়। এসবের কতিপয় মহিলাদের জন্যও প্রযোজ্য। এসব কাজ পূর্বের নবী আলাইহিমুস সালামের উম্মতের জন্যও পালনীয় ছিলো। এই দশটি নীতির ভেতর একটি নীতি হাদীস বর্ণনাকারী মুসয়াবের মনে ছিলোনা। নীতিসমূহ হচ্ছে, “১. গোঁফ ছাঁটা, ২. দাড়ি লম্বা করা, ৩. মিসওয়াক করা, ৪. নাকে পানি দেয়া, ৫. নখকাটা, ৬. আঙ্গুলের জোড়াগুলো ধোয়া, ৭. বগলের পশম উঠিয়ে ফেলা, ৮. নাভির নিচের পশম মুণ্ডানো এবং ৯. ইস্তেঞ্জা (প্রস্রাব-পায়খানা হতে নিশ্চিতরূপে পবিত্রতা অর্জন) করা। হাদীসটি বর্ণনাকারী মুসয়াব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, দশমটি আমি ভুলে গেছি, সম্ভবত সেটা হবে কুলি করা।” (সহীহ মুসলিম ও আত-তিরমিযী)
এ নীতিগুলোর একটিও যদি কেউ উপেক্ষা করেন, তাহলে আমি বলবো তিনি স্বাস্থ্য সচেতন নন। এই সুন্দর অভ্যাসগত কাজগুলো আধুনিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞান পুরোপুরি সমর্থন করে। এসব good natural acts নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন এক সময় বর্ণনা করেছেন যখন মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও রোগ প্রতিরোধ করা তথা রোগ থেকে দূরে থাকার বিষয়ে কোনো সুস্পষ্ট ধারণা ছিলো না। তাই আমরা যদি এই কাজগুলোকে প্রাত্যহিক জীবনে নিয়মিত মেনে চলার অভ্যাস করি তাহলে আমরা অনেক রোগ- ব্যাধি থেকে দূরে থাকতে পারব।