: প্রথম উপকার হচ্ছে আর্থিক সাশ্রয়। আপনি দেখুন যদি প্রতিদিন বাসায় clean shave করেন তাহলে প্রায় ১০ টাকা খরচ হয়। আর সেলুনে গেলে কমপক্ষে ২০ টাকা লাগে। অর্থাৎ মাসে প্রায় ৬০০ টাকা খরচ হয়। এই টাকা shave করার জন্য অপচয় হয়। দাড়ি রাখলে এ অপচয় হবেনা। এতে আপনার আর্থিক সাশ্রয় হবে। আশা করি আপনারা সবাই এ বিষয়ে একমত হবেন।
দ্বিতীয়ত : সময়ের সাশ্রয়, saloon-এ shave করতে আসা-যাওয়ার সময়সহ কমপক্ষে ৩০ মিনিট সময় ব্যয় হয়ে থাকে। আর যদি সেলুনে 'কিউ' থাকে তখন আরো বেশি সময় ব্যয় হয়। এই সময়টা কেউ অন্য কাজে লাগাতে পারে। বাসায় shave করলে সর্বাপেক্ষা ২০ মিনিট সময় লাগে। তাই প্রতিদিন ৩০ মিনিট হিসেবে একজন লোক সারা জীবনে কতো দিন দাড়ি shave করার পেছনে সময় ব্যয় করে থাকেন? চিন্তা করুন। ধরুন, প্রতিদিনে ৩০ মিনিট বা আধা ঘণ্টা, তাহলে ১ বছর তথা ৩৬৫ দিনে ১৮৩ ঘণ্টা অর্থাৎ প্রায় ৮ দিন। তিনি যদি ৬০ বছর এভাবে প্রত্যহ shave করেন তবে তার সময় অপচয় হবে মোট ৮x৬০= ৪৮০ দিন। এ সময় কি নগণ্য ? It is a total wastage of money and time for an unnecessary activity. তৃতীয়ত : পানীয় দূষিত না হওয়া, গোঁফ কামিয়ে ফেলা বা তা ছোট করে রাখার বিষয়ে হাদীস শরীফে বর্ণনা এসেছে। নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীস অনুযায়ী সপ্তাহে একবার গোঁফ ছাটলেই হবে । এক সপ্তাহে গোঁফ যতোটুকু বড় হবে তা পানীয়কে দূষিত করার কারণ হবেনা । চতুর্থত : দাড়ি যতোই বড় হোক না কেনো, তা পানীয়কে দূষিত করতে পারবেনা। কারণ পান
করার সময় পানির গ্লাস বা কাপ সর্বদা দাড়ির উপরে থাকে। অর্থাৎ পানির পাত্রটির নিচেই দাড়ি থাকে। ফলে তা পানীয়তে ঢোকার সুযোগ নেই। আর গোঁফ বড় থাকলে পান করার সময় পানীয়ের স্পর্শ থেকে রক্ষা করার কোনো উপায়ই থাকেনা। কারণ গোঁফ তো ঠোঁটের উপরিভাগে থাকে । পান করার সময় তা সর্বদা কাপের বা গ্লাসের ভেতর পড়ে যায়।
পঞ্চমত : দাড়ি পুরুষের সৌন্দর্যবর্ধক। এটি পুরুষত্বের চিহ্ন। দাড়ি রাখলে চোখের উপকার হয়। দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি পায়। Medical science আমাদের বলে যে দাড়ি মানুষের মুখমণ্ডলকে গরম রাখে। এটি আমাদের মুখ ও চামড়াকে সুরক্ষা করে। দাড়ি ক্ষতিকর ও দূষিত পদার্থ থেকে মুখকে রক্ষা করে । তাছাড়া এটি ultraviolet ray-এর harmful effects থেকে মুখমণ্ডলকে রক্ষা করে। দাড়ি acne, মুখের দাগ ও ব্রণ থেকে রক্ষা করে। সুতরাং আমাদের সকল প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের দাড়ি রাখা এবং গোঁফ কামিয়ে ফেলা বা ছোট রাখা উচিত।