নাভির নিচের লোম পরিষ্কার করার বিষয়ে হযরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু একটি হাদীস বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, “নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাভির নিচের লোম পরিষ্কারের জন্য চুন বা লোমনাশক ব্যবহার করতেননা; বরং লোম বেড়ে উঠলে তিনি তা ক্ষুর দিয়ে পরিষ্কার করে নিতেন।” (আস-সুনানুল কুবরা লিল বাইহাকী) ১২৯
এ হাদীস থেকে বুঝতে পারা যায় যে পুরুষদের জন্য বিনা প্রয়োজনে নাভির নিচের লোম পরিষ্কারের জন্য Ca(OH)2 বা CaO ব্যবহার করা কিংবা কোনো লোমনাশক সাবান ব্যবহার নিষেধ। কারণ চুন বা চুন জাতীয় কোনো রাসায়নিক পদার্থ মানুষের চামড়ার ক্ষতিসাধন করে থাকে। এটি চামড়া penetrate করে internal tissueকেও ক্ষতিগ্রস্থ করতে পারে।
বস্তুত বগলে ও নাভির নিচের পশম বা লোম কামিয়ে ফেলা ও পরিষ্কার রাখা একটি উত্তম ও স্বাস্থ্যসম্মত কাজ। এটি মানুষকে বিভিন্ন রোগ জীবাণুর আক্রমণ থেকে রক্ষা করে থাকে। তাছাড়া এগুলো পরিষ্কার না রাখলে দুগন্ধে অস্বস্তি সৃষ্টি হয়। এসব লোকের আশেপাশে যারা বসে থাকেন তারা এসব দুর্গন্ধ পেয়ে কষ্ট অনুভব করেন । আর স্বাভাবিকভাবে মানুষ এসব ব্যক্তি থেকে দূরে থাকে বা এড়িয়ে চলার চেষ্টা করে । আবু নুয়াইম রহমাতুল্লাহ আলাইহি একটি রিওয়ায়াত বর্ণনা করেন, যেখানে বলা হয়েছে, “নাভির নিচে লোম পরিষ্কারে ক্ষুর ব্যবহার করা হলে তা সহবাসের আকাঙ্খাকে জাগিয়ে তোলে।" (আস-সুয়ূতী)