রোযা বা fasting তাকওয়াসম্পন্ন সমাজ গড়া ছাড়াও রোগ থেকে মুক্ত থাকার অন্যতম উপায়। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতায়া'লা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন যে “এই সাওম বা রোযা রাখার বিধান পূর্ববর্তী নবীগণের উম্মতের জন্যও ফরয করা হয়েছিল”। (আল বাকারাহ ২:১৮৩)
ইমাম কুরতুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উল্লেখ করেছেন যে হযরত মুজাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, আল্লাহ তা'য়ালা রমযানে রোযা প্রত্যেক উম্মতের ওপর ফরয করেছেন। (আল-জামি'লি আহকামিল কুরআন লিল কুরতুবী, ২/২৭৪) অনুরূপ ইবনে কাছীর রহমতুল্লাহি আলাইহিও তদীয় তফসীরে হযরত হাসান বসরী রহমতুল্লাহি আলাইহির থেকে বর্ণনা উল্লেখ করেছেন ।
আমি বেশ কয়েকটি তাফসীরগ্রন্থ অধ্যয়ন করেও জানতে পারিনি যে পূর্ববর্তী উম্মতগণের রোযার সংখ্যা, সময়কাল ও অন্যান্য বিস্তারিত বিবরণ কী ছিলো। অর্থাৎ, তারা দিনে কয় ঘণ্টা রোযা রাখতেন, বছরে কতোদিন ইত্যাদি । যাহোক, এটি সত্য যে, মানব সমাজের সামগ্রিক কল্যাণের জন্যই রোযার এ বিধান দেয়া হয়েছে। নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমরা রোযা রাখো, সুস্থ থাকবে।” (আল মু'জামুল আওসাত)
নামাযের মাধ্যমে রোগ থেকে নিরাপদ থাকা